সর্বশেষ আপডেট : ২৩ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

গোপনে গোপনে কার কার প্রেমে পড়েন?

35লাইফস্টাইল ডেস্ক ::
প্রেম-ভালোবাসা আমাদের জীবনকে সুন্দর করতে অনেক বেশি প্রভাব রাখে। তবে সব প্রেমই কি বাস্তবতার মুখ দেখে? অনেক ভালোলাগাই রয়ে যায় অধরা? হবেই বা না কেন, সেই ভালোলাগাগুলো যে একটু অন্যরকম। জেনে অবাক হবেন মেয়েরা যে কার কার প্রেমে পড়ে!

অপরিচিত
ধরেন একটি মেয়ে নিয়মিত একই সময়ে ক্লাসে যায় অথবা হাঁটতে। রাস্তার পাশে প্রায়ই হয়তো একজনকে দেখে নিজের মতো কাজ করছে বা হাঁটছে। এমন কী হতে পারে একজন দোকানদার বেচাকেনায় ব্যস্ত। মেয়েটি ঠিক তাকে নোটিস করে। আর তার কথা মাথায় রেখেই বাইরে যাওয়ার সময় মেয়েটির সাজগোজে যোগ হয় বাড়তি যত্ন। হয়তো কখনোই তার সঙ্গে কথা হয় না। আর মনের কথা বলা তো অনেক দূর…
অফিসের বস!
একজন ইয়াং অফিস বস সারাক্ষণ সঠিক কাজের জন্য গাইড করছেন। তার স্মার্টনেস চোখে পড়ার মতো। নেতৃত্ব দেবার গুণ তো বিশেষ ভাবেই সৃষ্টিকর্তা তাকে দিয়েছেন। অফিসের পিয়ন থেকে সেকেন্ড বস সবার সমস্যা শোনা আর তার সমাধান দিয়ে যাচ্ছেন খুব মানবিক ভাবে। যেকোনো কঠিন প্রোজেক্ট তার কাছে নিয়ে গেলে কোনো শব্দই আর কঠিন থাকছে না। এই লোকটাকে ভালো না লেগে পারে? আর এই ভালোলাগা কিন্তু একটু এগিয়ে অনেক সময় ভালোবাসাও হয়ে যেতে পারে। তবে এটিও বেশিরভাগ সময়ই বোঝানো হয়ে ওঠে না। তার মূল্যায়ন এবং প্রশংসা পেতে একটু সজাগ তো থাকেই অনেক নারী।

ভাইয়ের বন্ধু
প্রায় প্রতিটি পরিবারেই বড়ভাইদের বন্ধুদের অবাধ যাতায়াত থাকে। কখনো নোট নিতে বা বিকেলের চা খেতে ভাইয়ের যে বন্ধুটি প্রায়ই বাসায় আসে। কোনো ভুল করলে ভাইকে না বলে নিজেই বকা দেয়, বন্ধুর মিষ্টি ছোট বোনটি কিন্তু ঠিকই তার প্রেমে পড়ে যায়। তবে ভাইয়ের(ভিলেন!) কথা ভেবে সে কথাও হয়তো না বলাই থেকে যায়।

শিক্ষক
বাসা থেকে বের হয়ে মেয়েরা আসলে দিনের বেশির ভাগ সময় স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকে। এমন কিছু শিক্ষক থাকেন যারা জীবনের পথ ঠিক করে দেন, চিন্তার দিগন্ত মেলে ধরেন সামনে। ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে শেখান। গাইড করেন, সবচেয়ে বড় কথা বন্ধু হিসেবে অনেক কথা শোনেন, সঠিক সিদ্ধান্ত দেন। জ্বর নিয়েও মেয়েরা সেই শিক্ষকের ক্লাসে কিন্তু ঠিকই হাজির হয়। এটা কি শুধুই শিক্ষার প্রতি অনুরাগ? না কি শিক্ষকের একটু মনোযোগ আকর্ষণ, এটা তো সেই বলতে পারবে।
বেস্ট ফ্রেন্ডের বয়ফ্রেন্ড

অবাক হচ্ছেন? কিন্তু মেয়েরা যখন দেখে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধুটি একটি ছেলের সঙ্গে প্রেম করছে। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাচ্ছে…এতো এতো গিফট্ আসছে। বন্ধুটির জন্মদিন নিয়ে ছেলেটির সে কি আয়োজন। প্রতিটি মেয়ের স্বপ্নেই যখন এমন একজন পুরুষ বাস করেন, এই ছেলের সঙ্গে সে কল্পনার রাজপুত্রকে মিলিয়ে ফেলে। ফলে তার প্রতিও তৈরি হয় এক ধরনের ভালোলাগা। তবে বন্ধুত্ব নষ্ট হবে, আর এটা বুঝতে পারলে বন্ধুটি সরে গেলে স্বপ্নের পুরুষের গল্প শোনাও হবে না, দেখাও হবে না। এসব ভাবনাতেই এই সম্পর্ক প্রকাশ পায় না, প্রায় সব ক্ষেত্রেই।

কাজিন
সমবয়সী কাজিনদের সঙ্গে বেড়ে ওঠার সময় ভাই-বোনের বাইরে অন্য কোনো ধরনের সম্পর্কের কথা মনে আসেনা। তবে এই কাজিনই যখন দূরে কোথাও দীর্ঘ সময়ের জন্য পড়তে বা বেড়াতে যায়। তার জন্য যে শূন্যতা তৈরি হয়, তা থেকেই ভালোলাগার শুরু। দুই পক্ষ একই রকম ভাববে কিনা? এই ভাবনাতেই অনেক সময় কেটে যায় অনেক বছর। যতো দিনে বলার সাহস হয়..ততো দিনে দেখা যায়…কাজিনটি অন্য সম্পর্কের গল্প করছে ছুটিতে বাড়ি এসে। ফলাফল আবারও না..বলা কথা।

ভ্রমণ সঙ্গী
একদিন শান্তা-শিল্পী ফরিদপুর যাচ্ছিল। রাস্তায় গাড়ি গেল নষ্ট হয়ে, সে কী যন্ত্রণা। অনেকটা পথ হাঁটতে হলো ব্যাগ কাঁধে। পাশের সিটে এতোক্ষণ বেশ ভাব নিয়ে বসা ছিলো আবির আর পরাগ। এতোটা পথে কোনো কথা হয়নি। কিন্তু দুটি মেয়ের ব্যাগ নিয়ে হাঁটতে কষ্ট হচ্ছে দেখে সাহায্যে এগিয়ে এলো তারা। পরিচয় পর্ব শেষে বেশ জমলো গল্প। কখন যে প্রায় দুই কিলোমিটার পথ হেঁটে চলে এলো টেরই পেলনা। এরপর বাসের সময়টাও কেটে গেল গল্পে, গল্পে…পথ তো ফুরালো কিন্তু ভালোলাগা তো রয়েই গেল। পরাগের স্ট্রাইপ নীল শার্ট তো বেশ অনেকদিন পর্যন্ত মনে রেখেছে শান্তা। এও-তো ভালোলাগাই….যদিও আর দেখা হয়নি তাদের।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: