সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

এ মাসেই বীথির অপারেশন

11নিউজ ডেস্ক :: ‘লোমশ বালিকা’ বীথি আক্তারের শরীরে দুই দফা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিতিৎসকরা। বীথির অস্ত্রোপচারের কোনো খরচ নিচ্ছে না বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)। কিন্তু অস্ত্রোপচার সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খরচ বাবদ বীথির বাবাকে ২ লাখ টাকা জোগাড় করতে বলেছে চিকিৎসকরা।

সোমবার দুপুরে বীথির বাবা আব্দুর রাজ্জাক জানায়, এ মাসেই বীথির শরীরে দুই দফা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চিকিৎসকরা।

তিনি বলেন, ‘ডাক্তাররা জানিয়েছেন- এ ধরনের অস্ত্রোপচারে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা খরচ হয়। অস্ত্রোপচারের কোনো খরচ তারা নেবেন না। কিন্তু এ সংশিষ্ট আরো ২ লাখ টাকা খরচ আছে। সেই টাকা জোগাড়ের জন্য চেষ্টা করতে বলেছেন তারা।’ এত টাকা কীভাবে জোগাড় হবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কথাও জানান আব্দুর রাজ্জাক।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্ডোক্রাইনোলজি (হরমোন ও ডায়াবেটিস) বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. শাহাজাদা সেলিম বলেন, ‘বীথির চিকিৎসার খরচ যতটুকু সম্ভব হাসপাতাল বহন করবে। চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খরচ এবং বীথির পরিবারের সদস্যদের থাকা-খাওয়াসহ এমন কিছু খরচ আছে যেগুলো তাদেরকেই করতে হবে, হাসপাতাল দিতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘বীথি আক্তারের রোগটি আসলে কী তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। বেশ কিছু পরীক্ষা ইতোমধ্যে করা হয়েছে। এখনও কিছু পরীক্ষা বাকি আছে। সেগুলো হয়ে গেলে আশা করছি এ মাসের মধ্যেই অস্ত্রোপচার শুরু হবে।’

মেয়ের চিকিৎসার জন্য বিত্তবানদের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন বীথির বাবা। ইতিপূর্বে তিনি শাহবাগ এভিনিউয়ের পূবালী ব্যাংক লিমিটেডে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। তারা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হলো- MD. A. RAZZAK, হিসাব নম্বর : ০৯৪৭ ১০১২ ০৭৩৯০, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, শাহবাগ এভিনিউ শাখা-ঢাকা।

এছাড়া একটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি চাইলে ০১৭২০-৩৬৬৭৮৩ নম্বরে বিকাশ করে বীথির চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে পারেন।

উল্লেখ্য, জন্ম থেকেই বীথির মুখমণ্ডলে দাড়ি-গোঁফসহ সারা শরীরে লোম ছিল। এভাবেই সে বেড়ে ওঠে এবং স্কুলে লেখাপড়া করে আসছিলো। একবছর আগে হঠাৎ তার স্তন অস্বাভাবিক আকারে বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে প্রচন্ড জ্বালাপোড়া হতে থাকে তার স্তনে। এর আগে, যখন বীথির বয়স সাত বছর ছিল তখন তারা সবগুলো দাঁত পড়ে যায়। পরে আর দাঁত গজায়নি।

গত ১৬ এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের অ্যান্ডোক্রাইনোলজি (ডায়াবেটিস ও হরমোন) বিভাগে অধ্যাপক মো. ফরিদ উদ্দিনের অধীনে চিকিৎসাধীন আছে বীথি আক্তার।

টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার জয়ভোগ গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের তিন সন্তানের মধ্যে বড় বীথি। জয়ভোগ পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: