সর্বশেষ আপডেট : ৮ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রুনা লায়লার সুরে গাইলেন ভারতের চার বিখ্যাত শিল্পী

বিনোদন ডেস্ক:: দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে গান করে চলেছেন উপমহাদেশের বরেণ্য গায়িকা রুনা লায়লা। ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন এই গুণী তারকা শিল্পী। কুড়িয়েছেন কোটি মানুষের ভালোবাসা।

তার গানে তিনি মন ভুলিয়েছেন তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে সকল বয়সী গান প্রেমীদের। নিজ দেশ ছাপিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে।

আজ ১৭ নভেম্বর প্রখ্যাত এই গায়িকার জন্মদিন। এই দিনে রাত গভীর হওয়ার আগে থেকেই সহকর্মী থেকে শুরু করে ভক্ত অনুরাগীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। দেখতে দেখতে জীবনের ৬৬টি বসন্ত পার করে পা রেখেছেন ৬৭তে। গতবছর নিজের জন্মদিন কলকাতায় পালন করলেও এবার পরিবারের সদস্য ও একান্ত কয়েকজনের সঙ্গেই দিনটি উদযাপন করবেন কিংবদন্তি এই গায়িকা। তবে এবারের জন্মদিন তাঁর কাছে অন্যবারের চেয়ে একটু বিশেষ।

আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ৪৩তম আসর। আলমগীর পরিচালিত একটি সিনেমার গল্প চলচ্চিত্রে প্রথম সুর করে শ্রেষ্ঠ সুরকার হিসেবে রুনা লায়লা পেতে যাচ্ছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়াও প্রখ্যাত এই গায়িকার জন্মদিন উপলক্ষে কলকাতার স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কে আপন কে পর’-এর আজ রোববারের পর্বটি রুনা লায়লাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে। আজ রাত ১০টায় দেখানো হবে বিশেষ এ পর্ব।

শুধু তাই নয়, অনেকদিন ধরেই নতুন গানে দেখা যাচ্ছিল না এই গায়িকাকে। গতকাল শনিবার তাঁর সুরারোপিত এবং গাওয়া ‘ফেরাতে পারিনি’ গানটির মিউজিক ভিডিও অবমুক্ত হয়েছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন থেকে। গানটিতে একজন মডেল কণ্ঠশিল্পী হিসেবে দেখা যায় তাঁকে।

জন্মদিন বিশেষ হবার আরও একটি নতুন চমক হচ্ছে, আগামী ১৩ ডিসেম্বর সিটি ব্যাংকের প্রযোজনায় আসছে ‘রুনা লায়লা ফিচারিং লিজেন্ডস ফরএভার’ শিরোনামে পাঁচটি গানের মিউজিক ভিডিও। গানগুলোর সুর করেছেন রুনা লায়লা। গেয়েছেন উপমহাদেশের বরেণ্য শিল্পী আশা ভোসলে, রাহাত ফতেহ আলী খান, হরিহরণ, আদনান সামি ও রুনা লায়লা নিজে।

রুনা লায়লা জানান, ‘আসলে গত পাঁচ দশক শিল্পী হিসেবেই মানুষের ভালোবাসা পেয়ে আসছি। সুর করার ব্যাপারে আমাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছেন আলমগীর সাহেব। তাঁর প্রযোজনা ও পরিচালনায় একটি সিনেমার গল্প চলচ্চিত্রের জন্যই আমার প্রথম সুর করা। গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। গেয়েছেন আঁখি আলমগীর। এ কাজ করতে করতেই ধ্রুব মিউজিক স্টেশন থেকে আরও কিছু গান সুর করার প্রস্তাব পাই। “ফেরাতে পারিনি” ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে। বাকিগুলো মুক্তির অপেক্ষায়। গেয়েছেন এ প্রজন্মের শিল্পী তানি লায়লা, আঁখি আলমগীর, হৈমন্তী রক্ষিত ও লুইপা।’

রুনা লায়লা জানান, তাঁর সুরে দেশের শিল্পীদের গাওয়া গানগুলো নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের শিল্পীদের নিয়ে গান করার বিষয়টি ভাবায়।

তিনি বলেন, ‘এরপর বসে বসে আমি পাঁচ-ছয়টা গান সুরও করি। গানগুলো হবে বাংলা ও হিন্দিতে। যদি সুস্থ থাকেন এবং রাজি থাকেন, তাহলে লতা মঙ্গেশকরকেও দিয়ে একটি গান গাওয়ার পরিকল্পনা করি। শিল্পীদের সঙ্গে আমি ফোনে যোগাযোগ করলে সবাই এক বাক্যে রাজি হয়ে যান। তাঁদের আগ্রহ দেখে আমার ভীষণ ভালো লাগে। কারণ, এ রকম একটা কাজে সবার সহযোগিতা পাচ্ছি।’

গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি লন্ডনে পাঁচটি গানের ট্র্যাক তৈরির কাজ শুরু হয়। সংগীতায়োজনে ছিলেন রাজা কাশ্যপ। লতা মঙ্গেশকর অসুস্থ থাকায় গানটি তাঁর গাওয়া হয়নি। সবার পরামর্শে সেই গান করেন রুনা লায়লা। এ ছাড়া আদনান সামির সঙ্গে দ্বৈতকণ্ঠেও গান তিনি। দুটি গানের ভয়েস রেকর্ড হয় লন্ডনে। বাকি তিনটি গানের ভয়েস রেকর্ড হয় মুম্বাই। প্রথম কণ্ঠ দেন হরিহরণ। এরপর আদনান সামি। এরপর আশা ভোসলে।

রুনা লায়লা বলেন, ‘আশা ভোসলে ৮৭ বছর বয়সেও যেভাবে গানটি গাইলেন, গায়কির মধ্যে বয়সের কোনো ছাপই পেলাম না। তিনি যে কত বড় মাপের শিল্পী, তা আরও ভালো করে জেনেছি সেদিন। এখনো রাহাত ফতেহ আলী খানের গানটির ভয়েস রেকর্ড হয়নি। আশা করছি দু-এক দিনের মধ্যে হয়ে যাবে।’

সব কটি গানের মিউজিক ভিডিওর নির্মাণকাজ চলছে। করছেন শাহরিয়ার পলক। আগামী ১৩ ডিসেম্বর সিটি ব্যাংকের দশম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে পাঁচটি গানের মিউজিক ভিডিও অবমুক্ত করা হবে। সেদিন যাঁরা গেয়েছেন, অনুষ্ঠানে তাঁদের দু-একজনের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: