cialis fiyat cialis sipariş http://umraniyetip.org/
Fapperman.com DoEscortscialis viagra viagra cialis cialis viagra cialis20mgsite.com geciktirici sprey azdırıcı damla
ছাতকে একটি প্রবাসী পরিবারের বাসায় একের পর এক হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও পরিবারের নারী সদস্যদের শ্লীলতাহানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই এলাকার মৃত জহির মিয়ার পুত্র ফারুক আহমদ ও তার ভাই রূপা মিয়া ওই প্রবাসী পরিবারের সম্পদ আত্মসাত করতে এমন নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ছাতক পৌর এলাকার মন্তলীভোগ গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাহানারা বেগম। শনিবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে জাহানারা বেগম বলেন, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক পৌরসভাধীন ৭নং ওয়াডের্র মন্ডলীভোগ গ্রামে তার স্বামী মৃত সানুর আলীর কেনা একটি বাসা এবং এর সামনে ২টি দোকানঘর রয়েছে। তিনি প্রবাসে থাকায় এ বাসায় তার বোন পরিবারসহ বসবাস করে দেখাশোনা করে আসছেন। এই জমি ক্রয়ের জন্য তিনি ও তার স্বামী মৃত সানুর আলী ১৯৯৮ সালে সানুর আলীর আত্মীয় মৃত জহির মিয়ার পুত্র ফারুক আহমদকে দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু ফারুক আহমদ বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণা করে তাদের টাকা দিয়ে অর্ধেক জায়গা ফারুকের ভাই রুপা মিয়া এবং অর্ধেক জায়গা সানুর আলী ও তার ২ ভাইয়ের নামে রেজিষ্টারী করে। দেশে এসে ঘটনা জানতে পেরে তার কাছে জমি ফিরত চাইলে সে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে তার স্বামী মারা গেলে এ জমির খাজনা পরিশোধ করে তিনি চারদিকে দেয়াল নির্মান করে একতলা একটি বাসা ও ২টি দোকানঘর নির্মান করে ভোগদখল করছেন। কিন্তু সমস্যা হয়ে দাড়ান ফারুক আহমদ ও তার ভাই রুপা মিয়া। তাদের কুদৃষ্টি পড়ে বাসা ও দোকানের উপর। তিনি প্রবাসে থাকার সুযোগে তার অবর্তমানে বোনের পরিবারকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দিয়ে বাসা দখলের অপচেষ্টা শুরু করে তারা। এমতাবস্থায় তিনি ছাতক থানায় সাধারণ ডায়েরি (নং ১২৩৪) করেন। ফারুক ও রুপা এবং তাদের সহযোগী বৌলা গ্রামের ইল্লাছ আলীর পুত্র মো. বদরুল আলম. আব্দুছ সালামের পুত্র নবা মিয়া, আব্দুছ ছামাদের পুত্র আয়েছ মিয়া, আব্দুন নুরের পুত্র রফিকসহ ৭/৮ জনের একটি চক্র তার বাসায় সশস্ত্র হামলা চালায়। তারা বাসায় ব্যাপক ভাংচুর, করে প্রায় ৩লাখ টাকার মালামাল লুটপাট করে এবং বাসায় অবস্থান করা সবাইকে মারধর করে আহত করে, নারী ও কিশোরীদের শ্লীলতাহানী ঘটায়। ঘটনার পরে ছাতক থানা পুলিশ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে গেলেও স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যাক্তি বিষয়টি আপোস করিয়ে দিবে বলে হামলাকারীদের ছাড়িয়ে নেয়। কিন্তু এ ব্যাপারে তিনি কোন ব্যবস্থা না নিলে পরে এ ঘটনায় তার নাতী আবুল তানহার বাদী হয়ে জুডিশিয়াল হাকিম আদালতে মামলা (নং ২৮১/১৪) করেন।
জাহানারা বেগম বলেন, ঘটনা এখানেই শেষ নয় গত ৭ ফেব্রুয়ারি বদরুল আলম, ইয়াকুব আলীর পুত্র মইনুল, মুক্তিরগাও গ্রামের আবদুর নূরের পুত্র রফিক মিয়া, ইলাছ আলীর পুত্র ওসমান আলীসহ আরো ৮/১০ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র বাসায় আবারো হামলা চালিয়ে বাসা ভাঙচুর করে ভাংচুর করে প্রায় আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুটপাট করে এবং তাকে মারধর করে আহত করে ও শ্লীলতাহানী ঘটায়। তাকে আহত অবস্থায় ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ ১১৪/৮.২.১৮ নম্বরভক্ত করে গ্রহণ করলেও এফআইআর করেনি। পরে বাধ্য হয়ে ছাতক জুডিশিয়াল ম্যজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা (নং ৩৫/২০১৮) করেন। এরপরও গত ১ মার্চ বদরুল আলম, রফিক মিয়া, ময়নুল মিয়া বাসায় এসে পুনরায় তাকে মারধর করে। তিনি বলেন, তার মামলার সাক্ষী ছাতক কালারুকা ইউনিয়নের মুক্তিরগাঁও গ্রামের মো. নুরুল হকের পুত্র মো, আরিফুর রহমান মানিককে মামলায় সাক্ষী না দিতে এবং জিডি তুলে নিতে গুম-খুনের হুমকি দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জাহানারা বেগম বলেন, একের পর এক হামলা ও নির্যাতনে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত। ইতিমধ্যে এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে সুবিচারের আশায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক, ছাতকের উপজেলা চেয়ারম্যান, ছাতক পৌরসভার মেয়রসহ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। আশ্বাস পেলেও এখনো কোনা প্রতিকার পাননি। থামছে না ফারুক, রুপাদের অত্যাচার, নিপীড়ন ও নির্যাতন। কোনো এক অদৃশ্য শক্তির ইশারায় নিরব ভূমিকা পালন করছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। সংবাদ সম্মেলনে জাহানারা বেগম এ চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট মহলের নিকট আবেদন জানান। – বিজ্ঞপ্তি