সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নেশাখোর ছেলেকে পুড়িয়ে মারলেন বাবা-মা

নিউজ ডেস্ক:: প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে নিয়মিত নেশা করেন। আর মদের টাকার জন্য পরিবারের সবার ওপর প্রচণ্ড অত্যাচার করতেন ৪২ বছর বয়সী ওই ছেলে। তার অত্যাচারে দিনে দিনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন মা-বাবা। শেষে আর সইতে না পেরে ছেলেকে বেঁধে জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন তারা। মঙ্গলবার রাতে ভারতের তেলঙ্গানা রাজ্যের বরাঙ্গল জেলায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় এক সংবাদ মাধ্যম জানায়, মৃতের নাম কে মহেশ চন্দ্র (৪২)। তিনি বরঙ্গল গেলায় এগ্রিকালচার মার্কেটের কেরানি হিসাবে কাজ করতেন। ছেলেকে খুনের অভিযোগে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা যায়, হায়দ্রাবাদ থেকে প্রায় দু’শো কিলোমিটার দূরে মুস্থায়ালাপল্লি গ্রামের বাসিন্দা কে প্রভাকর এবং বিমলা। তাদের ছেলে মহেশ নিয়মিত নেশা করতেন। মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় বাড়ি ফিরে বাবা-মায়ের ওপর শুরু করতেন অত্যাচার। আর মদ খাওয়ার টাকা চেয়ে প্রতিদিনই নানা অশান্তি করতেন। এমনকি বাবা-মায়ের গায়ে হাত তুলতেও দ্বিধা করতেন না।

কেবল বাবা-মা নয়, নিজের স্ত্রীকেও রেহাই দিতেন না মহেশ। স্বামীর অত্যাচার সইতে না পেরে মাস দু’য়েক আগেই বাপের বাড়িতে চলে যান তার বউ। তার পর থেকে বাবা-মায়ের ওপর মহেশের অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

মঙ্গলবার রাতে মাতাল অবস্থায় বাড়ি ফেরার পর মা-বাবার সঙ্গে ঝামেলা শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাদের পেটাতে থাকে। ছেলের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে দুজনে মিলে মহেশকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে। তারপর তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মহেশ।

পরে মহেশের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়ে পুলিশ। এ ঘটনায় মহেশের মা-বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

সূত্র: আনন্দবাজার




এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: