সর্বশেষ আপডেট : ১১ মিনিট ২৭ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেট বিভাগের ৭ উপজেলার ৬২ ইউনিয়নে ভোট যুদ্ধ আজ

daily sylhet 0-72 UP nirbachon sylhet newsস্টাফ রিপোর্টার::
শেষ হয়েছে মিছিল-মিটিং, সভাসমাবেশ আর প্রচারণা। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে প্রচরণা বন্ধ হলেও থেমে নেই প্রার্থীরা। কৌশলে শেষ মুহূর্তে প্রচারণায় ভোট প্রার্থনা করেছেন প্রার্থীরা। তবে সব কষ্টের অবসান ঘটবে আজ। সিলেট বিভাগের ৭ উপজেলার ৬২টি ইউনিয়নে তৃতীয় ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আজ শনিবার। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে নির্বাচন পরিচালনার সব সরঞ্জাম পাঠানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অধিক গুরুত্ব দিয়ে ভোটধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন।
আজ সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার ৬টি, কানাইঘাট উপজেলার ৯টি, সুনামগঞ্জ জেলার সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৯টি, দোয়ারাবাজার উপজেলার ৯টি, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ৮টি, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার ৭টি ও হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচঙ্গ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ।

 

 

কানাইঘাট:

শনিবার সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ৯ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্নভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে উপজেলায় লক্ষাধিক নারী-পুরুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে নির্বাচনি সরঞ্জাম। সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসারগণ আইনশৃংখলাবাহিনীর সহযোগিতায় ব্যালট বাক্স, ব্যালটপেপার সহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি বিকেলে নিয়ে যান তারা।

কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া জানিয়েছেন, প্রতিটি কেন্দ্রে একজন প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারি প্রিসাইডিং অফিসার ও প্রতিটি বুথে একজন করে পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়নে ৮৫টি কেন্দ্র রয়েছে এরমধ্যে ৩৭টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তিনি।

উপজেলার ৯ ইউনিয়নের নির্বাচনে ১২জন ম্যাজিস্ট্রেট, ৩ প্লাটুন র‌্যাব, ৫ প্লাটুন বিজিবি ও ১ প্লাটুন ব্যাটালিয়ন আনসার দায়িত্ব পালন করবেন।

কানাইঘাট থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, ৯ ইউনিয়নের অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ইউনিয়নে অস্ত্রধারি ১০জন পুলিশ, ১৭জন নিরস্ত্র আনসার দায়িত্ব পালন করবে। তবে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ৯ জন ও সাধারণ কেন্দ্রে ৮জন অস্ত্রধারি পুলিশ দায়িত্বে থাকবে। এছাড়াও ১৮টি মোবাইল টিম থাকবে বলে জানান তিনি।

দলীয় প্রতীকে ভোটগ্রহণ হলেও কোনধরণের গোলযোগ ছাড়া একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ শেষে প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটগণনা করে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। কোন অবস্থায় উপজেলায় নিয়ে ফলাফল ঘোষণার সুযোগ নেই। তবে, কেউ বিশৃংখলার চেষ্টা করলে আইনশৃংখলা বাহিনীকে সাথে গুলির নির্দেশ দিয়েছেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে সিলেটের এই দুই উপজেলায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জমিয়তে উলামা ও জাসদসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থী থাকলেও আঞ্চলিকতা ও জনপ্রিয়তা বিবেচনায় স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

 
জৈন্তাপুর:
উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২৯ জন, সংরক্ষিত আসনে মহিলা ৫৫জন, সাধারণ সদস্য পদে ২৮০ জন প্রার্থী রয়েছেন। নিজপাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৭জন, বর্তমান চেয়ারম্যান মো. ইন্তাজ আলী (বিএনপি ধানের শিষ), মনজুর এলাহী সম্রাট (আ.লীগ নৌকা ),আব্দুল মালিক মানিক (বিএনপি বিদ্রোহী আনারস), জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নূরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র চশমা), কবির আহমদ (স্বতন্ত্র ঘোড়া), মো. আব্দুল্লাহ (স্বতন্ত্র মোটরসাইকেল) ও জসিম উদ্দিন(স্বতন্ত্র টেলিফোন)।

জৈন্তাপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন (বিএনপি ধানের শিষ), মো. এখলাছুর রহমান (আ.লীগ নৌকা ), মো. ফখরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র ঘোড়া) হোসাইন আহমদ (স্বতন্ত্র আনারস), ল্যান্স নায়েক আব্দুন নুর (জাতীয় পার্টি লাঙল)।

চারিকাটা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬জন। বর্তমান চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা লায়ন আব্দুল হক (আ.লীগ বিদোহী টেলিফোন), আইয়ুব আলী (আ.লীগ নৌকা ), হেলাল উদ্দিন (বিএনপি ধানের শিষ), শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল (বিএনপি বিদোহী আনারস), সুলতান করিম (স্বতন্ত্র ঘোড়া), লাল মোহন দেব (জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ মশাল)।

দরবস্ত ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪জন। বর্তমান চেয়ারম্যান কামাল আহমদ (আ.লীগ নৌকা), বাহারুল আলম বাহার (বিএনপি ধানের শিষ), মোহাম্মদ নুরুজ্জামান (স্বতন্ত্র চশমা ), মো. ছায়ফুল আলম (আ.লীগ বিদোহী আনারস)।

ফতেপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩জন, বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ (বিএনপি ধানের শিষ), রফিক আহমদ (আ.লীগ নৌকা ), হানিফ মোহাম্মমদ (আ.লীগ বিদ্রোহী আনারস)

চিকনাগুল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, বর্তমান চেয়ারম্যান এবিএম জাকারিয়া (বিএনপি ধানের শিষ), মো. আলী আহমদ (আ.লীগ নৌকা ), আমিনুর রশিদ চৌধুরী (আ.লীগ বিদ্রোহী আনারস) ও মো. সিদ্দিক আহমদ (জাতীয় পার্টি লাঙল)।
দোয়ারাবাজার:
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার ৯ ইউনিয়নের প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারনের দিন শনিবার। সকল দ্বিধা-দ্বন্ধ ভুলে গিয়ে ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীদের পক্ষে রায় দেবেন।

এ উপজেলার মোট ভোটার হচ্ছেন- ১লাখ ৮৩ হাজার ৬০৪ জন। এতে ৬ হাজার ৪শ‘ ২০জন নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন। উপজেলার ৯ ইউনিয়নে ভোটযুদ্ধে রয়েছেন- আওয়ামীলীগের ৯জন, তাদের বিদ্রোহী ১৭জন, বিএনপির ৯জন, তাদের বিদ্রোহী ১৩জন, জাপার ৬জন, ইসলামী শাসনতন্ত্রের ১জন এবং স্বতন্ত্র ৬জনসহ মোট ৬১জন চেয়ারম্যান প্রার্থী।

এরা হচ্ছেন- দোয়ারা সদর ইউনিয়নে আব্দুল হামিদ (নৌকা), বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক (মোটরসাইকেল), আব্দূল বারী (ধানের শীষ), বিদ্রোহী নূরুল আমিন (রজনীগন্ধা), নরসিংপুরে আব্দুর রশিদ তালুকদার (নৌকা), বিদ্রোহী বর্তমান চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান (টেবিলফ্যান), একেএম আইয়ূবুর রহমান রহমানী (ঘোড়া), নূরুল আমিন (আনারস) ও শাখাওয়াত হোসেন কবির (মোটরসাইকেল), সামছুল হক নমু (ধানের শীষ), আবুল কালাম মো. সদরনূর (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী লন্ডন প্রবাসী আব্দুল আলী (টেলিফোন), কামরুজ্জামান ভূঁইয়া (চশমা) ও আজিজুর রহমান (অটোরিকশা), বাংলাবাজারে আবুল হোসেন (নৌকা), বিদ্রোহী বর্তমান চেয়ারম্যান জসিম আহমদ রানা (মোটরসাইকেল), আব্দুর রহিম (ধানের শীষ), বিদ্রোহী মোর্শেদ আলম (আনারস) ও স্বতন্ত্র আবু ছালেহ ( রজনীগন্ধা), মান্নারগাঁওয়ে বরুন চন্দ্র দাস (নৌকা), বিদ্রোহী সমছুদ্দিন আহমদ (ঘোড়া), আবু হেনা আজিজ (ধানের শীষ), বিদ্রোহী ইজ্জত আলী (মোটরসাইকেল), আইন উদ্দিন (চশমা) ও কৃষ্ণমোহন দাস (আনারস), সিরাজ মিয়া (লাঙ্গল), পান্ডারগাঁওয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহিদ (নৌকা), বিদ্রোহী মোহাম্মদ আলী (অটোরিকশা), আমজাদ হোসেন (মোটরসাইকেল) ও হুমায়ূন কবির (আনারস), আব্দুস সহিদ বাপন (ধানের শীষ), বিদ্রোহী সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ, স্বতন্ত্র ধন মিয়া (চশমা), দোহালিয়ায় আনোয়ার মিয়া আনু (নৌকা), বিদ্রোহী বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল (অটোরিকশা), শামীমুল ইসলাম (টেলিফোন), এমরাজ তালুকদার (চশমা) ও রাশেন্দ্র দাস (টেবিলফ্যান), সাবেক চেয়ারম্যান ফখর উদ্দিন (ধানের শীষ), বিদ্রোহী দেওয়ান হুমায়ূন চৌধুরী (আনারস), মিজানুর রহমান (ঘোড়া) ও কাজী মাহবুবুর রহমান (মোটরসাইকেল), লিপিয়া বেগম (লাঙ্গল), লক্ষিপুরে প্রভাষক জহিরুল ইসলাম (নৌকা), বিদ্রোহী বর্তমান চেয়ারম্যান আমিরুল হক (আনারস), আতাউর রহমান স্বপন (ধানের শীষ), বিদ্রোহী খলিলুর রহমান(ঘোড়া) ও হারুনুর রশিদ (মোটরসাইকেল), জালাল আহমদ (লাঙ্গল), ইসলামী শাসনতন্ত্রের রইছ মিয়া (হাতপাখা), বগুলাবাজারে মিলন খান (নৌকা), বিদ্রোহী বর্তমান চেয়ারম্যান আহাম্মদ আলী আপন (মোটরসাইকেল), আরিফুল ইসলাম জুয়েল (ধানের শীষ), বিদ্রোহী জামাল হোসেন (আনারস), ডা. গিয়াস উদ্দিন (লাঙ্গল) এবং সুরমা ইউনিয়নে খন্দকার মামুনুর রশিদ (নৌকা), বিদ্রোহী হুমায়ূন রশিদ (ঘোড়া), বর্তমান চেয়ারম্যান শাহজাহান মাস্টার (ধানের শীষ), বিদ্রোহী হারুন অর রশিদ (মোটরসাইকেল), ইকবাল হোসেন (লাঙ্গল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কাদির (আনারস)।

 

 
কুলাউড়া::
কুলাউড়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ২৩ এপ্রিল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

ইউনিয়নগুলো হলো -বরমচাল, ভূকশিমইল, জয়চণ্ডী, ব্রাহ্মণবাজার, কাদিপুর, কুলাউড়া সদর এবং রাউৎগাঁও ইউনিয়ন।

এই ৭টি ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ১লক্ষ ১২হাজার ১৪জন। মোট চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংখ্যা ৩৩জন। এ সকল ইউনিয়নে প্রধান ২দল আওয়ামীলীগ, বিএনপির ১৪জন প্রার্থী ছাড়াও বরমচাল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২জন, ভূকশিমইল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ১জন, জয়চণ্ডী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২জন, ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নে জাতীয় পার্টি ১জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩জন, কাদিপুর ইউনিয়নে খেলাফত মজলিশ ১জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪জন, কুলাউড়া সদর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩জন এবং রাউৎগাঁও ইউনিয়নে খেলাফত মজলিশ ১জন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১জন রয়েছে।

এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বচনে কানাডা, যুক্তরাজ্য, মধ্যপ্রাচ্যের ৬জন প্রার্থী পতিদ্বন্ধিতা করছেন। কোন মহল নির্বাচন নিয়ে আগাম মন্তব্য করতে পারছেন না।

 

 

বানিয়াচং:
উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৭৯ জন, সাধারণ সদস্য পদে (পুরুষ) ৫৭১ ও সংরক্ষিত আসন (নারী) ১৮০ প্রার্থী রয়েছেন।

বানিয়াচং সদর উত্তর-পূর্ব ইউপি: বর্তমান চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খান (নৌকা), গিয়াস উদ্দিন ধানের শিষ), প্রভাষক খায়রুল বাশার সোহেল (ঘোড়া) ,আব্দুছ ছালাম (লাঙল) ও খন্দকার তালেব উদ্দিন (চশমা)।

সদর উত্তর-পশ্চিম ইউপি: বর্তমান চেয়ারম্যান হায়দারুজ্জামান খান ধনমিয়া (নৌকা), ওয়ারিশ উদ্দিন খান (ধানের শিষ), জালাল উদ্দিন খান (ঘোড়া) ও নেছার আহমেদ খেলু (লাঙল)।

সদর দক্ষিণ-পূর্ব ইউপি: বর্তমান চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান (আনারস), আরফান উদ্দিন (নৌকা), মহিবুর রহমান বাবলু (ধানের শিষ), ছামির আলী (ঘোড়া), মোহাম্মদ আলী (মোটরসাইকেল), কামরুল হোসাইন (দেয়াল ঘড়ি), সৈয়দ মছরুর আহমেদ (লাঙল) ও ময়না মিয়া (চশমা)।

দৌলতপুর ইউপি: বর্তমান চেয়ারম্যান মনজু কুমার দাশ ((মোটরসাইকেল), লুৎফুর রহমান (নৌকা), শেখ আব্দুল হাই (ধানের শিষ), ছাইম উদ্দিন (দেয়াল ঘড়ি), তোফায়েল আহমেদ (আনারস), গোপাল চন্দ্র দাশ (চশমা) ও আবদুল মোছাব্বির (ঘোড়া)।

কাগাপাশা ইউপি: মো. এরশাদ আলী (নৌকা), মাইন উদ্দিন (ধানের শিষ), আবদুল মোত্তালিব (আনারস), দেলোয়ার হোসেন (ঘোড়া)।
বড়উড়ি ইউপি: হাবিবুর রহমান (নৌকা), মোস্তফা আল হাদী (ধানের শিষ), ইকবাল আহম্মেদ চৌধুরী (আনারস), এনামুল হক সবুর (ঘোড়া), ফারুক মিয়া শাহ (লাঙল), ইয়াওর মিয়া ((মোটরসাইকেল), আবদুল ওয়াহাব (খেজুর গাছ), শাহ আহমুদর রহমান (চশমা), আবু মুসা (অটোরিকশা)।

খাগাউরা ইউপি: শাহ শওকত আরেফীন সেলিম (নৌকা), কামরুজ্জামান চৌধুরী (ধানের শিষ), মো. ফরিদ আলী (আনারস) ও মাসুদ কোরানী মক্কি (ঘোড়া)।
পুকড়া ইউপি: বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ((মোটরসাইকেল), অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন তালুকদার (নৌকা), এরাজত মিয়া (ধানের শিষ), শেখ হিফজুর রহমান (খেজুর গাছ), আবুল কালাম আজাদ (ঘোড়া), নাসির উদ্দিন (আনারস), নুরুল হক (চশমা)

সুবিদপুর ইউপি: বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী (নৌকা), আক্তার মিয়া আখঞ্জি (ধানের শিষ), আব্দুর রউফ (ঘোড়া)।
মক্রমপুর ইউপি: মো. আহাদ মিয়া (নৌকা), কুহিনুর আলম (ধানের শিষ), সাদেকুর রহমান লিটন (আনারস), আব্দুর রউফ (ঘোড়া), আবুল বাশার (মোটরসাইকেল)।
সুজাতপুর ইউপি: বর্তমান চেয়ারম্যান এনাম খান চৌধুরী ((মোটরসাইকেল), আব্দুল কদ্দুছ শামিম (নৌকা), প্রবীর কুমার চক্রবর্তী (ধানের শিষ), মো. বাছির মিয়া (চশমা), লিয়াকত খান (লাঙল), হেলাল মিয়া (আনারস), মলু মিয়া তালুকদার (ঘোড়া)।

মন্দরী ইউপি: শেখ সামছুল হক (নৌকা), আব্দুর রব (ধানের শিষ), আব্দুল হাকিম (ঘোড়া), ইকবাল হোসেইন (আনারস), নুরুল খোদা ((মোটরসাইকেল) ও নূর মিয়া (টেলিফোন)।
মুরাদপুর ইউপি: বর্তমান চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম পাশা (নৌকা), মো. মধু মিয়া (ধানের শিষ), সোহেল চৌধুরী (ঘোড়া), জালাল উদ্দিন আহমেদ (আনারস), আফরাজুল চৌধুরী ((মোটরসাইকেল), শেখ মোস্তাকিম উল হোসেন (চশমা)।

পৈলারকান্দি ইউপি: ফজলুর রহমান খান (নৌকা), কামাল তালুকদার (ধানের শিষ), নাসির উদ্দিন চৌধুরী (আনারস) ও আনিসুর রহমান তালুকদার (ঘোড়া)।

 

সুনামগঞ্জ সদর::
সদর উপজেলা ৯ ইউনিয়নের ৮৩ কেন্দ্রের মধ্যে ২৭টি কেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ রয়েছে। এরমধ্যে ১নং রঙ্গারচর ইউনিয়নের-রঙ্গারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রঙ্গারচর-হরিনাপাটী উচ্চ বিদ্যালয়, হরিনাপাটী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিরামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৃন্দাবননগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসাউড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বনগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২নং গৌরারং ইউনিয়নের-শাক্তারপাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, অচিন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উমেদশ্রী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, গৌরারং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেড়াজালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩নং মোহনপুর ইউনিয়নের- উজান রামনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৫নং কুরবাননগর ইউনিয়নের-মাইজবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬নং মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের- মনোহরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭নং জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের-গোদীগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নারায়নতলা মিশন উচ্চ বিদ্যালয়, নারায়নতলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝরঝরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৮নং সুরমা ইউনিয়নের- সদরগড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইব্রাহীমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সৈয়দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেরীগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভৈষারপাড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯নং কাঠইর ইউনিয়নের- শাখাইতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় অধিকগুরুত্বপূর্ণ বলে জানা গেছে।

 
দক্ষিণ সুনামগঞ্জ :
দক্ষিণ সুনামগঞ্জের ৮ টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়কলস ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়া (নৌকা), মো. সমছুননুর (ধানেরশিষ), মো. রাজা মিয়া আনারস, মো. ওয়ারিশ উদ্দিন (খেজুরগাছ),পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জগলুল হায়দার (নৌকা), আজিজুর রহমান (ধানের শিষ), মো. নুরুল হক (আনারস), পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের আবু তাহের (ধানেরশিষ), ফয়জুল করিম (নৌকা), আক্তার হোসেন (চশমা), মাসুক মিয়া (আনারস), আমিরুল হক বেগ (মোটরসাইকেল), মাওলানা ছমির উদ্দিন (রিকসা), দরগাপাশা ইউনিয়নে মনির উদ্দিন (নৌকা), সুফি মিয়া (ধানের শিষ), হারুন মিয়া (লাঙল) ,পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নে রিয়াজুল ইসলাম রাইজুল (নৌকা), মো. তোফায়েল আহমদ (ধানের শিষ), মো. ছালেক উদ্দিন (মোটরসাইকেল), নুর কালাম (আনারস) বদরুল আলম (খেজুর গাছ),পাথারিয়া ইউনিয়নে আবুল ফয়েজ (নৌকা), আমিনুর রশীদ আমিন (ধানের শিষ), আঙ্গুর মিয়া (চশমা), শহিদুল ইসলাম (ঘোড়া), সামসুদ্দিন (আনারস), শিমুলবাক ইউনিয়নে মিজানুর রহমান জিতু (নৌকা), বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ (চশমা), কবির আহমদ (খেজুরগাছ), শাহীনুর রহমান (আনারস) সৈয়দুর রহমান (ধানের শিষ) এবং পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নে জসিম উদ্দিন (নৌকা), বর্তমান চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম (মোটরসাইকেল), লুৎফুর রহমান খোকন (ধানের শিষ), মো. এমদাদুল হক স্বপন (চশমা), হযরত আলী (ঘোড়া), সৈয়দ হোসেন জায়গীরদার রানা (টেবিলফ্যান), জাহাঙ্গীর আলম (আনারস) ।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: