সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

পেঁয়াজ নিয়ে বিপাকে ভারত, বাংলাদেশকে কেনার অনুরোধ


বেশিরভাগ রাজ্য সরকার চাহিদা প্রত্যাহার করে নেয়ায় পেঁয়াজ নিয়ে বিপাকে পড়েছে ভারত। বিপদ থেকে উদ্ধার হতে এখন বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি করতে চাইছে দেশটির সরকার।

সোমবার ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার রকিবুল হকের সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশকে পেঁয়াজ কিনে নেয়ার এ প্রস্তাব দেন বলে দেশটির ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য প্রিন্ট’ জানিয়েছে।

বৈঠকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভারতের জ্যেষ্ঠ এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের চাহিদার ভিত্তিতে পেঁয়াজ আমদানি করে বিপাকে পড়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন সরকার।

‘দ্য প্রিন্ট’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভারতের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ভারত বিদেশ থেকে মোট ৩৬ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির চুক্তি করেছে। ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশটিতে ১৮ হাজার টন পেঁয়াজ পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রদেশের সরকার আমদানিকৃত পেঁয়াজের মাত্র ৩ হাজার টন নিয়েছে। অবশিষ্ট পেঁয়াজ মুম্বাইয়ের জওহরলাল নেহরু বন্দরে খালাসের অপেক্ষায়।

চলতি মাসের শুরুর দিকে ভারতের ভোক্তা কল্যাণবিষয়ক মন্ত্রী রাম বিলাস পাসওয়ান জানান, আমদানিকৃত পেঁয়াজের মহারাষ্ট্র সরকার ১০ হাজার টন, আসাম ৩ হাজার টন, হরিয়ানা ৩ হাজার ৪৮০ টন, কর্ণাটক ২৫০ টন ও ওড়িশ্যা প্রদেশ সরকার ১০০ টন চাহিদা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

গত নভেম্বর এবং ডিসেম্বরে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ১০০ রুপি পেরিয়ে যাওয়ার পর এসব রাজ্য এই নিত্যপণ্যটি আমদানি করতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল। এখন তারা আমদানিকৃত পেঁয়াজের উচ্চমূল্য এবং স্বাদের ভিন্নতার অজুহাত দেখিয়ে সেগুলো নিতে রাজি হচ্ছে না।

রাজ্যগুলো কেন্দ্রীয় সরকারের আমদানিকৃত পেঁয়াজ নিতে রাজি না হওয়ায় সেগুলো পচে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ভারত এসব পেঁয়াজ প্রতি টন ৫০ হাজার থেকে ৫৯ হাজার (৬০০ থেকে ৭০০ ডলারে) টাকায় আমদানি করেছে। এখন বাংলাদেশকে এসব পেঁয়াজ প্রতি টন ৫৫০ থেকে ৫৮০ ডলারে কিনে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে মোদি সরকার।

ওই বৈঠকে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার রকিবুল হক বলেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেছে এবং নেপাল হয়ে আরও পেঁয়াজ দেশের বাজারে ঢোকার অপেক্ষায় আছে। সুতরাং বিনামূল্যে পরিবহনসহ ভারতের কিছু প্রণোদনা দেয়া উচিত।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পেঁয়াজ দ্রুত পচনশীল। ভারতের কেনা পেঁয়াজের গুনগত মান ইতিমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে। তাছাড়া ভারত বেশি দামে পেঁয়াজ আমদানি করেছে। তাই সেই পেঁয়াজ বাংলাদেশের আমদানি করা ঠিক হবে না।

এ ব্যাপারে ঢাকায় পেঁয়াজের পাইকারী বাজার শ্যামবাজারের আমদানিকারক শংকর চন্দ্র ঘোষ যুগান্তরকে বলেন, ওই পেঁয়াজের টেম্পার (খাদ্যমান) নষ্ট হয়ে গেছে। সেগুলোর মান এখন ভালো নেই। এগুলো বাংলাদেশের কারও আমদানি করা ঠিক হবে না।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে পেঁয়াজের দাম নিজেদের বাজারে নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারত।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: