সর্বশেষ আপডেট : ৪৭ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড়লেখায় বিধিবহির্ভুত নিয়োগে ৬ বছর ধরে সরকারি সুবিধা ভোগ করছেন ৭ শিক্ষক!

01. daily sylhet Barlekha newsবড়লেখা প্রতিনিধি::
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরকারি নিয়োগ বিধিমালা ভঙ্গ করে প্রায় অর্ধযুগ ধরে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন ১ প্রধান শিক্ষকসহ ৭ জন সহকারি শিক্ষক। এরা হলেন-পাকশাইল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ ১ জন সহকারি শিক্ষক, গল্লাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়ের ২জন সহকারি শিক্ষক ও মাইজগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩জন সহকারি শিক্ষক। স্কুল কমিটি, উপজেলা ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর দুর্নীতির মাধ্যমে এসব অযোগ্য শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০০৩ সালের ২ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনের আলোকে জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে কিন্তু শিক্ষা জীবনে যে কোনো একটি পরীক্ষায় (এসএসসি থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত) তৃতীয় শ্রেণী/বিভাগপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণ নিয়োগযোগ্য। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপ-সচিব (মাধ্যমিক) সাফিজ উদ্দিন স্বাক্ষরিত নিয়োগ বিধিমালা লংঘন করে উপজেলার পাকশাইল আইডিয়াল হাই স্কুলে একাধিক তৃতীয় বিভাগধারী আনোয়ার হোসেন ২০০৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধান শিক্ষক পদে ও রেহান উদ্দিন সহকারি শিক্ষক পদে নিয়োগ লাভ করেন। রহস্যজনকভাবে বিধি মোতাবেক অযোগ্য ওই দুই শিক্ষক ২০১০ সালের ৩১ মে এমপিওভুক্ত হয়ে অদ্যাবধি বেতন-ভাতা ভোগ করছেন। এছাড়া উপজেলার গল্লাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়ের ২জন ও মাইজগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩জন শিক্ষক বিধিবহির্ভুত নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে একই তারিখে এমপিওভুক্তির মাধ্যমে বেতন-ভাতা ভোগ করছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে পাকশাইল আইডিয়াল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন তাঁর শিক্ষা জীবনে এবং অপর সহকারি শিক্ষক রেহান উদ্দিনের একাধিক তৃতীয় বিভাগ থাকার সত্যতা স্বীকার করে জানান, প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে এই স্কুলে থাকায় তাদের ক্ষেত্রে প্রজ্ঞাপনের অনেক কিছুই শিথিলযোগ্য।
এ বিষয়ে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আসুক উদ্দিন জানান, গত দুই মেয়াদ ধরে তিনি এ স্কুলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়োগে বিধি লংঘনের বিষয়টি তাঁর জানা নাই।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সমীর কান্তি দেব জানান, তিনি সে সময় বড়লেখায় কর্মরত ছিলেন না। সরকারি নিয়োগ বিধিমালার বাহিরে শিক্ষক-কর্মচারি নিয়োগ দেয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। ২০০৩ সালের ২ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপন লংঘন করে এসব ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া এবং এমপিওভুক্ত হওয়ার বিষয়টি তৎকালীন দায়িত্বরত সংশ্লিষ্টরাই ভালো বলতে পারবেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: