সর্বশেষ আপডেট : ২৩ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

পকেটে এক টাকাও ছিল না: শচিন

full_1981711805_1461674808খেলাধুলা ডেস্ক: ভারতের সব থেকে ধনী ক্রীড়াবিদ শচিন টেন্ডুলকারের কাছে যখন টাকা থাকত না ট্যাক্সি করে বাড়ি ফেরার তখন ঠিক কী করতেন তিনি? সেটা সেই সময়ের কথা। যখন অনূর্ধ্ব-১৫ ম্যাচ খেলে পুণে থেকে মুম্বাইয়ের দাদার স্টেশনে নেমেছিলেন তিনি। তার পর কী করলেন?

শচিন বলেন, ”আমার তখন বয়স সবে ১২ বছর। মুম্বাই অনূর্ধ্ব-১৫ দলে সুযোগ পেয়েছি। আমি প্রচন্ড উত্তেজিত ছিলাম। কিছু টাকা নিয়ে পুণে চলে গিয়েছিলাম তিনটি ম্যাচ খেলতে। আর সেখানে খুব বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। আমি মাত্র ৪ রান করে রান আউট হয়ে যাই। বৃষ্টির জন্য পরে আর ব্যাট করার সুযোগ পাইনি। আমি খুব হতাশ ছিলাম। ড্রেসিংরুমে ফিরে কেঁদে ফেলেছিলাম।”

”আসল ঘটনাটা ঘটে মুম্বাই ফেরার পর। তার আগে খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমাদের আর কিছু করার ছিল না। পকেটে কত টাকা আছে না দেখেই সিনেমা দেখে বাইরে খাবার খেয়ে সব শেষ করে ফেলি। যখন মুম্বাই পৌঁছই তখন আমার পকেটে একটাও টাকা ছিল না। সঙ্গে তখন দুটো বড় বড় ব্যাগ। দাদার স্টেশনে নেমে শিবাজী পার্ক পর্যন্ত হাঁটতে হয়েছিল। কারণ পকেটে টাকা ছিল না।”

তখনও মোবাইল ফোন আসেনি। সেটা থাকলে হয়তো এত সমস্যা হত না। শচিন বলছিলেন, ”ভাবতে পারছেন, যদি আমার হাতে তখন একটা ফোন থাকত বাবা বা মাকে একটা এসএমএস করলেই তারা আমার মোবাইলে টাকা ট্রান্সফার করে দিত। তাহলে আমি ট্যাক্সি করে যেতে পারতাম।”

টেকনোলজি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নিজের আরও একটি অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন শচিন। ”যদি টেকনোলজির কথাই বলা হয়, তাহলে আমিই প্রথম থার্ড আম্পায়ারের দেওয়া আউটের শিকার। সেটা ১৯৯২ সাল। থার্ড আম্পায়ার আমাকে রান আউট দিয়েছিল।”

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: