সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ১ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কমলগঞ্জের অপহৃত নবম শ্রেণীর ছাত্রী শেরপুর থেকে উদ্ধার

Recover-after-kidnapমো. মোস্তাফিজুর রহমান::
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার অভয়চরন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী অপহরনের ৩ দিন পর এলাকাবাসীর সহযোগীতায় শেরপুরের দুর্গাপুর নামক গ্রামের এক প্রবাসীর বাড়ির তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে শিকল বাধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। অপহরনের ঘটনাটি ঘটেছিল ৬ মে শুক্রবার রহিমপুর ইউনিয়নের চৈত্রঘাট এলাকায়।

অপহৃত ছাত্রী রুমানার মা হাওয়ারুন বেগম জানান, শুক্রবার সকালে উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের অভয়চরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে সেলাই ও কম্পিউটার প্রশিক্ষন শেষ করে রুমানা আক্তার(১৫) প্রতিদিনের মতো বাড়ি ফেরার পথে দুপুর ১২টার দিকে নির্জ্জন এলাকার পথি মধ্যে একই গ্রামের আইয়ুব আলীর বখাটে পুত্র সাজু মিয়া পথরোধ করে জোর পুর্বক গাড়িতে তুলে নেয়। খবরটি জেনে পরিবারের লোকজন রুমানার বিভিন্ন স্থানে খোজঁ করে তার সদ্ধান না পেয়ে বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবগত করা হয়।

পরে ৭ই মে শনিবার দুপুর বার টার দিকে রুমানার চাচা সায়েদ মিয়ার মোবাইলে একটি অপরিচিত নাম্বার(০১৭৪৮-৪৩৫৮৬১) হতে কল আসে। অপর প্রান্ত হতে রুমানার মুক্তিপণের জন্য ৩ লক্ষ টাকা দাবী করে মৌলভীবাজারের শেরপুরের দুর্গাপুর গ্রামে প্রবাসী আলী হুসেনের বাড়িতে টাকা পৌছে দিয়ে অপহৃত রুমানাকে ছাড়িয়ে নেযার জন্য এবং কাউকে বিষয়টি জানালে রুমানা আক্তারের ক্ষতি হবে বলে হুমকী প্রদান করা হয়। অপহরনকারীদের টাকার বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহমুদ আলীকে জানান। পর দিন ৮ মে রবিবার বিকাল ৩টায় ইউপি সদস্য মাহমুদ আলীসহ পরিবারের লোকজন অপহৃত রুমানাকে উদ্ধারে শেরপুরের দুর্গাপুর গ্রামে যান।

দুর্গাপুর গ্রামের লোকজনকে সাথে নিয়ে বখাটে সাজুর আত্মীয় প্রবাসী আলী হুসেনের বাড়ি গেলে অপহরণকারী সাজু মিযা(২৪) ও রুমন মিয়া(২৬) লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় লোকজন প্রবাসীর বাড়ির তালাবদ্ধ একটি রুম হতে শিঁকলে বাধা অবস্থায় উদ্ধার করে স্কুল ছাত্রী রুমানাকে মুমুর্ষ অবস্থায় রাত ১০টায় কমলগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হলে পুলিশ রুমানার শারীরিক অবস্থা দেখে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি পরামর্শ দিলে তাকে রাতেই হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্য চিকিৎসক মো. আজিজুর ইসলাম তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

এ ব্যপারে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আজিজুল ইসলাম জানান, মেয়েটি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছে। এই চিকিৎসা আমাদের এখানে নেই। তাই মেয়েটিকে মৌলভীবাজারে রেফার্ড করা হয়।

কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদরুল হাসান বলেন, এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হযেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: