সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ চৈত্র ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভিডিও ফুটেজ নিয়ে এগোচ্ছেন গোয়েন্দারা

2নিউজ ডেস্ক :: রাজধানীর কলাবাগানে জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িতদের দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ দাবি করেন এবং শিগগিরই এদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তবে এই দুজনের নাম-পরিচয় এবং তারা কোনো সাংগঠনের সদস্য কি না, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু বলেনি।

গতকাল বুধবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেন, জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব রাব্বী তনয়কে হত্যার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও আলামত পাওয়া গেছে।

জুলহাজ মান্নান ও মাহবুব রাব্বী তনয় হত্যাকাণ্ডের পর খুনিদের পালানোর সময় ধারণ করা একটি ভিডিওতে চার যুবকের ছবি নিয়ে এখন মাঠে গোয়েন্দারা। কলাবাগানে এই জোড়া খুনের তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা একথা জানিয়েছেন। এই মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব এদিনই গোয়েন্দা পুলিশকে দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার লেক সার্কাসে ইউএসএইআইডি কর্মকর্তা সমকামী অধিকারকর্মী জুলহাজের বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ডের পর হামলাকারী যুবকরা চাপাতি উঁচিয়ে ও গুলি ছুড়ে অনেকের সামনে দিয়েই দৌড়ে পালায়।

ওই সময়ে কয়েকটি ভবনের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ার পাশাপাশি কয়েক ব্যক্তি মোবাইল ফোনেও ওই দৃশ্য ধারণ করেছিলেন, যা পুলিশ ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দা পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, “একটি ভিডিওতে চার যুবককে চিহ্নিত করার উপযোগী ছবি পাওয়া গেছে।

“যারা ওই যুবকদের দেখেছেন তাদের কয়েকজনকে ওইসব ছবি দেখিয়ে মিলিয়ে নেওয়া হয়েছে। চার যুবকের চেহারা শনাক্ত করা হয়েছে। আমরা এখন ওইসব যুবকদের পরিচয়, অবস্থান জানার চেষ্টা করছি।”

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়াও বুধবার সাংবাদিকদের বলেছেন, তারা বেশ কিছু আলামত পেয়েছেন। তবে ‘তদন্তের স্বার্থে’ এখনি কিছু বলছেন না।

খুনিদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ব্যাগে পাওয়া মোবাইল ফোন থেকেও ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা। পুলিশের সামনে দিয়েই ওই যুবকরা সেদিন পালিয়েছিলেন। তাদের ঠেকাতে ব্যর্থ হলেও একজনকে জাপটে ধরে ব্যাগ রাখতে গিয়ে আঘাত পেয়ে পুলিশের একজন এএসআই আহত হন।

ওই পাঁচজনকে দেখার কথা অধিকাং লোক জানালেও আরও কয়েক যুবকের থাকার কথাও প্রত্যক্ষদর্শী দু-একজনের বর্ণনায় উঠে এসেছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, হামলাকারী যুবকদের সংখ্যা ছিল সাত।

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কুরিয়ার সার্ভিসের একটি পার্সেল দেওয়ার কথা বলে ওই যুবকরা জুলহাজের বাড়ি আছিয়া নিবাসে ঢুকেছিলেন।

এরপর এক দারোয়ানকে আঘাত এবং অন্য দুজনকে নিচের একটি কক্ষে আটকে দোতলায় জুলহাজের ফ্ল্যাটে ঢোকেন হামলাকারীরা। তখন তনয় ছাড়া ওই বাসায় ছিলেন জুলহাজের ৯০ বছর বয়সী মা ও একজন গৃহকর্মী।

যে যুবকরা বিকালে এসেছিল, তারা দুপুরেও একবার এসেছিল বলে ওই ভবনের এক বাসিন্দা জানিয়েছেন। তবে জুলহাজ না থাকায় ফিরে গিয়ে বিকালে ফের এসেছিলেন।

পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান বলেন, “ঘড়ি ধরে মাত্র পাঁচ মিনিট তারা (হামলকারীরা) সেখানে ছিল। জুলহাজ মান্নান ও তার বন্ধু তনয়কে নির্মমভাবে কুপিয়ে একই পথ ধরে ডলফিন গলি দিয়ে তারা চলে যায়।” পরনে জিন্সের প্যান্ট ও টি শার্ট, কাঁধে ব্যাগসহ ওই যুবকদের দৌড়ে যেতে ভিডিওতে দেখা গেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: