সর্বশেষ আপডেট : ১৭ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জ হাওরের ফসল রক্ষার দায়ভার কার!

pic-03 copy_5718

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::
স্থানীয় এমপিদের মাধ্যামে গঠিত পিআইসিদের প্রায় ২ মাস দেরিতে বাঁধের কাজ শুরু হওয়াতে পিআইসিদের দ্বারা নির্মিত অধিকাংশ বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতি ও অনিয়ম এবং পাউবো কর্মকর্তাদের স্থানীয় এমপিদের লোকজনের চাপাচাপি ও গোটা ২/৩ জন ঠিকাদারদের দুর্নীতির ফলে দিগন্ত জোড়া হাওরে সোনালী পাকা ফসল দোল খাচ্ছে অন্যদিকে সীমান্তের ওপর থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে টইটুম্বর হয়ে আছে ফসল রক্ষা বাঁধে চারদিক ক্রমশ বাড়ছে পানির চাপ আর এর সংগে যুক্ত হয়েছে হাওরের ফসল কাটা শ্রমিকের সংকট। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের উপর। চলতি বোরো মওসুমে ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিছুদিন আগেও হাওরে সোনালী ফসল কৃষকের মনে আনন্দের জোয়ার বয়ে দিচ্ছিল। কিন্তু পাহাড়ি ঢল, শিলাবৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও শ্রমিক সংকটের কারণে কৃষকের সুখ স্বপ্ন অনেকটাই দুঃখ স্বপ্নে রূপ নিয়েছে।

এখন চারদিকে শুধু হাহাকার। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জানায় ৩৫ ভাগ জমির ফসল কেটেছেন কৃষক। বাকী ৬৫ ভাগ পাকা ধান মাঠেই বিনষ্ট হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্ত সুত্রে জানাযায় শনির হাওর, ডুবাইল হাওর, নলুয়া হাওর, খরচার হাওর, ডেকার হাওর, বরাম হাওর, কালিয়াকোঠা হাওর, ধারাম হাওর সাতারিয়া হাওর,পাথারিয়া হাওর, কলমার হাওর, ঘনিয়াকুড়ি হাওরসহ ছোটবড় ১০টি হাওরের ১১ হাজার হেক্টর জমির বোরো ফসল বন্যার পানিতে ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে। এসব হাওরের ২৬ হাজার কৃষক সরাসরি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। সব চেয়ে বেশী মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ধর্মপাশা, তাহিরপুর, জগন্নাথপুর, দিরাই ও শাল্লা উপজেলার কৃষকগণ। ফসল ডুবে যাওয়ায় খাদ্য উদ্বৃত্ত এ জেলার কৃষকের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ভেঙ্গে পড়বে। জেলার সিংহভাগ মানুষ একমাত্র বোরো ফসলের উপর নির্ভর করে তাদের সুখ স্বপ্ন গুলো রচনা করেন। একবার ফসল নষ্ট হলে পরপর তিন বছরে সে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেন তারা।

অন্যদিকে জেলা কৃষি-সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ জাহেদুল হক বলেন, হাওরের এই মুহুর্তে ধান কাটার তীব্র শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। শ্রমিকরা একদিনের পারিশ্রমিক ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা চাইছেন। ফলে কৃষকরা আরও বিপাকে পড়েছেন। অন্যদিকে হাওরের বোরো ফসল কাটার জন্য কৃষি বিভাগে আলাদা কোন হারভেস্টিং (শস্য কর্তন যন্ত্র) মেশিন নেই।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আফসার উদ্দিন বলেন, সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আগাম বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। সীমান্তের ওপার থেকে প্রায় ১ মিটার উচ্চতায় পাহাড়ি ঢলের পানি আসতে শুরু করেছে। তাই কৃষকদের দ্রুত ফসলি জমির পাকা ধান কাটার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: