সর্বশেষ আপডেট : ১৫ ঘন্টা আগে
শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ওসমানী হাসপাতালে এইচআইভি আক্রান্ত ৫৬ জন মা সুস্থ সন্তান জন্ম দিয়েছেন

এইচআইভি আক্রান্ত মানুষদের সেবা প্রদানে সিওমেক হাসপাতালের চিকিৎসকরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরে এসব মানুষকে সেবা প্রদান করে আমাদের চিকিৎসকগণ এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এ পর্যন্ত ওসমানী হাসপাতালের সেবার আওতায় ৫৬ জন এইচআইভি আক্রান্ত মা সুস্থ সন্তান জন্ম দিয়েছেন। সিলেট বিভাগের এইচআইভি নিয়ে বেঁচে থাকা রোগীরা সারা বছর এই হাসপাতাল থেকে তাদের প্রয়োজনীয় ঔষধসহ অন্যান্য সেবা নিয়ে থাকেন।

বিশ্ব এইডস দিবসের আলোচনা সভায় এ কথাগুলো বলেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডাঃ মোঃ ইউনুছুর রহমান।
গতকাল ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস উদযাপন উপলক্ষে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। দিনের শুরুতে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়। হাসপাতালের পরিচালকের নেতৃত্বে হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের উর্ধতন কর্মকর্তা, অধ্যাপক, চিকিৎসক, সেবিকাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারী ও সেবা গ্রহীতাগণ র‌্যালীতে অংশগ্রহণ করেন। হাসপাতালের আশেপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে হাসপাতালের গোল চত্ত¡রে এসে র‌্যালীটি শেষ হয়। র‌্যালী শেষে হাসপাতালের সেমিনার কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

হাসপাতলের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ ইউনুছুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং পিএমটিসিটি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মোঃ মোতাহের হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে হাসপাতালের এইচআইভি কার্যক্রম নিয়ে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন আবসিক চিকিৎসক ডাঃ আবু নঈম মোহাম্মদ।

আলোচনা পর্বে অংশ গ্রহণ করেন রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ এফএমএ মোঃ মুসা চৌধুরী, গাইনী বিভাগের প্রধান ডাঃ নাসরিন আক্তার, নবজাতক বিভাগের ডাঃ মোঃ আব্দুল হাই মিয়া সহ বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকবৃন্দ।
সভায় আলোচকগণ সিলেটের এইচআইভি কার্যক্রম গতিশীল করতে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সভায় বক্তারা বলেন, যেহেতু অভিবাসী অধ্যুষিত এলাকা তাই এখানে এইচআইভি প্রতিরোধ কার্যক্রমের আঙ্গিক একটু ভিন্ন রকমের হয়ে থাকে।

হাসপাতালের উপপরিচালক ডাঃ হিমাংশু লাল রায় তাঁর বক্তব্যে বলেন, সেবাদানকারীদেরকে অবশ্যই বৈষম্যহীন ভাবে সেবা প্রদান করতে হবে। বিশেষ করে আমাদের সমাজে যেসব ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠি রয়েছে তাদেরকে সেবার আওতায় না আনতে পারলে আমরা কেউই নিরাপদ থাকতে পারবনা।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সহকারী পরিচালক ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আযাদ, সেবা তত্তাবধায়ক, নার্সিং এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী সমিতির সভাপতি ও চতুর্থ শ্রেণীর সরকারী কর্মচারী সমিতির সভাপতি, পিএলএইচআইভি নেটওয়ার্কের প্রতিনিধি প্রমুখ।

সিলেটে এ পর্যন্ত সনাক্ত হওয়া এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা ৯৫১ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৩৯৪ জন। বাকীদের মধ্যে ৫০১ জন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে অবস্থিত এআরটি সেন্টার হতে নিয়মিত ঔষধ সেবন করে যাচ্ছেন। সরকারী অর্থায়নে এ রোগীদের মধ্যে ঔষধ এবং অন্যান্য সেবা বিনামূল্যে প্রদান করা হয়ে থাকে। পাশাপাশি এইচআইভি আক্রান্ত মা হতে শিশুর শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ প্রতিরোধের মাধ্যমে এইচআইভির নতুন সংক্রমণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ইউনিসেফের সহায়তায় এই দুটি হাপসাতালে পিএমটিসিটি প্রকল্প চলমান আছে। বিজ্ঞপ্তি




এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: