সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নিষিদ্ধ রজনীর করুণ কাহিনী!

p2নিউজ ডেস্ক: দেহ ব্যবসা। ‘আদিম রিপু’ নিয়ে এই পেশা প্রাচীনতম। তবুও আজ এই পেশা রয়েছে স্বীকৃতির আড়ালে। একটা সময় ছিল, যখন কম টাকা রোজগার করে সুখে দিন-যাপন করত পতিতারা। তাঁদের কাছে ছিল আইনি স্বীকৃতি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাঁরা হারিয়েছে সেই স্বীকৃতি। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর থেকে পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে দেহ-ব্যবসা। কিন্তু কেন? – কলকাতা।

দ্বিতীয় বিশ্ব-যুদ্ধের পর থেকে আজও ইউনাইটেড স্টেট ও ইউরোপে পুরোপুরি নিষিদ্ধ দেহ ব্যবসা। যার ফলে যৌন কর্মীদের স্বাধীনতা ও সুরক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

অনেকেই মনে করেন, নিজের পারিশ্রমিকের সঠিক মূল্য পান না পতিতারা। নেপথ্যে মাধ্যম। দালালরাই নাকি অর্ধেকের বেশি টাকা নিয়ে থাকেন। আখেরে ক্ষতি হয় পতিতাদেরই। যা দেহ-ব্যবসা নিষিদ্ধের অন্যতম কারণ।

যৌনকর্মীর বয়স বাড়ার সঙ্গে চাহিদা কমে তাঁদের। ফলত দালাল পদে আসীন হন তারা। যারা খদ্দেরদের জন্য খুঁজেছেন যৌন কর্মী। চলে নানা অনৈতিক কাজ। জোর করে অনেকে নামানো হয় এই পথে। তাই কোনও অনৈতিক কাজ কখনও পাবে না আইনিরে স্বীকৃতি।

খ্রিষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে গ্রীসে প্রথম শুরু হয়ে পতিতালয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তরে। দ্বিতীয় বিশ্ব-যুদ্ধের সময় জার্মান সেনারা প্যারিসের সব থেকে নজরকারা পতিতালয় গুলি নিজেদের দখলে নিয়েছিল।

যদিও কোনও লিখিত আইন ছিল না। তবুও ধর্মযাজক ও বিবাহিত পুরুষদের পতিতালয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু সম অধিকারের দাবীতে বন্ধ হয় পতিতালয়।
এছাড়া অনেক পতিতার মুখোশের আড়ালে ছিল ষড়যন্ত্রকারী মুখ। যদিও এখন নিউজিল্যান্ডে আইনি স্বীকৃতি পেয়েছে যৌনকর্মীরা।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: