সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৫ ইউপি চেয়ারম্যানের অনাস্থা

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা:

বিভিন্ন অনিয়ম ও অসদাচরণের অভিযোগে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মর্তুজা হাসানের বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়েছেন ৫ জন ইউপি চেয়ারম্যান। এ ব্যাপারে তারা গত ১০ জানুয়ারি হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগকারীরা হলেন, আজমিরীগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুছ সেন, বদলপুর ইউপি চেয়ারম্যান সুশেন দাস, জলসুখা ইউপি চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমেদ খেলু, কাকাইলছেও ইউপি চেয়ারম্যান মো. নুরুল হক ভূইয়া।
অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, মো. মর্তুজা হাসান উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ইউপি চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তাসহ সকলের সাথেই অসদাচরণ করে আসছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার ও সাধারণ সভায় সদস্যদের সাথে তিনি অশালিন আচরণ ও কথা বার্তা বলেন। তার ব্যবহারে সকলেই অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন। এছাড়া চলতি অর্থবছরের তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত তিনি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের এডিপি প্রকল্প যাচাই-বাচাই করে বরাদ্দ দেয়া হয়নি। এমনকি এ ব্যাপারে চেয়ারম্যানগণ সাধারণ সভায় বিষয়টি উত্থাপন করলেও নিজের ইচ্ছে মতো বরাদ্দ দেয়া হবে বলে তিনি প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন।
এদিকে, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে সেকেন্ড রুরাল ট্রান্সপোর্ট ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের (আরটিআইপি-২) অধিনে বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ ভায়া শিবপাশা সড়কের চার কিলোমিটার সংস্কার কাজ পায় তাঁর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজটি সিডিউল মোতাবেক হচ্ছে না দেখে গত ১৭ নভেম্বর উপজেলা প্রকৌশলী তানজির উল্লাহ ঠিকাদার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সেখানে ব্যবহৃত নির্মাণ সামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করে এলজিইডির ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করেন। ওই পরীক্ষায় সিডিউল মোতাবেক কাজটি হচ্ছে না বলে ধরা পড়ে।
এ সময় উপজেলা প্রকৌশলী শিডিউল মোতাবেক কাজটি হচ্ছে না বলে মর্তুজা হাসানকে জানালে তিনি প্রকৌশলীকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করেন। পরবর্তীতে তিনি ওই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ এনে তাকে অন্যত্র বদলি করান। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নিজ নামে বা অংশিদারী হিসেবে ঠিকাদারি করার নিয়ম না থাকলেও আজমিরীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মর্তুজ হাসান জাইকার অর্থায়নে আজমিরীগঞ্জ-পাহাড়পুর সড়কের প্রায় ১৪ কোটি টাকার দুটি প্রকল্পের কাজ করছেন। তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সাহিল-মর্তুজা (জেবি) গত বছর ১২ মার্চ এই কাজটি পান।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, উপজেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা কোন মত প্রকাশের স্বাধীনতা পান না। মর্তুজা হাসান নির্বাচনী হলফনামায় নিজেকে এসএসসি পাশ দাবি করলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি জাল সার্টিফিকেট দাখিল করেন। এ ব্যাপারে তদন্ত করলে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: