সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেটে আইন মানে না তামাক কোম্পানী

# ৭৪.৮ শতাংশ প্যাকেটেই সচিত্র সতর্কবাণী নেই
# চলছে অবৈধ বিজ্ঞাপন ॥ শিশুদের ব্যবহার

daily sylhe news pic12mayশাহ সুহেল আহমদ ::
সিলেটে আইন মানে না তামাক কোম্পানী। চলছে তামাক পণ্যের অবৈধ বিজ্ঞাপন, শিশুদের দিয়ে সিগারেট বিক্রি, সচিত্র সতর্কবাণী ছাড়াই প্যাকেটের বাজারজাত। সর্বক্ষেত্রে তামাক কোম্পানী আইন লঙ্ঘন করলেও যেন চোখে পড়ছে না প্রশাসনের।

২০০৫ সালের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন শক্তিশালী করে ২০১৩ সালে সংশোধন করা হয়। আইনের ১০ নম্বর ধারা অনুযায়ী সকল তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট, মোড়ক, কার্টন বা কৌটার উভয় পাশের মূল প্রদর্শনী তলের উপরিভাগে অন্যূন শতকরা ৫০ ভাগ পরিমাণ স্থান জুড়ে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারে সৃষ্ট ক্ষতি সম্পর্কিত রঙিন ছবি ও লেখা সম্বলিত স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণ করা বাধ্যতামূলক। আইনের এই ধারা প্রতিপালনে তামাক কোম্পানীগুলোকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা, ২০১৫ কার্যকর হওয়ার দিন থেকে এক বছর সময় বেধে দেয় যার সময়সীমা গত ১৯ মার্চ শেষ হয়।

কিন্তু সিলেট নগরী ও আশপাশের বাজার ঘুরে দেখা যায়, হাতেগোনা কয়েকটি ব্র্যান্ডের সিগারেট প্যাকেটে সচিত্র সতর্কবাণী রয়েছে। তাছাড়া বেশিরভাগ সিগারেটের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে সচিত্র সতর্কবাণী ছাড়াই। আর জর্দা-গুলের কোনো একটি কৌটাতেও সচিত্র সতর্কবাণী দেখা যায় নি। বিধিমালায় প্যাকেটের উপরের ৫০ শতাংশে সতর্কবাণী থাকার কথা থাকলেও যে দু’একটি প্যাকেটে এ সতর্কবাণী রয়েছে, তা নিচের অংশে। সরকারের বেধে দেয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার পরদিন ২০ মার্চ নগরীতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন। এতে তিন দোকানীকে ২ হাজার করে মোট ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং সচিত্র সতর্কবাণী ছাড়া সিগারেটের প্যাকেট জব্দ করা হয়। আইন অনুযায়ী এ ধারা লঙ্ঘনকারীকে অনূর্ধ্ব ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক ২ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

dailysylhetnewspic12এ প্রসঙ্গে একটি তামাক কোম্পানীর আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক জানান, বাংলাদেশ সিগারেট ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল গত ১৬ মার্চ একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সচিত্র সতর্কবাণী উপরের অংশে না ছেপে নিচের অংশে ছাপার অনুমতি দেয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে ১৯ মার্চের পর সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী ছাড়া কোনো প্যাকেট বা কৌটা বাজারজাত করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়। কিন্তু এই সময়সীমার পরেও কেন বাজারে সচিত্র সতর্কবাণী ছাড়া পণ্যের প্যাকেট রয়েছে জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘পুরোনো তৈরি করা প্যাকেটগুলো এখনও শেষ হয়নি। তাই সে গুলোই বাজারজাত করতে হচ্ছে।’

তামাকপণ্যে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণ বাধ্যতামূলক হওয়ার ঠিক এক মাস পর গত ১৯ এপ্রিল একটি গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, সিলেটসহ সারা দেশে এখনও ৭৪ দশমিক ৮ শতাংশ তামাক পণ্যের প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী নেই। মাত্র ২৫ দশমিক ২ শতাংশ প্যাকেটে সচিত্র সতর্কবাণীর উপস্থিতি চোখে পড়েছে গবেষণাকারীদের। ১৯ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ ফলাফল প্রকাশ করে তামাক নিয়ন্ত্রণে কর্মরত বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা।

এ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন, সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘সরকার স্পষ্ট ভাষায় বলে দিলেই বাজার থেকে সচিত্র সতর্কবাণী ছাড়া প্যাকেট বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। এজন্য সরকারকে আন্তরিক হতে হবে। এতকিছুর পরও যদি বাজারে আগের প্যাকেট বিক্রি হয় তবে তা সত্যিই আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক।’

dailysylhetnewspic12-2২০০১ সালে কানাডা প্রথম সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী প্রথা প্রবর্তন করে। কানাডার ক্যানসার সোসাইটির তথ্য মতে, বর্তমানে ৭৭টিরও বেশি দেশে তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে এ সতর্কবাণী চালু আছে। পার্শ্ববর্তী দেশ নেপালে তামাক পণ্যের প্যাকেটে ৯০ শতাংশ জায়গা জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী চালু রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত ও থাইল্যান্ডে ৮৫ শতাংশ, শ্রীলংকায় ৮০ শতাংশ ও ইন্দোনেশিয়ায় ৪০ শতাংশ প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী চালু রয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে হেলথ প্রমোশন ফাউন্ডেশন বলছে, তামাক ব্যবহার হ্রাসে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী সারা বিশ্বে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। ফাউন্ডেশনের এক জরিপে দেখা গেছে, সিঙ্গাপুরে ২০০৪ সালে তামাক পণ্যের প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী প্রবর্তনের পর সেখানে ২৮ শতাংশ ধূমপায়ী ধূমপানের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। ব্রাজিল ২০০২ সালে এমন সতর্কবাণী চালুর পর ৬৭ শতাংশ ধূমপায়ী ধূমপান ত্যাগের ইচ্ছা পোষণ করেন। আর অষ্ট্রেলিয়া ২০০৬ সালে সচিত্র সতর্কবাণী চালু করলে সে দেশে ৩৬ শতাংশ ধূমপায়ীকে ধূমপানের পরিমাণ কমিয়ে এনেছে।

বাংলাদেশে আইন অনুযায়ী সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী ছাপা হলে এর প্রভাব কেমন হবে জানতে চাইলে সিলেটের সিভিল সার্জন মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘তামাক পণ্যের প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়ন হয়ে গেলে তামাকের ব্যবহার অনেক কমে আসবে। তামাক ব্যবহারের প্রতিকারের বাস্তব চিত্র যখন মানুষের সামনে উঠে আসবে তখন অধিকাংশ মানুষই এটি ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘তামাক ব্যবহারের কোনো একটি ভাল দিকও নেই। হার্ট, ডায়বেটিক রোগের পাশাপাশি ক্যান্সারের বড় কারণ এখন তামাক। তাই তামাক ব্যবহার থেকে মানুষকে বিরত রাখতে হবে।’

এদিকে, সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ অনুসারে বিক্রয় কেন্দ্রে তামাকপণ্যের সব ধরনের বিজ্ঞাপন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। আইনের ৫(ছ) ধারায় স্পষ্ট করে বলা আছে, ‘তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রয়স্থলে (পয়েন্ট অব সেল) যে কোনো উপায়ে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করিবেন না বা করাইবেন না।’ কিন্তু সিলেটের সর্বত্রই এই ধারা’র বিপরীত চিত্র লক্ষ্য করা যায়। তামাক কোম্পানী অত্যন্ত কৌশলে তামাকের বিজ্ঞাপন সিলেটে ব্যাপকহারে বাড়িয়ে দিয়েছে। দিনের পর দিন তাদের প্রচারণার ধরনেরও পরিবর্তন এনেছে। তামাক কোম্পানীগুলো তাদের সিগারেটের প্যাকেটের আদলে প্যাকেট তৈরী করে একসাথে অনেকগুলো প্যাকেট সংযুক্ত করে দোকানে দোকানে সাজিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া প্রচারণা বাড়াতে খালি মোড়কের বিনিময়ে ফ্রি সিগারেট দেবার পাশাপাশি ব্রান্ডের রঙে দোকানের সাইন বোর্ড, শোকেজ ব্রান্ডের রঙে ডেকোরেশন করা, প্যাকেটের আদলে লাইটার, দিয়াশলাই বক্স, আকর্ষণীয় কৌটা, গেঞ্জি, বিভিন্ন সামগ্রী বাজারে ছেড়ে ভোক্তাদের উপহার দিচ্ছে। বিভিন্ন কোম্পানীর মার্চেন্ডাইজার নামে বিভিন্ন দোকান সাজিয়ে দিচ্ছে। এরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্রান্ডের রঙে আকর্ষণীয় টি-শার্ট গায়ে পরিধান করে থাকে। এতে করে পরোক্ষভাবে এক রকম বিজ্ঞাপন প্রচার হয়ে থাকে।

নগরীর সোবহানীঘাটের হোসেন পান ভাণ্ডারের সামনের বক্সটি পুরোপুরোই একটি তামাক কোম্পানীর লগো দিয়ে আচ্ছাদিত। এ সম্পর্কে জানতে চাইলে দোকানদার হোসেন আলী বলেন, ‘এটি কোম্পানী করে দিয়েছে। আগামীতে পুরো দোকান এভাবে সাজিয়ে দিবে বলে কোম্পানীর লোক বলে গেছে।’ রিকাবীবাজারের শানুর মিয়ার দোকানেও তামাক কোম্পানীর এমন কৌশলী বিজ্ঞাপন। জানতে চাইলে শানুর মিয়া বলেন, ‘দোকানের বক্সে কোম্পানীর দেয়া প্যাকেট লাগিয়ে রাখলে তারা মাসে ২০০টাকা করে দেয়। এতে তো কোনো ক্ষতির কারণ দেখি না।’ একই কথা জানিয়েছেন লামাবাজার, ওসমানী মেডিকেল রোডের ব্যবসায়ীরাও।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী জানান, কোনো ব্যবসায়ী সিগারেটের বিজ্ঞাপন প্রচার করতে অনাগ্রহতা দেখালে কিংবা বিজ্ঞাপন প্রচার না করলে কোম্পানীগুলো তাদের সিগারেট দিতে চায় না। এটাকে ব্যবসায়ীক ক্ষতি দেখে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে বক্সে কিংবা দোকানের বিশেষ অংশে সিগারেটের বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকেন।
এ রকম কৌশলী প্রচারণা সম্পর্কে আইনের ৫(৪) ধারায় শাস্তির বিষয়ে বলা আছে, ‘কোনো ব্যক্তি এই ধারার বিধান লঙ্ঘন করলে তিনি অনুর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক এক লাখ টাকা অর্থ দণ্ড বা উভয় দণ্ড এবং দ্বিতীয়বার বা পুনঃ পুনঃ একই ধরনের অপরাধ সংঘটন করিলে পর্যায়ক্রমিকভাবে উক্ত দণ্ডের দ্বিগুন হারে দণ্ডনীয় হইবেন।’ কিন্তু আইনটি বাস্তবায়নে প্রশাসনের খুব একটা আগ্রহ নেই। জানতে চাইলে জেলা তামাক নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব সিভিল সার্জন ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘কয়েক দিন আগে এ নিয়ে আমাদের মিটিং হয়েছে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

এদিকে কোম্পানীর প্রচারণায় নিত্যনতুন কৌশল বের করেছে ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানী। তারা সিলেটের একাধিক থ্রি-স্টার ও ফাইভ স্টার হোটেলের লভি-তে তাদের লগো সম্বলিত কাচের বক্স রেখে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। রুম বুকিংয়ের স্বার্থে হোটেল কর্তৃপক্ষও সেটি মেনে নেন। সরেজমিন পরিদর্শনে নগরীর ফাইভ স্টার মানের হোটেল রোজভিউ-তে এই চিত্র পাওয়া যায়। এ সময় হোটেলের কর্মকর্তা মো. আকরাম আলী বলেন, ‘রুম বুকিং এর আগে তারা শর্ত দেয়, যতদিন তাদের রুম বুকিং থাকবে ততদিন তাদের এই লগো সম্বলিত বক্স লভিতে থাকতে হবে। তাদের গেস্টরা (অতিথি) নাকি এটি দেখতে হবে। তাই বাধ্য হয়েই তারা বক্স লভিতে রাখেন।’ মাসে কতদিন হোটেলে তাদের গেস্ট থাকেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘২/৪দিন বাদ দিয়ে প্রায় পুরো মাসই তারা রুম বুকিং করে রাখেন।’
আইনের ধারা ৬ এর ক’-তে বলা আছে, ‘কোনো ব্যক্তি অনধিক আঠারো বৎসর বয়সের কোন ব্যক্তির নিকট তামাক বা তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় করিবেন না, অথবা উক্ত ব্যক্তিকে তামাক বা তামাকজাত দ্রব্য বিপণন বা বিতরণ কাজে নিয়োজিত করিবেন না বা করাইবেন না।’ আইনের এ ধারার সাথেও সিলেটের চিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত। নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শিশুদের দিয়ে সিগারেট কেনা-বেচা দুটিই চলছে।

নগরীর জল্লারপার এলাকায় দোকানে বসে বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করছে শিশু আলম উদ্দিন। জানতে চাইলে আলম জানায়, দৈনিক রোজ ভিত্তিতে সে দোকানে বসে। বিকেলে মালিক তাকে ৫০টাকা আর দুপুরে খাবারের জন্য ১০টাকা দেন। সিগারেটের পাশাপাশি সে পান-সুপারিও বিক্রি করে। জানতে চাইলে পাশে থাকা দোকানের মালিক আব্দুল কাদির বলেন, ‘শিশুদের খুব সহজে পাওয়া যায়। তাই তাদেরকেই দোকানে রাখি। এছাড়া শিশুকে যে টাকা দিলে হয়, বড় কাউকে রাখলে তার ৩/৪গুণ বেশি দিতে হয়।’ এটি যে আইন নিষিদ্ধ তা জানেন কি না জানতে চাইলে তিনি না সূচক মাথা নাড়েন।

শিশুদের কাছে সিগারেট বিক্রি করা আইনত দ-নীয় জানেন কি না জিজ্ঞেস করলে বন্দরবাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘এ রকম কোনোকিছু আমার জানা নেই। যে টাকা নিয়ে আসে তার কাছেই সিগারেট বিক্রি করি। এখানে শিশু আর বুড়ো বলে আলাদা কিছু নেই।’

সিলেটে তামাক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়নমূলক সংস্থা সীমান্তিক। সংস্থাটির উপ নির্বাহী পরিচালক মো. পারভেজ আলম বলেন, ‘আইনের প্রায়োগিক দুর্বলতায় তামাক কোম্পানী বার বার পার পেয়ে যাচ্ছে। এতে তরুণ-তরুণীরা ধূমপানে আসক্ত হচ্ছে- যা ভবিষ্যতে অন্যান্য নেশাদ্রব্যে আসক্ত হয়ে উঠতে সহায়ক হয়। এটা বন্ধ হওয়া দরকার।’ এ জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

এ ব্যাপারে টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চলমান থাকায় আমরা আপাতত মোবাইল কোর্ট করতে পারছি না। তবে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: