সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হুমকিতে ‘মেসি বালক’ এখন পাকিস্তানে

33আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আফগানিস্তানের মেসির ভক্ত সেই ছোট্ট শিশুটির কথা মনে আছে! ক্ষুঁদে এই ভক্তের জন্য নিজের জার্সি উপহার দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনাল মেসি। এরপর থেকেই সারা বিশ্বে ‘মেসি বালক’ হিসেবে প্রচার পায় ৫ বছরের মোহাম্মদ মুর্তজা আহমাদি। কিন্তু মেসির ভক্ত হওয়ার কারণেই তাকে ও তার পরিবারকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। এখন তারা পাকিস্তানের কোয়াটায় বসবাস করছে।

এ সম্পর্কে মুর্তজার বাবা আরিফ আহমাদি কোয়েটা থেকে টেলিফোনে সংবাদ সংস্থা এপিকে বলেছে, ‘আমাদের জীবন খুব কষ্টকর হয়ে ওঠেছিল।’ তিনি আরো জানান, তার পরিবার আফগানিস্তান ছাড়তে চায়নি। কিন্তু অব্যাহত হুমকির মুখে তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়।

আফগানিস্তানের গজনি প্রদেশের জাগুরি গ্রামের দরিদ্র কৃষক পরিবারের ছেলে মুর্তজা আহমাদি। কিন্তু মেসির উপহার পাওয়ার পর থেকে তার জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। একটি অপরাধী চক্র তাদের কাছে টাকা চেয়েছিল। টাকা দেয়া না হলে মুর্তজাকে অপহরণ করারও হুমকি দেয়া হয়েছিল।

এ ব্যাপারে আহমাদি বলেন,‘কয়েক দিন আগে স্থানীয় একজন গুন্ডা আমাকে ফোন করে। মেসি আমার ছেলেকে টি-শার্ট উপহার দেওয়ার পর থেকেই তার ধারণা, হয়ত আমার ছেলের জন্য অর্থও পাঠানো হয়েছে। সে তার ভাগ চাইতে থাকে।’ শেষে ছেলের জীবনের নিরাপত্তার জন্য গোটা পরিবার নিয়ে পাকিস্তান পাড়ি জমান।

মর্তুজার বাবা আরো বলেন,‘আমি সবকিছু বিক্রি করে আফগানিস্তান ছেড়ে এসেছি। ছেলে আর পরিবারের নিরাপত্তার জন্যই আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ প্রথমে পরিবারটি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু এখানকার জীবনযাত্রা ব্যয়বহুল হওয়ায় পরে তারা কোয়াটায় চলে আসে। বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছে ‘মেসি বালক’ ও তার পরিবার।

প্রসঙ্গত, আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা মেসির ব্যাপক ভক্ত পাঁচ বছরের মুর্তজা। সামর্থ্য না থাকায় সে পলিথিন ব্যাগ কেটে তাতে নীল কালিতে ‘মেসি’ ও ‘১০ নম্বর’ লিখে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের ‘জার্সি’ তৈরি করেছিল। সেই জার্সি পরা মুর্তজার ছবি দেখে মেসি তাকে উপহার হিসেবে নিজের সই করা দু’টি জার্সি ও একটি ফুটবল পাঠিয়েছিলেন। এতে দারুণ খুশী হয়েছিল মর্তুজা। ‘এখনো মেসিকে ভালোবাসে সে। স্বপ্ন দেখে, একদিন বড় হয়ে তার স্বপ্নের নায়ক মেসির সঙ্গে দেখা করবে।’ বলছিলেন তার বাবা আহমাদি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: