সর্বশেষ আপডেট : ১১ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

‘এত নিচে নামেননি আর কোনো প্রধানমন্ত্রী’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভারতে চলছে ১৭তম লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই বাক বিতণ্ডায় লিপ্ত হচ্ছেন বিভিন্ন দলের নেতারা। সম্পতি এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে এক নম্বর ভ্রষ্টাচারী বলে মন্তব্য করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর জের ধরে মোদির কড়া নিন্দা করে বিবৃতি প্রকাশ করেছেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০৭ জন অধ্যাপক।

রাফায়েল চুক্তির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদি অনিল আম্বানিকে অন্যায়ভাবে সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করছিলেন রাহুল গান্ধী। ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ বলে স্লোগানও তুলছিলেন। এতদিন এই বিষয়ে চুপচাপ থাকলেও শনিবার যেন নরেন্দ্র মোদির ধৈর্যচ্যুতি হয়। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তার বাবা প্রয়াত রাজীব গান্ধীকেই অপমান করে বসেন তিনি। বলেন, ‘তোমার বাবাকে ‘মিস্টার ক্লিন’ হিসেবে জনগণের সামনে তুলে ধরেছিলেন তাঁর সঙ্গীরা। কিন্তু, তার জীবন শেষ হয় এক নম্বর দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে।’ এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে সোমবার রাতে একটি লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করেছেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০৭ জন অধ্যাপক।

তারা বলেন, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত রাজীব গান্ধী দেশের সেবা করতে গিয়ে নিজের প্রাণ দিয়েছেন। গোটা দেশের মানুষ তা খুব ভালো করেই জানেন। কিন্তু, তার মতো মানুষের নামে অসত্য ও অপমানজনক মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারের মর্যাদা ক্ষুন্ন করেছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি এতটাই নিচে নেমেছেন যা আগে কোনো প্রধানমন্ত্রী নামেননি। আজ ভারত যেখানে দাঁড়িয়ে আছে তার পিছনে রাজীব গান্ধীর ভূমিকা কখনই অস্বীকার করা যাবে না। কারগিল থেকে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানোর পর রাজীব গান্ধীর জয়ধ্বনিই দিয়েছিলেন সৈনিকরা। মৃত্যুর একযুগ পর তার জয়ধ্বনি করার মূল কারণ ছিল বোফর্স ভারতে আনার পিছনে রাজীব গান্ধীর দূরদর্শিতা।

এমনকী প্রতিবছর দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলি প্রতিবছর যে বিদেশি টাকা রোজগার করে তার পিছনেও রাজীব গান্ধীর অবদান আছে বলে উল্লেখ আছে বিবৃতিতে। পাশাপাশি আজ দেশের টেলিকম সেক্টরে যে বিপ্লব এসেছে তা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতা ও নীতির জন্যই সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এই বিবৃতিতে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতি আদিত্য নারায়ণ মিশ্র, বর্তমান সহ-সভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদক, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই এগজিকিউটিভ কাউন্সিল সদস্য-সহ মোট ২০৭ জন স্বাক্ষর করেন।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: