সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মুনের খোঁজে শুল্ক গোয়েন্দারা

12210_b7ডেইলি সিলেট ডেস্ক::
কর ফাঁকি দিয়ে পোরশে ব্র্যান্ডের বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের কারণে মডেল জাকিয়া মুন ও তার স্বামী শফিউল আজমকে ধরতে অভিযান চালিয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। তবে আগে থেকেই তারা পলাতক থাকায় তাদের আটক বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি। শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গত ৬ই এপ্রিল গুলশান এলাকা থেকে কারনেট ডি প্যাসেজ সুবিধায় আনা মডেল জাকিয়া মুন ব্যবহার করা পোরশে জিপটি জব্দ করা হয়। গাড়িটি কারনেট ডি প্যাসেজ সুবিধার (পর্যটকদের বিশেষ সুবিধা) আওতায় আনা হয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গতকাল সহকারী পরিচালক জোবায়দা খানমের নেতৃত্বে শুল্ক গোয়েন্দাদের একটি দল মুনের ৭৪ নম্বর এলিফ্যান্ট রোডের এ-২ ফ্ল্যাটে যায়। তবে সেখানে গিয়ে মুন বা তার স্বামী শফিউল আজমকে পাওয়া যায়নি। মুনের মা জোহরা বেগম শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের জানান, গাড়িটি জব্দ করার পর থেকেই মুন ও তার স্বামী শফিউল আজম অজ্ঞাতবাসে রয়েছে। ওই বাসা থেকে বেরিয়ে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা যান গুলশানের ৩৩ নম্বর সড়কের ১০ নম্বর বাসার বি-৫ ফ্ল্যাটে। ওই ফ্ল্যাটেও শফিউল কিংবা তার স্ত্রী মডেল মুনকে পাওয়া যায়নি।

শুল্ক গোয়েন্দা মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান জানান, কর ফাঁকি দিয়ে আনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শফিউল আজম ও মুনকে তিন দফা চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা কোনো রেসপন্স করেনি। উল্টো গত ১৩ই এপ্রিল তারা হাইকোর্টে এই মামলার তদন্ত বন্ধ করতে রিট করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু হাইকোর্ট তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

সূত্র জানায়, ২০১২ সালে ‘কেয়াশেঠ মিস অদ্বিতীয়া বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছিলেন জাকিয়া মুন। এরপর থেকে তিনি বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় ও বিজ্ঞাপনে মডেলিং করেছেন। পরে প্যাসিফিক গ্রুপের মালিক ব্যবসায়ী শফিউল আজমের সঙ্গে বিয়ে হয় তার।

শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক একটি সনদ অনুযায়ী যে সুবিধায় পর্যটকরা একটি দেশ থেকে অন্য দেশে শুল্ক না দিয়েই গাড়ি নিয়ে ঢুকতে পারেন, তাকেই ‘কারনেট ডি প্যাসেজ’ বলা হয়। তবে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এ সুবিধা পান পর্যটকরা। এতে তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের অটোমোবাইল এসোসিয়েশনের সদস্য হতে হয়। নির্দিষ্ট সময় পর গাড়িটি ফেরত না গেলে সংশ্লিষ্ট দেশের নিয়ম অনুযায়ী এর ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়। শুল্ক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ২০০৮ সাল থেকে ২০১২ সালের দিকে বাংলাদেশে বেশ কিছু দামি গাড়ি কারনেট ডি প্যাসেজের আওতায় আনা হয়। পরে গাড়িগুলো ফেরত না নিয়ে এখানে বিক্রি করা হয়। গাড়িগুলো কেনার পর এসবের ভুয়া রেজিস্ট্রেশনও করা হয়েছে বলে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানতে পেরেছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: