সর্বশেষ আপডেট : ৭ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মহাজাগতিক বিবর্তনের বোঝাপড়ায় পদার্থের নোবেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: বিগ ব্যাং থেকে শুরু করে আজকের মহাবিশ্বের কাঠামো সম্পর্কে নতুন বোঝাপড়া এবং মিল্কি ওয়েতে সূর্যের মতো নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণরত এক্সোপ্লানেটের অস্তিত্বের সন্ধান সামনে এনে এ বছর পদার্থে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে তিন বিজ্ঞানী। এ তিন বিজয়ী হলেন, প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানী জেমস পিবলস, জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইকেল মেয়র ও ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ দিদিয়ের কুয়েলজ।

মঙ্গলবার রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি সুইডেনের স্থানীয় সময় বেলা পৌনে ১২টায় এ তিন বিজ্ঞানীকে এ বছরের পদার্থে নোবেলজয়ী ঘোষণা দিয়েছে। রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি বলছে, এই তিন বিজ্ঞানী তাদের একটি তত্ত্বে মহাবিশ্ব এবং বিশ্বের বিবর্তনের নতুন বোঝাপড়া সামনে এনেছেন।

নোবেল কমিটি বলছে, গত দুই দশক ধরে পিবলস একটি তাত্ত্বিক কাঠামো দাঁড় করিয়েছেন; যা মহাবিশ্বের ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের বোঝাপড়ার ওপর ভিত্তি করে গঠন করা হয়েছে। এ কাজের জন্য ৯ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনার পুরস্কারের অর্ধেক অর্থ পাবেন পিবলস। এছাড়া সূর্যের মতো নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণরত এক্সোপ্লানেটের আবিষ্কারের জন্য মাইকেল মেয়র ও দিদিয়ের কুয়েলজ পাবেন বাকি অর্ধেক।

রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি বলছে, তাদের এই আবিষ্কার স্থায়ীভাবে আমাদের বিশ্বের ধারণা বদলে দিয়েছে। মেয়র এবং কুয়েলজ তাদের গবেষণায় মহাকাশের মিল্কি ওয়েতে অজানা এক্সোপ্লানেটের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন। ১৯৯৫ সালে এ দুই বিজ্ঞানী আমাদের সোলার সিস্টেমের বাইরে নতুন একটি গ্রহ, সূর্যের মতো প্রদক্ষিণরত একটি নক্ষত্রের সন্ধান পান।

‌দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জেমস পিবলসের এই তাত্ত্বিক কাঠামো বিগ ব্যাং থেকে শুরু করে আজকের মহাবিশ্বের ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের আধুনিক বোঝাপড়ার নতুন ভিত দাঁড় করিয়েছে।

এর আগে, অক্সিজেনের প্রাপ্যতার সঙ্গে শরীরের কোষের সাড়া দেয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করে চলতি বছরের চিকিৎসা বিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন ও ব্রিটিশ তিন বিজ্ঞানী। সোমবার স্টকহোমে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট এই তিন বিজ্ঞানীকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ২০১৯ সালের নোবেল পুরস্কার জয়ী হিসেবে ঘোষণা দেয়।

চিকিৎসায় তিন নোবেলজয়ী হলেন- মার্কিন চিকিৎসাবিদ উইলিয়াম জি. কেইলিন জুনিয়র, গ্রেগ এল সেমেনজা ও ব্রিটিশ চিকিৎসাবিদ স্যার পিটার জে. র‌্যাটক্লিফ।

গত ৫৬ বছরের মধ্যে গত বছর প্রথম নারী হিসেবে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন কানাডার পদার্থবিজ্ঞানী ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড। এর আগে ১৯০৩ সালে পদার্থবিদ্যায় প্রথম নারী হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন ম্যারি কুরি। সর্বশেষ ১৯৬৩ সালে জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী মারিয়া গ্যোপের্ট-মায়ার দ্বিতীয় নারী হিসেবে পদার্থের নোবেল পান।

চলতি বছর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২৩ জন ব্যক্তি ও ৭৮টি প্রতিষ্ঠান নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছে।

নোবেল কমিটিগুলোর ঘোষণা অনুযায়ী- ৯ অক্টোবর পৌনে ৪টায় রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স থেকে রসায়নবিদ্যায়, ১০ অক্টোবর বিকেল ৫টায় দ্য রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি থেকে সাহিত্য এবং ১১ অক্টোবর নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি শান্তিতে, ১৪ অক্টোবর অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করবে।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: