সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কানাইঘাটে ইউনিয়ন নির্বাচন ২৩ এপ্রিল : দলের চাইতে আঞ্চলিকতায় প্রাধান্য বেশি

daily sylhet UP nirbachon news khanaighatনিজস্ব প্রতিবেদক::
আর মাত্র ২দিন বাকি। আগামী শনিবার সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও দলের চাইতে আঞ্চলিকতা প্রাধান্য পাচ্ছে বেশি। দলের চেয়ে নিজ এলাকার প্রার্থী ভোটারদের কাছে বেশি পছন্দ।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, নিজ দল মনোনীত প্রার্থীর চেয়ে এলাকার বিরোধি দলীয় অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে ব্যস্ত তৃণমূল পর্যায়ের অনেক নেতাকর্মী। এমনকি আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জন্য জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা কাজ করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতের এক নেতা জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন মূলতঃ দলীয় কোন পোস্টার নয়। এখানে রাজনীতির চাইতে ব্যক্তি সম্পর্ক বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। আওয়ামী লীগে ভাল লোক চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, প্রার্থীর নিজ গ্রামের লোকজন তার পেছনে কাজ করছেন।

উপজেলার ৮নং ঝিংগাবাড়ি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নূরুল হক মেম্বার। জামায়াত অধ্যুষিত এই গ্রামে নৌকা প্রতীকের সমর্থনে সর্বস্তরের গ্রামবাসি মাঠে কাজ করছেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিরোধি প্রার্থীর সমর্থকরা ব্যাপক প্রচারণা চালায়।

তবে, একই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জালাল আহমদের পক্ষে কাজ করছেন গ্রামে অধিকাংশ জামায়াত ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে, এলাকা ভিত্তিক একাধিক প্রার্থী থাকায় দলীয় প্রার্থীর চাইতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনা বেশি। হারুন মেম্বার অথবা আব্বাস স্বতন্ত্র প্রার্থী এগিয়ে থাকবেন বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।

৭নং ইউনিয়নে মাসুদ আহমদ আওয়ামী লীগ ও শাহাব উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই ইউনিয়নেও আঞ্চলিকতা বিবেচনায় বিরোধি দলীয় সমর্থকরা নিজ এলাকার প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।

৯নং রাজাগঞ্জ ইউনিয়নেও একই অবস্থা। চশমা প্রতীক নিয়ে প্রতদ্বন্দ্বিতা করছেন ফখরুল ইসলাম। এই এলাকায় বিএনপি-আওয়ামী লীগ-জামায়াত-জমিয়তের বিশাল সমর্থক থাকা সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে এগিয়ে আছেন ফখরুল।

ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মানিক মিয়া ও সিএনজি অটোরিকশা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শায়েস্তা মিয়াও এগিয়ে আছেন। তবে, দুই প্রার্থী একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় তাদের সম্ভাবনা কিছুটা কম। উল্লেখ্য, এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ৩জন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন, আর উপজেলার মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩জন প্রার্থী রয়েছেন।

৬নং ইউনিয়নেও একই অবস্থা। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী প্রিন্সিপাল সিরাজুল ইসলামের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তার পক্ষে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা কাজ করছেন।

তবে, কোথাও কোথাও আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী একক থাকায় তাদের দলীয় সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ প্রচার-প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: