সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিরিয়াল দিয়ে ৫০ টাকায় মোবাইল চার্জ

নিউজ ডেস্ক:: ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে তিনদিন ধরে বিদ্যুৎ নেই মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলায়। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানসহ এলাকার লাখ লাখ মানুষ। বিশেষ করে বর্তমানে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে গেছে চার্জ দিতে না পারায়।

ফলে কালকিনি উপজেলা শহরে এসে বেল্লাল ডেকোরেটর, দুলাল ডেকোরেটর, আলিহোসেন ডেকোরেটরসহ গোপালপুর, ভুরঘাটা, কালকিনি থানার মোড়, মাছ বাজারসহ প্রায় ২০টি দোকানে জেনারেটরের মাধ্যমে সিরিয়াল দিয়ে ৫০ টাকার বিনিময় মোবাইল চার্জ দিচ্ছে এলাকবাসীসহ ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও বিভিন্ন বাজারে জেনারেটর ভাড়া নিয়ে টাকার বিনিময়ে মোবাইল চার্জ দিচ্ছে।

জানা যায়, গত শুক্রবার বিকাল থেকে এলাকার বিভিন্ন স্থান বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন। এমনকি শনিবার থেকে শহর থেকে শুরু করে উপজেলার সকলস্থানে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে বিদ্যুৎতের খুঁটি, গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে, ট্রান্সফরমার নষ্টা হয়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

কালকিনি উপজেলার বিদ্যুৎতের ৯১টি খুঁটি হেলে, ভেঙে যাওয়া ও তিনটি ট্রান্সফরমার নষ্টা হওয়াসহ ৪শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ নেই তিনদিন। ফলে এলাকায় সবকিছু স্থবিরতা বিরাজ করছে। এলাকায় সকল মোবাইল ফোন নেট বন্ধ ছিল একদিন। তবে জেনারেটরের মাধ্যমে মোবাইল নেট চালু হলেও মোবাইল ফোনে চার্জ না থাকায় বন্ধ হয়ে আছে দূর- দুরান্ত, প্রিয়জন, আত্মীয়, বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ। হচ্ছে ব্যবসায়িক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি।

তাছাড়া বিদ্যুৎ না থাকায় সন্ধ্যা হলেই অন্ধকারে আচ্ছন্ন হয়ে যায়। বিভিন্ন ইলেকট্রিক চার্জার লাইট থাকলেও চার্জ দিতে না পারায় জ্বলছে না ঘরের আলো। বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকার শিক্ষার্থীদের পড়াশুনায় ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। তাই কালকিনিতে জেনারেটর চালু করে একাধিক ডেকোরেটরের মালিক সিরিয়ালের মাধ্যমে ৫০ টাকার বিনিময়ে শুরু করেছে ভ্রামমাণ মোবাইল চার্জ। টাকার বিনিময়ে হলেও মোবাইল চার্জ পেয়ে খুশি এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা।

বেল্লাল ডেকোরেটরের মালিক বেল্লাল জানান, তিনদিন যাবত এলাকায় বিদ্যুৎ নাই। তাই নিজেই যখন জেনারেটর চালু করে মোবাইল চার্জ দিচ্ছিলাম হঠাৎ কয়েকজন বৃদ্ধ মানুষ কয়েকটি ব্যাগে করে মোবাইল, লাইট, চার্জাার লাইট নিয়ে আসে। প্রথমে আমি দিতে চাইনি। পরে তারা টাকা দিতে চাইলো। তাছাড়া জেনারেটর চালু করলে আমারও অনেক খরচ হয়। তাই খরচ যাই হোক সকলকেই ইলেকট্রিক সামগ্রীতে চার্জ দিলাম। আমি প্রতি মোবাইল চার্জ প্রতি ২০টাকা নিচ্ছি।

গোপালপুুরের ভ্রামমাণ দোকানি মহসিন বলে, আমি দেখলাম টাকা নিলেও মানুষের উপকার হচ্ছে। তাই জেনারেটর ভাড়া করে সবার চার্জের ব্যবস্থা করছি। আমি চার্জ প্রতি ৫০/৩০/২০ যার কাছ থেকে যা নেয়া যায়। আর এলাকার মানুষও খুশি।

মোবাইল চার্জ দিতে আসা হেমায়েত হোসেন, সুমনা, হাকিম, নাঈম, হেলাল, জরিনা, রতন জানান, টাকা লাগছে এতে কোনো সমস্যা নেই। মোবাইল, লাইট, চার্জার লাইট চার্জ দিতে পেরেছি এতেই আমারা খুশি। তাছাড়া তাদেরও জেনারটর খরচ আছে। তাদের কারণে আমাদের দুভোর্গে পড়া মানুষের উপকার হচ্ছে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: