সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২২ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তাপস হত্যায় ছাত্রলীগের ২৯ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চার্জশিট

141422_1নিউজ ডেস্ক:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাপস সরকার হত্যামামলায় ছাত্রলীগের ২৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের ১৭ মাসপর সোমবার বিকেলে চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আবু ইউসুফের আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান।

অভিযোগপত্রে ২৯ জনকে আসামি এবং ৩২জনকে সাক্ষী করা হয়েছে বলে আদালত পরিদর্শক মশিউর রহমান জানিয়েছেন।

২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে ফেরার সময় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগের ট্রেনের বগিভিত্তিক দুই সংগঠন ‘ভি-এক্স’ ও ‘সিএফসি’।

এ সময় শাহজালাল হল থেকে একপক্ষের ছোড়া গুলিতে আহত হন শাহ আমানত হলের তৃতীয় তলায় থাকা তাপস সরকার। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান সংস্কৃত বিভাগের এই শিক্ষার্থী।

হত্যাকাণ্ডের পর সিএফসি গ্রুপের পক্ষ থেকে তাপসকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করা হয়। ঘটনার দুদিন পর তাপসের বন্ধু, একই বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুল ইসলাম ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন।

গত বছরের ৫ অগাস্ট মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দেওয়া হয়।
চার্জশিটে বলা হয়েছে, ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে দেখা গেছে গুলির আঘাতেই তাপস সরকারের মৃত্যু হয়। আর ঘটনার সময় এই পিস্তলটি ব্যবহার করেছিলেন আশা। তাই অভিযোগপত্রে আশাকে মূল খুনি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে আশা এখনো পলাতক। উদ্ধার হয়নি খুনে ব্যবহৃত পিস্তলটিও।

এছাড়া ছাত্রলীগ কর্মী রুবেল দে, শাহরিদ শুভ, প্রদীপ চক্রবর্তীকে দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে ৫ থেকে ২৮ নম্বর পর্যন্ত অন্য অভিযুক্তদের ১৪৩ ও ৩২৩ ধারায় সাধারণভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া মামলার ২৯ নম্বর আসামি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেনকে হুকুমের আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে অভিযোগপত্রে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই এর পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আশরাফুজ্জামান আশাই মূলত পিস্তল থেকে গুলি ছোঁড়েন। আর আশাকে বিভিন্ন সময় পিস্তলসহ অবৈধ অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করত এরশাদ।’

সাক্ষীদের জবানবন্দিতেই এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা। তদন্ত করার পর মামলার আসামি শাহরিদ শুভকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তিনি এখন জামিনে আছেন। এছাড়া আশাসহ পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: