fbpx

সর্বশেষ আপডেট : ৭ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

এবার আরেক ভিসির অডিও ফাঁস

নিউজ ডেস্ক:: এবার গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খোন্দকার নাসির উদ্দিনের অডিও ফাঁস হয়েছে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনিয়া নামের এক শিক্ষার্থীর সাথে ভিসির অশোভন ভাষায় কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

ওই অডিওতে শোনা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জিনিয়াকে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে গিয়ে উপাচার্য খোন্দকার নাসির উদ্দিন রূঢ় ভাসায় ভর্ৎসনা করছেন। তিনি বলছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী?… ফাজিল কোথাকার…বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী তুমি জানো না? বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ তোমাদের মতো বেয়াদব তৈরি করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী তোর আব্বার কাছে শুনিস। গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনোদিন? আমি খুলছি বলেই তো তোর চান্স হইছে। না হলে তো তুই রাস্তা দিয়া ঘুরে বেড়াতি। বেয়াদব ছেলে-মেয়ে।’

উপাচার্যের ফেসবুক আইডি হ্যাক করার হুমকির অভিযোগ তুলে এই শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কারও করা হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেইলি সান পত্রিকার প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করছিলেন জিনিয়া।শিক্ষার্থীর যে স্ট্যাটাসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ক্ষুব্ধ করে তোলে উপাচার্যের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর কথোপকথনের ওই অডিও সত্য বলে স্বীকার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আশীকুজ্জামান ভূইয়া।

তিনি বলেন, জিনিয়াকে এই কথোপকথনের পরে নয়, আগেই নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে কী কী পরিকল্পনা করছিল এবং আইডি হ্যাক করে শিক্ষক ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল, এমন অভিযোগও তোলা হয়েছে সে সময়। ওই শিক্ষার্থীর এক বন্ধু সিএসসি বিভাগের আরেক ছাত্রের কম্পিউটার থেকে প্রশাসনের হাতে কিছু মেসেজ এসেছে উল্লেখ করে প্রক্টর সেগুলো প্রতিবেদককে পড়ে শোনান। তিনি নিশ্চিত করেন, এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ওই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ভিসি একটা কথা বললেন সেটাই দেখলেন আর যে কাজগুলো এই মেয়ে করলো সেটা দেখবেন না? শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছি তখনই, যখন জেনেছি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। এগুলো যখন সামনে এসেছে তখনই এটা করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জিনিয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যুরাল নিয়ে একটি রিপোর্ট করার কারণেই মূলত আমার প্রতি এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। আমার প্রাথমিক সোর্স যিনি ছিলেন তিনি ৩০ আগস্ট একটি তথ্য দেন আমাকে এবং ফেসবুকে পোস্ট দেন। এরপর প্রশাসনের লোকজন তাকে তুলে নিয়ে যায় এবং মারধর করে তার ল্যাপটপ থেকে আমাদের কিছু কথোপকথনের রেকর্ড পায়। সেই কথোপকথন থেকে তারা জানতে পারে আমার কাছে আরও তথ্য আছে। ফলে আমার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খোন্দকার নাসির উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। শেষবারের ফোন কল তিনি কেটে দিয়েছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: