সর্বশেষ আপডেট : ৮ ঘন্টা আগে
রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মায়ের পর মেয়েকে ৩০ জনের বিছানায় পাঠালো বাবা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::

১২ বছরের এক শিশুকে দেহব্যবসা করাতো তার বাবা-মা। গত দুই বছরে অন্তত ৩০ ব্যক্তির সঙ্গে টাকার বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য হয় ওই শিশু।

এমনই ঘটনা ঘটেছে ভারতের কেরালার মলপ্পুরমে। গত শনিবার স্থানীয় পুলিশ ওই শিশুকে উদ্ধার করে। সে বাড়ি থেকে চলে গেলে পরিবারের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে, এ চিন্তা থেকে সে তার ছোট হাতে কাঠের দরজায় ‘সরি আম্মা’ লিখে যায়।

দেশটির গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টাইমস এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাত্র ১০ বছর বয়স থেকে তার ওপর যৌন নির্যাতন শুরু হয়। মেয়েটি জানায়, এর আগে তার মাকে দিয়ে যৌন ব্যবসা করাতো তার বেকার বাবা।

জানা গেছে, বাবা-মাসহ ওই শিশু দুই রুমের একটি ছোট কাঠের বাড়িতে থাকত। এক ঘরে তার বাবা-মা, অন্যঘরে ওই শিশু ছিল। যখনই টাকার প্রয়োজন হতো, তার বাবা মেয়ের রুমে মানুষ পাঠাত। এভাবেই টানা দুই বছর তার ওপর নির্যাতন চলে।

সম্প্রতি, ওই শিশুর এক সহপাঠীর মাধ্যমে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। মাঝে মাঝেই ওই শিশু বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকতো। তাছাড়া, তার আচরণও অস্বাভাবিক ছিল। এ কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা চাইল্ডলাইন কর্তৃপক্ষকে খবর দেয়। তারা ওই শিশুকে কাউন্সিলিং করাতে গিয়ে এসব জানতে পারে। শিশুর কাছ থেকে এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা শুনে সবাই বিস্মিত হয়ে যায়।

স্থানীয় পুলিশ মেয়েটির বাবাসহ তার দুই বন্ধুকে আটক করেছে। পুলিশ জানায়, শিশুটির বাড়িতে যে খারাপ কিছু ঘটে, তা অনেক প্রতিবেশী জানত। তাছাড়া, প্রায় রাতেই তারা শিশুটির কান্না শুনতে পেতো। রাত হলেই অপরিচিত মানুষদের ওই বাড়িতে প্রবেশ করতে দেখতো। কিন্তু ভয়ে কেউ পুলিশকে এই বিষয়টি জানায়নি।

প্রতিবেশীরা জানালে অনেক আগেই ওই শিশুকে উদ্ধার করা যেতো বলেও জানায় পুলিশ।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: