fbpx

সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

বিড়াল নিষিদ্ধ করা নিয়ে এত কাণ্ড!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: নিউজিল্যান্ডের একটি গ্রামে বিড়াল পোষা নিষিদ্ধ করা নিয়ে চলছে ব্যাপক হৈ চৈ। কর্তৃপক্ষ চাইছে আইন করে ওই গ্রামে বিড়াল পোষা নিষিদ্ধ করবে, কিন্তু গ্রামবাসীদের কেউ কেউ এর বিরুদ্ধে হয়েছেন স্বোচ্চার। ঘটনা নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলের একটি গ্রামের।

ওমাওই নামের ওই গ্রামটির বাসিন্দাদের প্রায় সবারই এক বা একাধিক পোষা বিড়াল রয়েছে। ফসল ও বাড়ি ঘরে ইদুরের উৎপাত থেকে রক্ষা পেতে, কেউ বা শখের বসে বিড়াল পোষেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বলছে, বিড়ালের কারণে এলাকাটিতে জীব বৈচিত্র ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তাই বিড়াল পোষা নিষিদ্ধ করতে চান তারা। এ বিষয়ে নতুন একটি আইন করা হবে।

আইনটির প্রস্তাব করেছেন নিউজিল্যান্ডের দক্ষিণ দ্বীপের (সাউথল্যান্ড) পরিবেশ দফতর। আইন অনুযায়ী সবার পোষা বিড়ালকে জন্মনিরোধক টিকা দেয়া হবে এবং কারো বিড়াল মারা গেলে নতুন করে সে আর বিড়াল সংগ্রহ করতে পারবে না।

কর্তৃপক্ষ বলছে, বিড়ালের কারণে প্রতিবছর এলাকাটিতে লাখ লাখ পাখি ও ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী মারা যায়। তারা বলছে, আমরা বিড়াল বিরোধী নই, কিন্তু পোষা বিড়াল বাড়ির বাইরে এসে কেন পশু-পাখির ক্ষতি করবে।

২০৫০ সাল নাগাদ নিউজিল্যান্ডকে প্রাণীদের জন্য নিরাপদ জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার একটি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। যদিও বাসিন্দাদের কেউ কেউ এই যুক্তি মানতে রাজি নন।

নিকো জারভিস নামে এক বাসিন্দা বলেন, তিনটি পোষা বিড়ালের কারণে আমি ইদুরের উৎপাত থেকে রক্ষা পাই। বিড়াল তিনটি না থাকলে আমার বাড়ি ঘরে থাকা দায় হবে। তিনি কর্তৃপক্ষের এই পরিকল্পনাকে ‘পুলিশি রাষ্ট্র’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি ও গার্ডিয়ান

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: