সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৩ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

চার গ্লাস পানি খেয়ে ধরা খেলেন বিমানযাত্রী

full_670983029_1462258629নিউজ ডেস্ক::
প্রথমে অস্ত্রোপচারের ভয়। এরপর চার গ্লাস পানি খেলেন। কাস্টমস হলে হাঁটাহাঁটিও করানো হল। আরও পানি পান। এত সব ধাপ পার হয়ে অবশেষে শৌচাগারে যাওয়া। একে একে মলদ্বারে বিশেষ কায়দার লুকিয়ে রাখা ছয়টি সোনার বার বের করলেন বিমানযাত্রী নূর আলম। সেগুলো হাতে করে টেবিলে রেখে শুল্ক কর্মকর্তাদের বললেন, এই নিন আপনার রাষ্ট্রীয় সম্পদ। নূর আলম নামের ওই যাত্রীর পায়ুপথ থেকে একে একে ৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে শুল্ক বিভাগের গোয়েন্দারা।

সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়া ফেরত একটি ফ্লাইট থেকে এই স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান বলেন, পাসপোর্ট পরীক্ষা করে দেখা যায়, তিনি বহুবার বিদেশ সফর করেছেন। পেশার সঙ্গে এই ভ্রমণ বেমানান। গত পাঁচ মাসে তিনি ছয়বার বিদেশ গেছেন।

জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে নূর আলম স্বীকার করেন, ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি মলদ্বারে বিশেষভাবে ১০০ গ্রাম ওজনের সোনার বারগুলো লুকিয়ে আনেন। সনাতন পদ্ধতি ব্যবহার করে সেগুলো বের করার জন্য নূর আলমকে চাপ দেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের ভয় দেখানো হয়। শরীরের মধ্যে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুকানো আছে এ কথাও বোঝানো হয়। একপর্যায়ে রাজি হন নূর আলম। প্রচুর পানি পান ও হাঁটাহাঁটি করিয়ে শৌচাগারে নেওয়া হয় নূর আলমকে। সেখানেও সঙ্গে দুই গোয়েন্দা। এক এক করে ছয়টি সোনার বার শরীর থেকে বের করলেন তিনি। নিজেই হাতে করে আনলেন, রাখলেন টেবিলে। শুল্ক কর্মকর্তাদের বললেন, এই নিন আপনার রাষ্ট্রীয় সম্পদ।

এরপর শুয়ে পড়লেন ঘর্মাক্ত নূর আলম। জুস ও দুধ পান করিয়ে সুস্থ করার পর ব্যাগে তল্লাশি চলল। সেখানে পাওয়া গেল আরও ১০০ গ্রাম ওজনে​র সোনার চেইন। ওই দিন মালয়েশিয়া থেকে ওডি ১৬২ উড়োজাহাজে শাহজালাল বিমানবন্দরে নামেন নূর আলম। ছয় নম্বর বেল্ট থেকে ব্যাগ নিয়ে বের হওয়ার সময় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের নজরে পড়েন। প্রথমে সোনা লুকিয়ে আনার কথা অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। হুমকিও দেন। পরে বুঝতে পারেন উপায় নেই।
শুল্ক বিভাগের ভাষ্যমতে, নূর আলমের কাছ থেকে পাওয়া মোট সোনার পরিমাণ ৭০০ গ্রাম। আনুমানিক দাম প্রায় ৩০ লাখ টাকা। নূরের কাছ থেকে ১০০০ এমএল যৌন উত্তেজক জেলও জব্দ করা হয়। নূরের বাড়ি খুলনায়। তাকে জেলহাজতে রাখা হয়েছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: