সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET
Fapperman.com DoEscorts

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ৮ কিলোমিটার ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’

নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রথমবারের মতো ৮ দশমিক ৩ কিলোমিটার এলাকা ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ বা ‘অপরাধমুক্ত এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে দুই দেশের সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফ।

শুক্রবার দুপুর ১টায় যশোরের শার্শা সীমান্তের বিপরীতে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বনগাঁও সীমান্তে ৬৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কালিয়ানি বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষণা করা হয়। বিজিবি সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ মোহসিন রেজা এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী কে কে শর্মা, বিজিবি ও বিএসএফ-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উভয় দেশের স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, একুশে টেলিভিশনের সিইও মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক ও নিউজ২৪ এর সিইও নঈম নিজামসহ উভয় দেশের প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

২০১৭ সালের অক্টোবরে ভারতের নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধের কৌশল হিসেবে অপরাধ প্রবণ এলাকায় ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষণার প্রস্তাব করেন। পরে বিএসএফ মহাপরিচালক শ্রী কে কে শর্মা এ প্রস্তাবের প্রশংসা করেন এবং ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় উভয় দেশের সম্মতিতে বাংলাদেশের যশোর সীমান্তের পুটখালী ও দৌলতপুর বিওপি এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এবং বিপরীত দিকে ভারতের কাল্যানি ও গুনারমঠ বিওপি এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার (বর্ডার পিলার নম্বর ১৭/১৪৩-আর থেকে ১৭/১৮১-আর পর্যন্ত) মোট ৮ দশমিক ৩ কিলোমিটার সীমান্ত পরীক্ষামূলকভাবে ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষণার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ মোহসিন রেজা জানান, বিজিবি ও বিএসএফ এর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও উদ্যোগের ফলে উক্ত সীমান্ত এলাকা ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা সম্ভব হয়েছে।

‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষিত সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে কার্যকরভাবে অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে বিজিবির উদ্যোগে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকার বর্ডার সার্ভেইল্যান্স ডিভাইস (যেমন- ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, সার্চ লাইট, থার্মাল ইমেজার ইত্যাদি) স্থাপন করা হয়েছে। একই মঙ্গে বিজিবির উদ্যোগে সীমান্তে অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।

‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ এর মধ্যে আন্তঃসীমান্ত অপরাধ (যেমন- চোরাচালান, নারী ও শিশুপাচার, মানবপাচার, মাদক, অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড) যাতে সংঘটিত না হয় সে লক্ষ্যে বিজিবি ও বিএসএফ পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি বলবৎ রাখবে এবং অপরাধ দমনে ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার (Force Multiplier) অর্থাৎ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়া নিজ নিজ দেশের স্থানীয় প্রশাসন এবং সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী জনসাধারণের সহযোগিতায় সীমান্ত অপরাধে জড়িতদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে ফিরিয়ে এনে কর্মসংস্থানের যথাসাধ্য ব্যবস্থা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সীমান্তের অন্যান্য এলাকায় ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ ঘোষণার লক্ষ্যে বিজিবি ও বিএসএফ সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানানো হয়।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: