সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জুড়ীতে জমির শ্রেণি বদলে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছেন দলিল লেখক

01. daily sylhet map jhuri newsমাহবুব আলম রওশন, জুড়ী::
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে জমির শ্রেণি বদলে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে এক দলিল লেখক। ওই দলিল লেখক উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের হরিরাম পুর গ্রামের নৃপেশ দত্তের পুত্র শুভ দত্ত। যার সনদ নং -২৪। জুড়ী সাব রেজিষ্ট্রারের অধিনস্থ ওই দলিল লেখক দীর্ঘদিন থেকে সরকারের সংশি¬ষ্ট বিভাগের আইনকে তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়াল খুশিমত বিভিন্ন জমি বা ভূমির শ্রেনী পরিবর্তন করে জমির ক্রেতা বা গ্রহিতাদের দলিল রেজিষ্ট্রি করে দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ অনেকের। যার ফলে সরকার তথা সংশ্লিষ্টষ্ট বিভাগ লাখ লাখ টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গেছে, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক জমি বা ভূমির বিভিন্ন শ্রেনীর জন্য পৃথক পৃথক ভাবে নির্ধারিত ফি: ধার্য্য করে দিয়ে রেখেছেন। ওই দলিল লেখক তার কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকেই সংশি¬ষ্ট বিভাগের নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে এধরনের অপরাধ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তার এসব কর্মকান্ডের ব্যাপারে বাধা প্রদান করা হলে সে কারো কথায় কর্নপাত না করে নির্বিঘেœ চালিয়ে যাচ্ছে তার কাজ। তার কর্মকান্ডে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ দলিলের খরচ বাঁচানোর জন্য তাকে সমর্থন দিয়ে বার বার তার কাছে যাচ্ছেন।

আবার কেউ কেউ তার এ কাজকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করে দূরে সরে থাকছেন। তার এসব কর্মকান্ড সংশি¬ষ্ট বিভাগের ভাব মূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে অনেকে মনে করেন। ওই দলিল লেখকের সকল কর্মকান্ডের ব্যাপারে যদি সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সুষ্ঠভাবে তদন্ত করেন তাহলে তার অপকর্মগুলো অনায়াসে বেরিয়ে আসবে বলে সচেতন মহল মনে করেন। ওই দলিল লেখকের ব্যাপারে সরেজমিনে গিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের অনেে কর সাথে কথা হলে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন তার এহেন কর্মকান্ডের একটি ঘটনা শুরু করে বলেন, সে গত বছর বড়লেখা উপজেলার রফিনগর গ্রামের আমজাদ আলীর স্ত্রী ফাতারুন নেছা থেকে একই উপজেলার সুজানগর গ্রামের মৃত আব্দু ল মালেকের স্ত্রী কুটিনা বেগমকে জুড়ী উপজেলার খাগটেকা মৌজা আর এস ৪১৭,৮০৯ খতিয়নের ৩একর ২৬ শতক জমি ক্রয় করে দেন।

যার প্রকৃত মূল্য ২১লাখ ৮৫ হাজার টাকা। জমির ধরণ বোরো । কিন্তু ওই দলিল লেখক সুকৌশলে জমির ধরন বোরো উলে¬খ না করে লায়ক পতিত বানিয়ে জমির মূল্য ১৯লাখ ৮৫ হাজার টাকা ধরে ক্রেতাকে দলিল রেজিষ্ট্রি করে দেন। তাতে ক্রেতার অনেক টাকা সাশ্রয় হয়। সচেতন মহলের জিজ্ঞাসা এটা কি সরকারের সংশি¬ষ্ট বিভাগকে রাজস্ব বঞ্চিত করেনি ? জুড়ী সাব রেজিষ্ট্রার শফিকুল ইসলাম এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে তার ব্যাপারে আইনানগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপােের দলিল লেখক শুভ দত্তের মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে, তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: