সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সমুদ্র দূষণের ৮০ ভাগ দায় মানুষের

নিউজ ডেস্ক:: টেকসই উন্নয়নের জন্য সমুদ্র দূষণকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে মনে করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। সমুদ্রের ৮০ শতাংশ দূষণই মানুষের কারণে হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বায়নের কারণে সমুদ্রের পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ছে।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে টেকসই সমুদ্র উন্নয়ন বিষয়ক এক সেমিনারে উঠে আসে নানা তথ্য। জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণসহ নানা বিষয় নিয়ে গবেষণা তুলে ধরেন বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদরা।

সমুদ্রে রয়েছে অপার সৌন্দর্য আর সম্পদের সীমাহীন সম্ভাবনা। কিন্তু প্লাস্টিকের ব্যবহার ও নানা রকমের দূষণে ক্রমেই নষ্ট হচ্ছে সমুদ্রের পরিবেশ, হুমকির মুখে পড়ছে জীব বৈচিত্র।

আর এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার হয়ে গেল সমুদ্র বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনার। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি আয়োজিত এ সেমিনারে অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

সমুদ্র সম্পদের সুরক্ষায় প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল তৈরির ওপর জোর দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী। বঙ্গোপসাগরকে তৃতীয় প্রতিবেশী উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সমুদ্রের নানা সম্ভাবনা কাজে লাগাতে তৎপর নৌবাহিনী।

নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী বলেন, আমাদের দক্ষ ও শিক্ষিত মেরিটাইম জনবল দরকার।

মেরিটাইম জাতি হিসেবে আমাদের শিক্ষিত ও দক্ষ কর্মী দরকার। আর এ জন্যই মেরিটাইম বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ ও গবেষণা বাড়াতে আমরা বিশেষায়িত একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। টেকসই মেরিটাইম উন্নয়ন নির্ভর করে এ বিষয়ের সুশাসন, সমুদ্রের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, পরিবেশ ও জীব প্রজাতির সংরক্ষণ এবং মেরিটাইম সন্ত্রাস প্রতিরোধের ওপর।

৯৪ শতাংশ বাণিজ্য সমুদ্র পথে হয় উল্লেখ করে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সমুদ্রে লুকিয়ে আছে সম্ভাবনা। এই সম্ভাবনা বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনারও অংশ। দূষণসহ নানা সমস্যা মোকাবেলায় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য সমুদ্র অর্থনীতিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে নেয়া হয়েছে। তবে সমুদ্র দূষণের বিরূপ প্রভাব পড়ছে জলবায়ুর ওপর।

সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় টেকসই প্রবৃদ্ধির নিয়ামক হিসেবে সমুদ্র অর্থনীতিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, নবায়ন যোগ্য জ্বালানী, মেরিটাইম শিল্প ও টেকনসই ইকো-টুরিজমসহ আরও নানা বিষয়। তবে আমরা দেখছি সমুদ্র দূষণ ও সামুদ্রিক পরিবেশ নষ্টের বিরূপ প্রভাব পড়ছে জলবায়ুর ওপর। টেকসই মেরিটাইম উন্নয়নে এটিই একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

দিনব্যাপী এই সেমিনারে ৩টি সেশনে বক্তারা সামুদ্রিক যোগাযোগ ও নিরাপত্তা, সামুদ্রিক স্বাস্থ্য ও প্রশাসন এবং সামুদ্রিক প্রযুক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিয়ে কথা বলেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: