সর্বশেষ আপডেট : ২২ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১১ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পশ্চিমবঙ্গে কে বসবে শাসকের চেয়ারে?

Untitled-1-810x540-696x464আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে কোন দল ক্ষমতায় আসবে তা নিয়ে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল, অন্যদিকে কংগ্রেস-বামফ্রন্ট জোট এবং বিজেপি মূলত নির্বাচনি লড়াইতে শামিল হয়েছে। এসব ছাড়াও কয়েকটি ছোটখাট দল নির্বাচনি ময়দানে রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের ভোট বাক্সে বিজেপি কার্যত সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলে বাম, কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রাথমিক বার্তা দিতে যাচ্ছে বলে দাবি করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল।

চতুর্থ দফা নির্বাচন শেষে রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করেছে, তারাই রাজ্যে পুনরায় ক্ষমতায় আসছে। মোট ২৯৪ টি আসনের মধ্যে এ পর্যন্ত যত আসনে নির্বাচন হয়েছে, তার মধ্যে তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে গেছে বলেও দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কংগ্রেস-বামফ্রন্ট জোটের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে তারাই এবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসছে। গত বুধবার কংগ্রেস ভাইস-প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধীর সঙ্গে এক নির্বাচনি সমাবেশে বাম নেতা তথা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য দাবি করেন, ‘চার দিক থেকে যা খবর পাচ্ছি, জোটের সরকারই ক্ষমতায় আসছে। আমার মনের জোর আছে। তাই আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে এ কথা বলতে পারছি। আমরা পারব আবার সরকার গড়তে। কীভাবে সরকার চালাতে হয় তা আমরা জানি।’

বাম জোটের শরিক কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও একই মঞ্চ থেকে দাবি করেছেন, রাজ্যে ক্ষমতায় আসছে জোট সরকার। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরে কোলকাতায় উড়াল পুল ভেঙে পড়ার তদন্ত করবে বলেও মন্তব্য করেন রাহুল।

গতকাল বৃহস্পতিবার বাম নেতা তথা সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র এক ধাপ এগিয়ে বলেছেন, ‘আমরা ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী এবং সব তৃণমূল কর্মীকে নিরাপত্তা দেব। কারো গায়ে আঁচড় লাগতে দেব না। যদিও যারা সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়েছেন, তাদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন, তাদের ছাড়া হবে না।’

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য কংগ্রেস-বাম জোটকে ‘ঘোঁট’ বলে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটা জোট নয়, লবডঙ্কা হয়েছে। ঘোঁট হয়েছে। কাজ নেই, কর্ম নেই ভোটের সময় বসন্তের কোকিলের মতো দিল্লি থেকে সব উড়ে চলে আসে।’

তৃণমূলের অন্যতম প্রধান নেতা মুকুল রায়ও গতকাল বলেছেন, ‘সিপিএম-কংগ্রেস যতই জোট করুক না কেন, তারা তিন সংখ্যার অঙ্কে পৌঁছাতে পারবে না।’

বাম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্রের ২০০ আসন পাওয়ার দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘আগে ২০ টা আসন পাও। আগেরবার সিপিএমের ৬০ টা আসন ছিল। এবার ২০ টা আসন পেলে বুঝব কোনো একটা রাজনৈতিক দল ২০ টা আসন পেয়েছে। ১৯ তারিখ ব্যালট খুলে দেখবে কোলকাতা থেকে সারা বাংলায় কীভাবে ধসটা নামছে।’

মমতা অবশ্য এখানেই না থেমে পশ্চিমবঙ্গে তাদের জয় নিশ্চিত বলে দাবি করে ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে দিল্লি (পার্লামেন্ট) টার্গেট রয়েছে বলেও জানিয়েছেন।

এভাবে রাজ্যে ক্ষমতায় আসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি করলেও নির্বাচনের আসল ফল জানা যাবে ১৯ মে। যদিও তার আগেই ক্ষমতায় আসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবিতে রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: