সর্বশেষ আপডেট : ১০ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মোদির ভাষণের পর কাশ্মীরে আংশিক চালু হলো ফোন-ইন্টারনেট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: জাতির উদ্দেশ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেয়া গতকালের ভাষণের পর আজ শুক্রবার সকালে ফোন এবং ইন্টারনেট সেবা আংশিকভাবে চালু করা হয়েছে কাশ্মীরে। শুক্রবারের জুমার নামাজের সুবিধার্থে চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাও শিথিল করা হয়েছে। আজ শুক্রবার ভারতের সংবাদভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে কর্তৃপক্ষের নেওয়া ওই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি শুক্রবার জুমার নামাজ উপলক্ষে মানুষের চলাচলেও কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, কয়েদিনের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে শুক্রবার সকাল থেকে জম্মু-কাশ্মীরে ফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ চালু হয়; তবে তা পুরোপুরি নয় আংশিক।

শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের জন্য সকাল থেকে মানুষের চলাচলের ওপর কিছুটা ছাড়া দেওয়া হয়। বড় বড় মসজিদগুলোতে না হলেও ছোট মসজিদগুলোতে নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

মসজিদের সামনে এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল দিচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্ক রয়েছেন তারা।

ভারতের রাজ্যসভায় সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়ে ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের ৭০ বছরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সংবিধানের এই ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে দুই ভাগ করা হয়।

৩৭০ ধারার ফলে অনেক ক্ষেত্রেই স্বায়ত্তশাসিত ছিল জম্মু-কাশ্মীর। নিজস্ব সংবিধান, আলাদা পতাকা ও স্বতন্ত্র আইন বানানোর অধিকার ছিল ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের। তবে ৩৭০ ধারা বাতিলের ফলে এখন থেকে জম্মু-কাশ্মীরের পরিচিতি হবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে।

ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন ইমরান খান। পার্লামেন্টে তিনি বলেন, ‘জম্মু-কাশ্মীরে এখন জাতিগত নিধন চালানো হবে।’

৩৭০ ধারা বাতিল করায় জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন।

গত সপ্তাহ থেকেই জম্মু-কাশ্মীরে অতিরিক্ত আধা সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, অমরনাথের তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের দ্রুত রাজ্য ছেড়ে চলে যেতে হবে। ওই ঘোষণার পরেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে রাজ্যে।

জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে বিল পাসের পর উপত্যকার বেশ কিছু এলাকায় জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। শহর ও গ্রামগুলোর আশপাশে কাঁটাতারের বেড়া দেখা গেছে। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় পুরো অঞ্চলে টিভি চ্যানেল, ফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: