সর্বশেষ আপডেট : ৩৪ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বৃষ্টি হলেই ক্লাস রুমে হাটুপানি!

Kamalganj news daily sylhetমো. মোস্তাফিজুর রহমান::
এক পশলা বৃষ্টি হলেই মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভাধীন ভানুগাছ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে হাটু পানিতে থৈতৈই করে। হাটুপানিতেই ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসে পড়াশুনা করতে হবে। বিদ্যালয়ে কোন ধরনের পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় গত এক বছর ধরে চরম দুভোর্গ মধ্য দিয়ে শিক্ষক/শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীর ক্লাস করছেন। পানিতে জলমগ্ন হলেও সংশ্লিষ্ট কেউই নজর দিচ্ছেন না।

৪ মে বুধবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠ,ক্লাসরুম ও অফিসসহ হাটুপানিতে জলমগ্ন। ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস রুমে বেঞ্চ এর উপর পা তুলে বসে আসে। ক্লাসে শিক্ষক/শিক্ষিকারা পানির মধ্যে পাঠদান করাচ্ছেন। নোংড়া পানিতে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করছে। স্কুলের কয়েকজন ছাত্র জানায়, অনেকেই পানি দেখে বাড়িতে ফিরে গেছে।

৪র্থ ও ৫ম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা পানি ভর্তি রুমে ক্লাস নেয়া হয়। আর শিশু শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পাশের উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের বারান্দায় ক্লাস নিচ্ছেন। শিক্ষকরা পানি থাকায় সঠিক ভাবে পাঠদান করাতে পারেন না। শিক্ষক/শিক্ষকরা ক্লাসের সময় পায়ের ঘন্টা পর্যন্ত জামা তুলে ক্লাস নিতে হয়। এখন বৃষ্টির সময়। একটানা বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টিতে একটানা হাটুপানি জমে থাকে। এতে নানা রোগে সৃষ্টি হওয়ার আশংকা রয়েছে।

ভানুগাছ সরকারী প্রাথমিক স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের পানি নিস্কাশনের কোন সুব্যবস্থা নেই। পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই পুরো ভবনটি পানিতে থৈতৈই করে। এই সমস্যাটি প্রায় ১ বছর ধরে। কর্তৃপক্ষকে বার বার জানালেও কোন কাজ হয়নি। আমরা ক্লান্ত। আকাশে বৃষ্টি আভাস দেখলেই আমরাই চিন্তায় পড়ে যাই। পাঠদান ব্যাহত হয়।

সহকারী শিক্ষিকা রঞ্জনা সিনহা জানান, বিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। কিন্তু বৃষ্টি হলেই নোংড়া পানি, পোকা মাকড়ের ভয়ে অর্ধেক ছাত্র অনুপস্থিত থাকে। আমরা রুমে এ ভাবেই বাধ্য হয়ে আতংকের মধ্যে ক্লাস চালাচ্ছি।

দক্ষিনকুমড়াকাপন গ্রামের এই স্কুলের অভিভাবক রজব আলীর ক্ষুদ্ধ হয়ে জানান, একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এমন পরিস্থিতি দেখে আমরা হতবাক। বৃষ্টির দিনে সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। নোংড়া পানিতে পায়ে অসুখ হবে এই ভেবে। আমরা সমাধান চাই।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জয় হাজরা জানান, বিদ্যালয়টি করুন অবস্থা সরেজমিনে দেখেছি এবং পৌর মেয়র মহোদয়ের সাথে আলাপ করেছি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: