সর্বশেষ আপডেট : ১০ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন: একটি মহলের ছত্রছায়ায় অপকর্ম করছেন ব্যবসায়ী উস্তার মিয়া

একটি মহলের ছত্রছায়ায় অপরাধ-অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন সিটি হার্ট মার্কেটের কথিত মালিক দাবিদার ব্যবসায়ী উস্তার মিয়া। উপরন্তু তিনি সংবাদ সম্মেলনে বানোয়াট বক্তব্য দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন মার্কেটের প্রকৃত মালিক ও ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ তুলেন মার্কেটের মালিক রাজিউর রহমান লিমন ও ব্যবসায়ীবৃন্দ।

লিখিত বক্তব্য বলা হয়, স্বার্থের মোহে ভাল মানুষকেও খারাপ বলতে মুখে ধরে না উস্তার মিয়ার। কেউ প্রকৃত সত্যের পূজারি হোক, তাতে তার গাত্রদাহ। যে কারণে মার্কেট কমিটির সাধারণ সম্পাদক এজাজকে বহিরাগত সন্ত্রাসী আখ্যা দিতেও দ্বিধাবোধ করেননি তিনি। একজন প্রকৃত ব্যবসায়ীকে সন্ত্রাসী আর মার্কেটের মূল মালিককে ডেভেলপার বানিয়ে উস্তার মিয়া মার্কেটের মালিক দাবি করা হাস্যকর বটে। কেননা, তিনি কেবল দু’টি দোকানের মালিক। প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উস্তার মিয়া মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মার্কেটের মালিকপক্ষকে চুরির মামলায় আসামি করেছেন। তিনি ভাইদের ওই দোকান কোঠা জোরপূর্বক দখল করে নিজের নিয়ন্ত্রনে রেখে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। উপরন্তু বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে পুলিশের কথিপয় কর্মকর্তার যোগসাজসে তার ভাইদেরও নানা মামলা দিয়ে হয়রানী করাচ্ছেন।

তাছাড়া কথিত চুরির মামলায় মার্কেটের ও দোকানের কর্মচারিদের ধরে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করার অভিযোগ তুলেছেন ব্যবসায়ীরা। এর প্রতিবাদে তারা মার্কেট বন্ধ রেখেছিলেন। সোমবার সিটি মেয়র আরিফুল হকের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে মার্কেট খুলেন ব্যবসায়ীরা।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানান, উস্তার মিয়া ভাইদের দোকান আত্মসাতে দীর্ঘদিন থেকে চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এমনকি তার ভাইয়ের দোকান কোঠাও পুলিশ দিয়ে দখল করে নেন। বর্তমানে দোকানটি বন্ধ রয়েছে। তার আরেক ভাইয়ের মালিকানা দুটি দোকান কোঠা এখনো দখল করে রেখেছেন তিনি। এ বিষয়ে তারা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি, বলে জানিয়েছেন খোদ উস্তার মিয়ার ভাতিজা আবু সাঈদ তপু।

এছাড়া হঠাৎ করে উস্তার নিজেকে মার্কেটের মালিক দাবি করতে শুরু করায় খোদ ব্যবসায়ীরাও বিভ্রত। তিনি মার্কেট হেলে পড়েছে বলে অপপ্রচারও চালিয়েছেন। অথচ প্রকৃত মালিক হলে কখনো এরকম অপপ্রচার করতেন না তিনি। ভবনটি বিল্ডিং কোড মেনে করা হলেও এ বিষয়টি নিয়েও অপপ্রচার করেন তিনি। কেউ তার বিপক্ষে কথা বলতে গেলে পুলিশ দিয়ে ব্যবসায়ীদের হয়রানীর ভয় দেখান উস্তার মিয়া। নিজের ক্ষমতা খাটিয়ে মার্কেটের সামনে ফুটপাতে ভাসমান ব্যবসায়ী বসান। তার এমন কার্যকলাপের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীদেরও সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আদালতে গিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দায়ের করা চুরির মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, মামলায় অভিযুক্তদের বিনা দোষে ধরিয়ে নির্যাতন করে জোরপূর্বক ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করানোর অভিযোগ করেন তারা।

আমাদের বিশ্বাস যেখানে আইনের শাসন আছে, সেখানে উস্তার মিয়ার মতো দুষ্ট প্রকৃতির লোকজন আজ হোক, কাল হোক- নিজের পাতানো ফাঁদে ধরাশায়ী হবেনই। তারপরও উস্তার আলীর ভ্রান্ত কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে একটু খোঁজ নিলে আসল সত্য বেরিয়ে আসবে। মানুষকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানীকারী লোভী উস্তার মিয়াকে শাস্তির আওতায় আনতে প্রশাসনের সকল মহলের দৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সিটি হার্ট মার্কেটের মালিক রাজিউর রহমান লিমন। এসময় মার্কেট মালিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মার্কেট মালিক আহমেদুর রহমান লিটন, আহসানুর রহমান বাবু, মো. শাহনুর ও আবু সাঈদ তপু। ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মার্কেট কমিটির সভাপতি গোলজার আহমদ, সহ সভাপতি স¤্রাট মিয়া, সাধারণ সম্পাদক এজাজ আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস মিয়া, দপ্তর সম্পাদক সাব্বির আহমদ ও প্রচার সম্পাদক মো. মোস্তফা, অর্থ সম্পাদক শেরদিন আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান আহমদ নুরু, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সুব্রত ভট্রাচার্য্য , সদস্য রুবেল আহমদ, পাজন খান, আক্তার হোসেন সায়মন, শাহিন আহমদ সাগর মাহমুদ প্রমুখ। – বিজ্ঞপ্তি




এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: