সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সেনা ও বিমান বাহিনীতে নতুন আইন

Flag_of_the_Bangladesh_Army.svgনিউজ ডেস্ক::
সেনাবাহিনীর প্রধানের পদবী ‘কমান্ডার ইন চীফ’-এর পরিবর্তে ‘চীফ অব আর্মি স্টাফ’ প্রতিস্থাপন করে আর্মি (এমেন্ডমেন্ট) এ্যাক্ট ২০১৬ বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। একইভাবে বিমান বাহিনীর প্রধানের পদবী ‘কমান্ডার ইন চীফ’-এর পরিবর্তে ‘চীফ অব এয়ার স্টাফ’ প্রতিস্থাপন করে এয়ার ফোর্স (এমেন্ডমেন্ট) এ্যাক্ট ২০১৬ পাস করেছে সংসদ। এছাড়া ক্যাডেট কলেজ (এমেন্ডমেন্ট) এ্যাক্ট ২০১৬ বিলও পাস হয়েছে জাতীয় সংসদে।-বিডি২৪লাইভ

বুধবার ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে দশম অধিবেশনের চতুর্থ দিনে বিল দু’টি পাস হয়। এরআগে সংসদ কার্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশকৃত আকারে বিলগুলো পাস করার প্রস্তাব করেন। বিলের ওপর আনীত জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

বিল তিনটি চলতি সংসদের ৮ম অধিবেশনে গত ১৬ নভেম্বর উত্থাপিত হয়।

পাসকৃত বিলের তুলনামূলক বিবৃতির তথ্যানুযায়ী, আর্মি এ্যাক্ট ১৯৫২ এবং এয়ারফোর্স এ্যাক্ট ১৯৫৩ সংশোধন কল্পে পাসকৃত বিল দু’টিতে সংশোধনী আনা হয়। ১৯৫২ সালের এ্যাক্টে সেনাবাহিনীর প্রধানের পদবী ছিল কমান্ডার ইন চীফ। একইভাবে ১৯৫৩ সালের এয়ারফোর্স এ্যাক্ট-এ বিমান বাহিনীর প্রধানের পদবী ‘কমান্ডার ইন চীফ’।

সামরিক শাসনামলে ১৯৭৬ সালে জারিকরা আর্মি এ্যামেন্ডমেন্ট অর্ডিন্যান্স দ্বারা সেনাবাহিনীর প্রধানের পদবী ‘কমান্ডার ইন চীফ’-এর পরিবর্তে ‘চীফ অব আর্মি স্টাফ’ করা হয়। একইভাবে ১৯৭৬ সালে জারি করা এয়ারফোর্স এ্যাক্ট-এ বিমান বাহিনীর প্রধানের পদবী ‘কমান্ডার ইন চীফ’-এর পরিবর্তে ‘চীফ অব এয়ার স্টাফ’ করা হয়। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের রায় দ্বারা সামরিক শাসনামলে প্রবর্তিত সকল অধ্যাদেশকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনের কারণেও অধ্যাদেশগুলো অকার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে সেনা ও বিমান বাহিনীতে চীফ অব আর্মি স্টাফ-এর স্থলে ‘কমান্ডার ইন চীফ’ প্রতিস্থাপিত হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এটা কাম্য নয়। এ অবস্থার সমাধান কল্পে ২০১৩ সালের ৬ ও ৭ নং আইন দ্বারা বে-আইনী ঘোষিত এবং অকার্যকর সকল আইনকে সাময়িক বৈধতা দেওয়া হয়। সরকারের নির্দেশনায় সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় আইনগুলো প্রণয়ন করে আইনের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য বিলটি সংসদে উপস্থাপন করা হয়। এ কারণে বিদ্যমান বিধানের সঙ্গে নতুন বিধানের কোন পার্থক্য নাই।

পাসকৃত বিলের রহিতকরণ ও হেফাজত ধারা বলে ১৯৭৬ সালের আর্মি এ্যামেন্ডমেন্ট অর্ডিন্যান্স রহিত করা হয়। তবে উক্ত অধ্যাদেশের অধীনে করা সকল কাজকর্ম ও গৃহীত ব্যবস্থা এই আইনের অধীনে কৃত বা গৃহীত হয়েছে বলে গণ্য হবে বলে আইনের সংরক্ষণ দেওয়া হয়।

বিল দু’টির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অধ্যাদেশটির অধীন বিধানসমুহের কার্যকাররিতা জনস্বার্থে বহাল ও অক্ষুন্ন রাখার লক্ষ্যে নতুন আইন করা প্রয়োজন। এ লক্ষে বিলটি প্রণয়ণ করা হয়েছে। বিল দু’টি আইনে রূপান্তরিত হলে মূল আইন তথা আর্মি অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৬-এর সর্বত্র ব্যবহৃত ‘কমান্ডার ইন চীফ’ পদবীটির স্থলে ‘চীফ অব আর্মি স্টাফ’ এবং মূল আইন তথা এয়ারফোর্স অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৬-এর সর্বত্র ব্যবহৃত ‘কমান্ডার ইন চীফ’ পদবীটির স্থলে ‘চীফ অব এয়ার স্টাফ’ পদবী প্রতিস্থাপিত হবে।

একই কারণে পাসকৃত ক্যাডেট কলেজ(এমেন্ডমেন্ট) এ্যাক্ট ২০১৬ বিলের মাধ্যমে ১৯৬৪ সালের ক্যাডেট কলেজ অর্ডিন্যান্স ১৯৬৪-এর অনুচ্ছেদ ৪এ ও ৫এ পরিমার্জন করে ‘কনস্টিটিউশন অব দ্য কাউন্সিল অব ক্যাডেট কলেজ’ হিসেবে নতুনভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: