সর্বশেষ আপডেট : ৯ মিনিট ৫৪ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আকারে ছোট হলেও ভয়ংকর কুকি-কাটার শার্ক

BG20160430004505

অলাইন ডেস্ক:
গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে তিমির শরীরে পাওয়া আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখের মতো ক্ষতচিহ্ন এতোদিন জীববিজ্ঞানীদের কাছে ছিলো রহস্য। এগুলো কীসের ক্ষত হতে পারে তাই ভাবছিলেন তারা।

অতঃপর বিজ্ঞানীরা‌ এ রহস্য ভেদ করেছেন। সাগরতলের দানব কুকি-কাটার শার্ক এ ক্ষত সৃষ্টিকারী।
ডগফিশ শার্করা বৃহদাকার প্রাণীদের দেহে কামড় দিলে কুকি-কাটার আকৃতির ক্ষত সৃষ্টি হয়। এ থেকেই ডগফিশ হাঙরের নাম দেওয়া হয়েছে কুকি-কাটার শার্ক।

এরা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে সমুদ্রের এক থেকে চার হাজার মিটার গভীরে বাস করে। তবে রোজই পানির উপরিভাগে এসে তিমির মতো বড় প্রাণীকে আক্রমণ করে।
কুকি-কাটার শ‍ার্কের আচরণ মারাত্মক হলেও এদের আকার কিন্তু খুব বড় নয়, মাত্র এক ফুট লম্বা।

তিমির দেহে অদ্ভুত ক্ষত দেখে বিশেষজ্ঞদের যুক্তিতে প্রথমদিকে কতগুলো সম্ভ‍াব্য ধারণা আসতে থাকে- অনেকের মনে হয়েছিলো ক্ষতগুলো তিমির গায়ে বিঁধে থাকা করোনুলা বার্নাকালস। আবার অনেকে ভেবেছেন এগুলো কোপেপড পরজীবী পেনেলা। রক্তচোষা ল্যাম্প্রেই ফিশও ধারণার বাইরে ছিলো না। মাইক্রোঅর্গানিজম দ্বারা ইনফেকশন হতে পারে এটিও ভেবেছেন বিজ্ঞানীরা।
কিন্তু সাউথ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা এক হাজার সাতশো তিমির ওপর হাঙরের আক্রমণের ডাটা সংগ্রহ করেছে। এতে রয়েছে আক্রমণের স্থান ও সময়ও। এই ডাটা থেকে প্রাপ্ত প্রমাণেই বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন তিমি ও সামুদ্রিক প্রাণীর গায়ে অদ্ভুত ক্ষতের জন্য দায়ী অ‍ার কেউ না, কুকি-কাটার শার্ক।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: