fbpx

সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

কেন্দ্র ও ব্যালট বাক্স পাহারা দেয়ার প্রয়োজন হবে না : সিইসি

নিউজ ডেস্ক:: ভোটের মর্যাদা, ভোট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, ভোট প্রদানে সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং ভোটারের স্বার্থ রক্ষার জন্যই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এতে করে ভোটের রাতে কেন্দ্র ও ব্যালট বাক্স পাহারা দেয়ার প্রয়োজন হবে না। একই সঙ্গে এ পদ্ধতিতে ব্যালট পেপার ছিনতাই, রাতেই ব্যালট বাক্স ভর্তি এবং একজনের ভোট অন্যজনে দেয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না। তবে, আইনগত ভিত্তি এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হলেই কেবলমাত্র ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নির্বাচন কমিশনের আয়োজনে খুলনার জিয়া হল চত্বরে ইভিএম প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ কে এম নূরুল হুদা।

সিইসি আরও বলেন, সরকার, জেলা-উপজেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন এবং ইউনিয়ন পরিষদসহ সকল জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিনিধি গঠনের ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে জনগণ। জনগণের ভোট নিয়েই জনপ্রতিনিধিরা এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় নির্বাচনের শুরু থেকেই নানা অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়। বিশেষ করে ব্যালট পেপার ছিনতাই, রাতেই ব্যালটে সিল মেরে বাক্স ভর্তি এবং একজনের ভোট অন্যজনে দিয়ে দেয়। উদাহারণ হিসেবে তিনি কেসিসি’র সর্বশেষ নির্বাচনে তিনটি কেন্দ্রে উল্লিখিত অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ইভিএমে ভোট হলে এ ধরনের অনিয়মের কোনো সুযোগই থাকবে না।

বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিরোধিতার প্রসঙ্গ এনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, যারা ইভিএমের বিরোধিতা করছেন, তারা আসলে ইভিএম সম্পর্কে না জেনেই করছেন। তিনি তাদেরকে ইভিএম সম্পর্কে ভালো করে জেনে শুনে ধারণা নেয়ার অনুরোধ করেন। তবে, সংশ্লিষ্টরা ইভিএম’র ত্রুটি বা গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে কোনো পরামর্শ দিলে সংশোধনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

ইভিএমের অনিয়মনের বিষয়ে বলেন, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে যেমন ত্রুটি হয়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইভিএম-এও ত্রুটি হতে পারে। আর সেটি হলে অবশ্যই পদক্ষেপ নেয়া হবে। কিন্তু প্রযুক্তির এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। তবে, ইভিএম জোর করে চাপিয়ে দেয়া হবে না- উল্লেখ করে এ কে এম নূরুল হুদা বলেন, এখনও ইভিএম’র আইনগত ভিত্তি হয়নি। ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি সংশোধন হলেই আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম প্রয়োগ করা হবে। তবে, সকল কেন্দ্রে সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে জাতীয় ও স্থানীয় সকল নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন-সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, বিগত দিনে মোতায়েন করা হয়েছে। সেটি মাথায় রেখেই নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। তবে, নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ বা অন্যকোনো বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আর আলোচনার সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. লোকমান হোসেন মিয়া, রেঞ্জ ডিআইজি মো. দিদার আহম্মদ, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. হুমায়ুন কবীর ও পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ।

স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী। ইভিএম সম্পর্কিত বিশেষ উপস্থাপনা করেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র মেনটেইনেন্স ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইভিএম প্রদর্শনী স্টল ঘুরে দেখেন। ইভিএম প্রদর্শনীতে নগরীর ২টি ওয়ার্ডের চারটি এলাকার ৭ হাজার ৩৯ জন ভোটার ইভিএমে ভোট দিতে পারবেন। উদ্বোধনের পর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হবে। ভোটগ্রহণের জন্য ১৪টি কক্ষ ও ১৫ সেট ইভিএম মেশিন রয়েছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: