সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

২০২০ সালে মালয়েশিয়ায় শুরু হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক ওয়ার্ক পারমিট

প্রবাস ডেস্ক ::

২০২০ সালের শুরুর দিকে মালয়েশিয়ায় শুরু হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক ওয়ার্ক পারমিট। যার নাম দেয়া হয়েছে ইলেক্ট্রনিক টেম্পোরারি ওয়ার্ক পারমিট। আর এ নতুন পদ্ধতিতে আগামী জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তানশ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন।
২ ডিসেম্বর ইমিগ্রেশন দিবস অনুষ্ঠানে ই-পিএলকেএস জেআইএম উদ্বোধনের পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যেসকল নিয়োগকারী ভিজিটর পাস (অস্থায়ী কর্মসংস্থান) এর জন্য আবেদন করছেন তাদের সহায়তা করার জন্যই এই ব্যবস্থা। তানশ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের মতে, নতুন ব্যবস্থাটি নিয়োগকারীদের আবেদনের প্রক্রিয়াকে সহজ্তর করবে যেগুলি আগে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে উপস্থিত থেকে করতে হতো। এতে আবেদনের সময় সাশ্রয় হবে কারণ এই প্রক্রিয়াটিতে কোনও মধ্যস্থতাকারী বা দালালের আর প্রয়োজন হবে না। মহিউদ্দিন আরও জানান, যেসব নিয়োগকর্তা এই টেম্পোরারি ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবেদন করছেন তাদের কেবলমাত্র পিএলকেএস আবেদনের নির্ধারিত বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য ফি এবং ভিসার জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে।
তবে নিয়োগকর্তারা ইপিএলকেএস জেআইএম ব্যবহার করতে চান বা ভেন্ডর ব্যবহার করতে চান তা তাদের সেটা বাছাই করার সুযোগ থাকবে। আরও বিস্তারিত তথ্য ইমিগ্রেশন বিভাগের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। ইপিএলকেএস প্রবর্তনের পূর্ববর্তী প্রচেষ্টা বরিশান নেশনাল (বিএন) প্রশাসনের অধীনে স্থগিত করে একটি প্রাইভেট ফার্মে আউটসোর্স করা হয়েছিল যা পরে স্পোর্টলাইটে এসেছিল।
ইপিএলকেএস সিস্টেমটি তখন বায়োমেট্রিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার সাথে বিদেশী কর্মীদের সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (এফডাবøুসিএমএস) অংশ হিসাবে চালু করা হয়েছিল। আর সেটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে কার্যকর হয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে যে, এফডাবøুসিএমএস এবং বায়োমেট্রিক স্বাস্থ্য চেক উভয়ই বিদেশী কর্মসংস্থান সংস্থা অপারেটরদের দ্বারা সমালোচিত হয়েছিল। যার কারণে শ্রমিকদের মালয়েশিয়ায় প্রেরণ বন্ধ করার হুমকিও দিয়েছিল।
অপারেটররা এফডাবøুসিএমএস-এর আওতায় ৫ রিংগিত থেকে ২৫০ রিংগিত পর্যন্ত ফি বৃদ্ধি করার অভিযোগ করেছিলেন, যা বেসরকারী সংস্থা বেস্টিনেট এসডিএন ভিডি’র আউটসোর্স ছিল।
এদিকে, পৃথক একটি বিষয়ে মন্তব্য করে মহিউদ্দিন বলেছেন, অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়োগের বিষয়টি মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়কে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের (এমএসিসি) প্রধান লাথেফা কোয়া যে পরামর্শ দিয়েছেন তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবেচনা করবে।
মালয়েশিয়াকিনি জানিয়েছে যে, অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়োগের প্রক্রিয়াটি মানব সম্পদ মন্ত্রণালয়কে ফিরিয়ে দেওয়াই হলো অভিবাসী শ্রমিক নিয়োগের সাথে জড়িত দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সূচনা।
এই ব্যবস্থার অবসানের প্রস্তাব করতে গিয়ে লাথিফা জানিয়েছিলেন যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বর্তমান নীতিটি অভিবাসী শ্রমিকদের শোষণের সুযোগ দেয়।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: