সর্বশেষ আপডেট : ৭ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পাকিস্তানের আমন্ত্রণ পাচ্ছেন মনমোহন, বাদ মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: পাক-ভারত সীমান্তবর্তী কর্তারপুর করিডরের উদ্বোধনে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু এই অনুষ্ঠানে দাওয়াত পাচ্ছেন সে দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি স্বয়ং একথা জানিয়েছেন।

সোমবার কুরেশি স্থানীয় এক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা শেষে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। খুব শীঘ্রই তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেয়া হবে।

শিখ ধর্মীয় নেতা বাবা মুরু নানকের ৫৫০তম জন্ম বার্ষিকীকে সামনে রেখে কর্তারপুর করিডরের উদ্বোধন করবে পাকিস্তান। এর উদ্বোধনের দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ৯ নভেম্বর। আর গরু নানকের জন্মদিন ১২ নভেম্বর।

মনমোহনকে আমন্ত্রণ জানানোর কারণ হিসেবে পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মনমোহন সিং শিখ এবং নিজের ধর্মের প্রতি তার শ্রদ্ধা আছে। তাছাড়া ডঃ সিং পাকিস্তানে অত্যন্ত সম্মানীয়। তাই তাকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছিল, ভারত এবং পাকিস্তান দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতেই কর্তারপুর করিডরের উদ্বোধন হবে। কিন্তু বর্তমান সময়ে কাশ্মীর ইস্যুকে কেন্দ্র করে দু দেশের সম্পর্কের তিক্ততা চরমে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ইসলামাবাদ।

ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় পাকিস্তানের অভ্যন্তরে পড়ে কর্তারপুর। প্রতি বছর ভারত-পাকিস্তান দু’দেশেরই হাজারো শিখ পুণ্যার্থী দরবার সাহিব কর্তারপুরে প্রার্থনা করতে যান। সেখানে গুরু নানক জীবনের শেষ ১৮ বছর কাটিয়েছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। আর সে কারণেই শিখ সম্প্রদায়ের কাছে জায়গাটি অত্যন্ত পবিত্র। সেই গুরুনানকের ৫৫০তম জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে শিখদের যাতায়াত সহজ করতে দু’দেশ সীমান্তে করিডর গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ভারতের পাঞ্জাবের গুরদাসপুর জেলার ডেরা বাবা নানক থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যন্ত রাস্তা তৈরি হচ্ছে। আর পাকিস্তানের অংশে করিডর হচ্ছে গুরুদুয়ার দরবার সাহিব কর্তারপুর থেকে। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান ভাগ হয়ে যাওয়ার পর থেকে ভারতীয়দের ওই উপাসনাস্থলে যাওয়ার উপায় সীমিত হয়ে যায়। ভিসা পেতেও তাদেরকে অনেক কষ্ট করতে হত। এখন নতুন রাস্তা নির্মাণ হয়ে গেলে সারা বছরই পুণ্যার্থীরা খুব সহজে কর্তারপুর যেতে পারবেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: