সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ২ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অপরূপ সৌন্দর্য্যের কাপ্তাই

4b3f8cd7-6b44-4b9b-9a37-6dfe1482727bদিগন্ত সৌরভ::
পার্বত্র চট্রগ্রামের কিছুটা দূরে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য নিয়ে দাড়িয়ে আছে রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলা। বাঙালি ও আদিবাসীদের প্রাণচাঞ্চল্যে এখানকার প্রকৃতিকে দিয়েছে এক নিবিড় বৈচিত্রের মেলবন্ধন। চট্টগ্রাম থেকে মাত্র ৭০ কিলোমিটার দূরের রাঙামাটির পশ্চিমে বৃহত্তর চট্টগ্রাম জেলা, পূর্বে ভারতের মিজোরাম রাজ্যে, উত্তরে পার্বত্য খাগড়াছড়ি এবং দক্ষিণে পার্বত্য বান্দরবান জেলা। ২৫৬ বর্গমাইল আয়তনের দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহত এই কৃত্রিম হ্রদ দেশি-বিদেশি পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। চারদিকে নৈসর্গিক সৌন্দর্য, পাহাড়-পর্বত, ঝরনাধারা, আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পাহাড়ি রাস্তা, অথৈ পানি আর সবুজের সমাহারে পরিপূর্ণ নানা বৈচিত্যের এক লীলানিকেতন কাপ্তাই হ্রদ। লেকের পানিতে অজস্র মাছ আর জীববৈচিত্যের সমাহার। কাপ্তাই হ্রদ মূলত কর্ণফুলী হ্রদের আঞ্চলিক নাম।
ডিসেম্বরের শীতে গিয়েছিলাম রাঙামাটির কাপ্তাই। প্রায় এক সপ্তাহের সময় নিয়ে। রাত সাড়ে এগারোটায় ঢাকা শহরের সায়েদাবাদ থেকে বিআরটিসির এসি বাসে উঠে রওয়ানা দেই। সারা রাত টেনে কুয়াশাভেঁজা ভোরে বন্দর নগরীতে নেমে বুঝা গেল শীতের একরোখা দাপট। পিঠে ট্রাভেল ব্যাগ নিয়ে মঈন মাহমুদ ভাইয়ের পিঁছু হেঁটে সোজা চলে যাই তাদের বাসা নাসিরাবাদ। সেখানে ঘন্টা দুয়েক ঘুমিয়ে নিই। নাওয়া খাওয়া শেষ করে আবার চট্রগ্রাম শহর থেকে রওয়ানা হই কাপ্তাই এর উদ্দেশ্যে। সিএনজি নিয়ে লিচুবাগান গিয়ে আবার অন্য একটি সিএনজি নিয়ে কাপ্তাই বরইছড়ি নেমে পড়ি। কাপ্তাইয়ের উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন ভাই তিনি আগে থেকেই উপজেলা রেস্ট হাউসে আমাদের থাকার ব্যাবস্থা ঠিক করে রেখে দিয়েছেন। সেখানে উঠে ব্যাগপত্র রেখে হাত-মুখ ধুয়ে নিই। উপজেলার পাশে একটি খাবার দোকানে গিয়ে পেটপুরে গরম ভাজি-পরোটা খেয়ে খিদা নিবারণ করি। পাহাড়ি বিকেলটা বরইছড়ির বাজারটি ঘুরে ঘুরে দেখে সময় পার করে কাটিয়ে দেই। ছোট এই বাজারটিতে এক-দুটি মাছের দোকান ও কয়েকটি মুদি দোকান রয়েছে।
05d8d2f7-aab9-449e-b12d-233376564fe1চারিপাশে টিলা ও পাহাড় ঘেরা। তার মধ্যে দিয়ে চলে গেছে পাকা সড়ক। সিএনজি ছাড়া অন্য যানবাহন খুব একটা চোখে পড়ে না। সন্ধ্যার পরেই কাপ্তাই উপজেলা চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন ভাই আমাদের নিয়ে ঘুরতে বের হলেন। আমাদেরকে সাথে নিয়ে কাপ্তাই উপজেলা থেকে জিপ গাড়িটি তিনি নিজে ড্রাইভ করে নিয়ে চললেন কাপ্তাই লেকের উদ্যেশে। সেখানে দিলদার ভাইয়ের একটি দাওয়াত ছিলো। বিয়ের গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানের। আমাদেরকেও সেই হলুদের দাওয়াতে তার সাথে যেতে হলো। রাতের অন্ধকারে খেয়া গাট থেকে নৌকায় কাপ্তাই লেক পাড়ি দিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেই। এই প্রথম চট্রগ্রাম এলাকায় কোন বিয়ের আয়োজনে আমার অংশগ্রহণ। তবে বিয়ের খাবার দাবারের একটি ভালো অভিজ্ঞতা হলো। খাবার শেষে অনেকের সাথে পরিচয় হয়। খানিকক্ষণ পর সেখান থেকে রওয়ানা হয়ে যাই। আর ততক্ষণে পাহাড়ি ঠান্ডায় যেন জমে গিয়েছে আমাদের শরীর। প্রথম দিন এভাবেই কাটিয়ে রাতে রেস্ট হাউসে এসে ঘুমিয়ে পড়ি। কাপ্তাই অবস্থানের ২য় দিন বিকেলে ঢাকা থেকে এসে যোগ দেন আমিনুল হক তুষার ভাই ও মোমেন চৌধুরী। এখন আমাদের দলে মোট চারজন সদস্য। ওইদিন বিকেলে চারজন বেরিয়ে পড়ি কাপ্তাইয়ের পাহাড়ি এলাকার ভিতরে। প্রথমে চন্দ্রঘোনার লিচুবাগান ফেরিঘাট। সেখান থেকে খ্রিষ্টান অধ্যুসিত মিশন খিয়াংপাড়ার ঘুরে পাহাড়ি একটি দোকানে চারজন চা খেতে বসি। এই চা দোকানের রয়েছে আরেক রহস্য। সেটা হয়তো পাঠকদের সাথে অন্য কোন লেখায় শেয়ার করবো। যাই হোক দোকানটিতে চা খেয়ে উঁচুনিচু পাহাড়ি গ্রামের ভেতর দিয়ে অবিরাম হাটতে থাকি। যদিও খিয়াং মিশনপাড়া ব্যতিত আশপাশের এলাকা সম্পর্কে আমাদের দলের কেউ কিছু বলতে পারে না। স্থানীয় আদিবাসী বাড়িগুলো থেকে তথ্য নিয়ে এগুতে থাকি। উঁচুনিচু টিলা পাহাড় পেরিয়ে আমরা যত যেতে থাকি শীতের সন্ধ্যা ততই ঘনিয়ে আসতে থাকে। এভাবে এগিয়ে যেতে যেতে একসময় আরেকটি ছোট পাহাড়ি বাজারে পৌছে যাই। কিছুটা টেনশন মুক্ত হয়ে সেখানে ২য়বার চা খেতে বসি। ঘন্টাখানিক সেখানে ঘুরে ফিরে আমাদের অস্থায়ী আবাস উপজেলা রেষ্ট হাউসের পথ ধরি।
97238cf7-0c61-44dc-825b-15d8077c9e2aকাপ্তাই হ্রদ
কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির সঙ্গে সম্পর্কিত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধটি পার্বত্য চট্টগ্রামের কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত। বাঁধের অবস্থানস্থল কাপ্তাইয়ের নাম অনুসারে। তাই স্থানীয় বাসিন্দারা এটিকে কাপ্তাই হ্রদ হিসেবে বলতে থাকেন। বাঁধ নির্মাণের আগে বর্তমান হ্রদটি ছিল ছোট-বড় পাহাড়, টিলা ও উপত্যকা পরিবেষ্টিত এক বিশেষ বৈশিষ্ট্যময় স্থলভূমি। আসামের লুসাই পাহাড় থেকে সৃষ্ট কর্ণফুলী নদী বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে থেকে আসা কাসালং, মাইনি, রিংকং এবং চেঙ্গী নদীর মিলিত প্রবাহ স্থলভাগের ওপর দিয়ে কর্ণফুলী নামে সরাসরি বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হতো। কাপ্তাইয়ে বাঁধ দেয়ার ফলে এসব নদী ও আশপাশের নিচু এলাকাসহ বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে এ হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। আকৃতির দিক থেকে কাপ্তাই হ্রদ অনেকটা ইংরেজি এইচ (ঐ) অক্ষরের মতো। মাইনি ও কাসালং খালের সম্মিলিত প্রবাহের সঙ্গে নিম্নাঞ্চলে মূল কর্ণফুলী নদীর প্রবাহ মিলে হ্রদটির ডানদিকের সুদীর্ঘ ও বৃহত্তর অংশটি সৃষ্টি হয়েছে। বাঁদিকের রাঙামাটি-কাপ্তাই অংশটি সৃষ্টি হয়েছে উত্তরদিক থেকে আসা চেঙ্গী নদী থেকে প্রবাহিত ধারার সঙ্গে নিম্নাঞ্চলে দক্ষিণ-পূর্বদিক থেকে আসা রাইংখিয়ং বা রিংকং নদীর প্রবাহের মিলনের ফলে। হ্রদের এই বিশাল জলাধার দুটির মাঝখানে সরু ও সুগভীর শুভলং চ্যানেল দ্বারা যুক্ত হয়েছে। এই হ্রদ সৃষ্টির উদ্দেশ্য মূলত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন। এছাড়া বৃহত্তর চট্টগ্রামের বন্যা নিয়ন্ত্রণ, কৃষি ও সেচব্যবস্থার সুযোগ সৃষ্টি, বনজ সম্পদ আহরণ, দুর্গম এলাকায় নৌ চলাচলের সুযোগ সৃষ্ট, মৎস্যচাষ ও পর্যটন শিল্পের বিকাশও ছিল এর উদ্দেশ্য। অবস্থানগত কারণে পার্বত্য জেলাগুলোর বন্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এ হ্রদ শুরু থেকেই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে আসছে। এখানে আছে পর্যটনের ঝুলন্ত সেতু, কৃষি খামার, শুভলং ঝরনা ও নৈসর্গিক সৌন্দর্য, পেদা টিংটিং রেস্টুরেন্ট, সাংফাং রেস্টুরেন্ট, চাকমা রাজার রাজবাড়ি, রাজ বনবিহার, উপজাতীয় জাদুঘর, জেলা প্রশাসকের বাংলো, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের সমাধি সৌধ এবং উপজাতি পাড়া। রাঙামাটির উপজাতিদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে বিশেষভাবে জানতে চাইলে স্থানীয় উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে গিয়ে জানা যায়। প্রতি বছর এপ্রিল মাসে আদিবাসীরা ‘বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক উৎসব বা চৈত্রসংক্রান্তি উৎসব’ পালন করে। প্রতি বছর এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের দিকে এ উৎসব পালিত হয়ে থাকে। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতিদের প্রধান সামাজিক উৎসব। এছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, সেগুন কাঠের বাগান, পাহাড়ি ও বন্য ফুলফলের সমাহার রয়েছে রাঙামাটিতে। রাঙামাটি থেকে শুভলংয়ের উদ্দেশে এগোতে থাকলে দেখতে পাবেন কিছু আদিবাসী গ্রাম। ঝরনাগুলোতে দেখা যায় পাহাড়ের ওপর থেকে নেমে আসা ঝরনার পানির পাথুরে মাটিতে আছড়ে পড়ার অপূর্ব দৃশ্য। এখানে ইচ্ছে করলে গোসল করা যায়। ঝরনা দেখা শেষে শুভলং বাজার ঘুরে আসতে পারেন। সেখানে সেনাবাহিনীর একটি মনোরম ক্যান্টিনও রয়েছে। বরকল, লংগদু, মাইনিমুখ ও কাসালংসহ আরও অনেক এলাকার নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখা যায় রাঙামাটিতে।
adf69c6d-2798-4663-9a01-c78844a1adacশুভলং যেতেই রাঙামাটি শহরের অদূরে একটি সবুজ দ্বীপ দেখা যায়। সেখানে রয়েছে একটি রেস্টুরেন্ট, চাকমা ভাষায় এর নাম ‘পেদা টিংটিং’। এর অর্থ হলো পেট ভরে খাওয়া। এখানে পাওয়া যায় কাঁচা বাঁশের ভেতর রান্না করা বিশেষ খাবার সুমত কোরায়রা। মুরগি ও মাছ দিয়ে তৈরি হয় এ খাবার। এছাড়া লেকের টাটকা মাছের তৈরি বিভিন্ন ভর্তা ও মাছ পাওয়া যায় এখানে। পেদা টিংটিং থেকে একটু দূরে নতুন গড়ে উঠেছে আরেকটি রেস্টুরেন্ট সাংপাং। এখানকার হুর হেবাং (বাঁশের ভেতর রান্না করা মুরগির তরকারি) ও বদা হেবাং (কলাপাতায় রান্না করা ডিম তরকারি) ইত্যাদি খাবার বেশ আকর্ষণীয়। নানিয়ারচরের বুড়িঘাট এলাকায় রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আবদুর রউফের স্মৃতিসৌধ, সাংফাং রেস্টুরেন্ট, টুকটুক ইকো ভিলেজ ও কৃষি খামার। এসব পর্যটন স্পট দেখতে হলে আপনাকে অবশ্যই ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া করতে হবে। ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ মুক্তিযুদ্ধের সময় নানিয়ারচরের বুড়িঘাটে শহীদ হন। স্থানীয় এক উপজাতি তাকে ওই স্থানে কবর দিয়েছিলেন। রাঙামাটির বিডিআর ওই স্থানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেছে। এছাড়া রাঙামাটি শহরের অদূরে বালুখালীতে হর্টিকালচার নার্সারির বিশাল এলাকাজুড়ে যে উদ্যান রয়েছে, তার সৌন্দর্যও পর্যটকদের আকর্ষণ করে। প্রায় সবসময় এ উদ্যানে পিকনিক হচ্ছে। হর্টিকালচার নার্সারিটি পরিণত হয়েছে আরেক পর্যটন কেন্দ্রে। সারি সারি ফল ও ফুলগাছের পাশাপাশি রয়েছে পাখির কিচিরমিচির শব্দ। সব মিলিয়ে এ উদ্যান পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ইঞ্জিনচালিত নৌকা বা বোট ভাড়া রাঙামাটি শহরের কয়েকটি স্থানে পাওয়া যায়। উপজাতিদের হাতে তৈরি নানা ধরনের কাপড় ও বিভিন্ন জিনিসপত্র সংগ্রহ করা যায় রাঙামাটি থেকে। তবলছড়ি, বনরূপা ও রাজবাড়ি এলাকায় এসব পণ্যের বেশ কয়েকটি দোকান ও শোরুম রয়েছে। এসব শোরুম থেকে কম দামে বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনতে পারেন। এছাড়া উপজাতি পাড়ায় গেলে সেখান থেকেও সংগ্রহ করতে পারেন বিভিন্ন সামগ্রী। নতুন চালু হওয়া রাঙামাটি-কাপ্তাই সড়ক পর্যটকদের বেশ আকর্ষণ করে। একদিকে সুবিশাল পাহাড়, উঁচু-নিচু পাহাড়ি সড়ক; অন্যদিকে কাপ্তাই হ্রদের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য আঁকাবাঁকা এই সড়কটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এই সড়ক ধরে যেতে পারেন কাপ্তাই। কাপ্তাই না গেলে রাঙামাটি দেখা অপূর্ণ থেকে যায়। এখানে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফুলী পেপার মিল, কর্ণফুলী নদীর অপূর্ব দৃশ্য, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান রয়েছে। তবে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফুলী পেপার মিল দেখার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। টানা চারদিন গুরে ফিরে নানান অভিজ্ঞতায় কেটে যায় কাপ্তইয়ের দিনগুলি। এবার আমাদের ঢাকায় ফেরার পালা। সন্ধ্যায় আমরা দলের চারজন বাসে চট্রগ্রাম শহরের উদ্দেশ্যে পথ ধরি।
5ebcd099-42ff-458d-b613-e4088b26c7f7যাতায়াত
ঢাকা থেকে কাপ্তাইয়ে যেতে চাইলে শহরের বিভিন্ন স্থান হতে প্রতিদিন অসখ্য বাস ছেড়ে যায়। তবে সরাসরি ঢাকা থেকে বাসে আপনি কাপ্তাই যেতে পারবেন। সায়েদাবাদ অথবা কমলাপুর থেকে বাসে করে কাপ্তাই যেতে সময় লাগবে ৮ ঘন্টার মতো। এছাড়া যেকোন উপায়ে চট্টগ্রাম পৌঁছে বদ্দারহাট বাস স্ট্যান্ড থেকে কাপ্তাইয়ের বাস পাবেন প্রতি ৩০ মিনিট পরপর।

 

 
b280bbd3-7b7a-4cfd-a2fa-1a053bab2613কোথায় থাকবেন
কাপ্তাইয়ে রাত্রি যাপনের জন্য ভাল মানের বাণিজ্যিক কোন হোটেল মোটেল নেই। আপনাকে আগে থেকেই কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন সরকারী রেস্ট হাউজ বা বিশ্রামাগারের সন্ধান করতে হবে। সেনাবাহিনী, পিডিবি, পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং বন বিভাগের রেস্ট হাউজ গুলিতে থাকতে পারবেন খুবই কম খরচে। কিন্তু এই জন্য আপনাকে সংশ্লিষ্ট সরকারী অফিসের অনুমতি নিতে হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: