সর্বশেষ আপডেট : ৩১ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে ২৩ দেশে, চীনে প্রাণহানী বেড়ে ৩৬১

চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত চীনে মোট ৩৬১ জন করনোভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ২০৫ জন। চীনের বাইরে ২৩ দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ১৫০ ঘটনা ঘটেছে। চীনের স্বাস্থ্য কমিশন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বরাতে এ খবর জানিয়েছে দ্য নিউইইয়র্ক টাইমস।

এর আগে, রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) চীন থেকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ফিলিপাইনে গিয়ে এক ফিলিপিনো নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল। চীনের সকল প্রদেশে ছড়ানোর পর করোনাভাইরাস থাইল্যান্ড, জাপান, হংকং, সিংগাপুর, তাইওয়ান, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, ম্যাকাও, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম, ইতালি, ভারত, ফিলিপাইন, নেপাল, কম্বোডিয়া, শ্রীলংকা, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, স্পেনে ছড়িয়ে পড়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চীন ফেরত ওইসব দেশের নাগরিকের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে।

কিন্তু, থাইল্যান্ড, তাইওয়ান, জার্মানি, ভিয়েতনাম, জাপান, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন আক্রান্ত পাওয়া গেছে যারা চীন ভ্রমণ করেননি।

ইতোমধ্যেই, তিনটির অধিক মহাদেশে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস মহামারীতে রূপ নিয়ে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে, চীনের উহান থেকে বিভিন্ন দেশের আটকে পড়া নাগরিকদের বিশেষ ফ্লাইটের মাধ্যমে তাদের নিজদেশে ফেরত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দেশে ফেরানোর পর বিশেষব্যবস্থায় তাদের আইসোলেশন ইউনিটে অন্তরীণ করে রাখা হচ্ছে।

এছাড়াও, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিঊএইচও)। বিভিন্ন দেশে চীনা নাগরিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে। করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গেসঙ্গে বিশ্বজুড়ে চীনাদের বিরুদ্ধে জাতিগত বিদ্বেষ বাড়ছে বলে অনেক চীনা অভিবাসী উল্লেখ করেছেন।

প্রসঙ্গত, ডিসেম্বরের ৩১ তারিখে করোনাভাইরাস চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে সর্বপ্রথম সনাক্ত করা হয়। তারপর থেকেই দ্রুততম সময়ে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক বা প্রতিরোধক তৈরি হয়নি।

এই ভাইরাসে আক্রান্তরা শ্বাস প্রশ্বাসের সংক্রমণের শিকার হন। চীনের স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়েছে, তুলনামূলকভাবে বয়স্ক এবং আগে থেকেই শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যায় ভুগছিলেন এমন করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মৃত্যু হচ্ছে।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: