সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দীপা ও রওনকের অভিযোগ: পারিশ্রমিক দেননি বিপুল রায়হান

Avijog 7.psd 3psdবিনোদন ডেস্ক:: শ্রমের ঘাম শুকানোর আগেই তার মূল্য পরিশোধ করতে হয়। একথা আমরা কম বেশি সবাই জানি। কিন্তু মানি না। এ না মানাটাও এখন স্বভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে যারে পারে ঠকিয়ে নিজেই একা বড় হতে চায়। আমাদের শোবিজ অঙ্গনেও একই চিত্র। শিল্পী, স্ক্রিপ্ট রাইটার, চিত্রগ্রাহক, লাইট ম্যান, সহকারি পরিচালকের কাছে প্রায় একটি অভিযোগ শোনা যায় যে, নির্মাতা ও প্রযোজকরা নাকি টাকা দেন না। টাকা চেয়ে অপমানিত হতে হয়। শিল্পীদের স্কেজুয়াল ফাঁসানোসহ আরো নানান অভিযোগ। এসব অভিযোগ বলার জায়গা নেই। আমরা সেই অভিযোগের গল্পগুলো প্রকাশ করতে চাই নিয়মিত। আজকে তেমনি একটি অভিযোগ প্রকাশ করা হল।

অভিযোগকারী: দীপা খন্দকার ও রওনক হাসান

দীপা খন্দকার: একজন গুণী অভিনয়শিল্পী হিসেবেই দীপা খন্দকার দর্শকদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন অনেক আগেই। বারো বছরের অভিনয় ক্যারিয়ারে এক হাজারেরও বেশি নাটক করেছেন। ছোটপর্দার মিষ্টিমুখ দীপা খন্দকারের এক হাজার নাটকের এই অধ্যায়টা বেশ বর্ণাঢ্য। এর মধ্যে ধারাবাহিকের চেয়ে একক নাটকই বেশি। অভিনয়, মডেলিং এবং নৃত্য -শিল্পচর্চার তিনি ধারাতেই দারুণ প্রশংসাও অর্জন করেছেন তিনি। ২০০৬ সালের ২৭ মে ভালোবেসে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন দীপা খন্দকার ও শাহেদ আলী। ২০০৭ সালের ১২ ডিসেম্বর এই দম্পতির ঘর আলোকিত করে ১২ ডিসেম্বর জন্ম নেয় একমাত্র পুত্র সন্তান আদৃক শিফওয়াত আলী। দীপার অভিনয়ের হাতেখড়ি পঞ্চম শ্রেণিতে থাকাকালে। ওই সময় তিনি ‘কুপোকাত’ নামে একটি নাটকে অভিনয় করে বেশ প্রশংসিত হন। তবে কাকতাড়ুয়া শিরোনামের ধারাবাহিক নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সর্বপ্রথম আলোচনায় আসেন। এরপর একে একে বেশকিছু জনপ্রিয় নাটক দর্শকদের উপহার দেন।

রওনক হাসান: অভিনয়, নাটক নির্মাণ ও নাটক লেখা এই তিনটি বিষয়েই পারদর্শীতা রয়েছে অভিনেতা রওনক হাসানের। মূলত মঞ্চ দিয়েই তার অভিনয় শুরু। ইতিমধ্যেই তিনি অভিনয় করেছেন অনেক নাটকে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি নির্মাণ কাজেও রয়েছেন। তার পরিচালনায় বেশ কিছু নাটক রয়েছে। জনপ্রিয় এই অভিনতো স্বপ্ন দেখেন শিল্প চর্চায় নিজেকে নিয়েজিত রাখার। পরিবারের মধ্যে রয়েছে রনজন নামের একটি পুত্র সন্তান। পরিবার তার অভিনয় জীবন সব মিলিয়ে বলতে গেলে ভালই আছেন তিনি। অভিনয়ের মানুষ তিনি অভিনয় দিয়েই বেঁচে থাকতে চান।
তাঁদের অভিযোগ

রওনক হাসান: ঘটনা ঘটেছে প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর আগে। মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত একটি টেলিফিল্মে কাজ করছিলাম আমি, দীপা খন্দকার, অর্ষা ও উজ্জল মাহমুদ। আমার এখনও মনে আছে শীতের মধ্যে একটানা তিনদিন নাটকের শুটিং করেছি। বিপুল রায়হান ছিলেন নাটকটির পরিচালক। কিন্তু সে আমাদের কারও পারিশ্রমিক দেয়নি। শুটিং শেষে যখন তার কাছে পারিশ্রমিক চাইলাম তখন তিনি বললেন দিয়ে দিবেন। পরে দিবেন দিবেন করে টানা ছয় মাস ঘুরিয়েছেন। কিন্তু পারিশ্রমিক দেননি। আমাদের মধ্যে অর্ষা শুধু পারিশ্রমিক পেয়েছিল। তাও চ্যানেল আইয়ের কাছ থেকে। কারণ নাটকটি চ্যানেল আইয়ের ব্যানারে নির্মিত হয়েছিল এবং চ্যানেল আইয়ে প্রচার হয়েছিল। উনি বিখ্যাত মানুষের যে কুখ্যাত সন্তান তা আর বোঝার বাকি থাকে না। এমন না যে আমরা শুটিং এ ফাঁকি দিয়েছিলাম। অনেক কষ্ট করে শুটিং করেছিলাম কিন্তু ছয়মাস পর আর আমাদের কারও ফোন ধরেননি।
দীপা খন্দকার: ঘটনাতো সেই পাঁচ বছর আগের। রওনাক যা বলেছে ঠিক বলেছে। আমাদের কারও পারিশ্রমিক উনি দেননি। অনেক চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু কাজ হয়নি। যখন বুঝতে পারলাম বিপুল ভাই আমাদের টাকা দিবেন না তখন চ্যানেল আইয়ে আমি নিজে ফোন দিয়ে জানতে পারলাম চ্যানেল আই থেকে সমস্ত টাকা বিপুল ভাই নিয়ে গেছেন কিন্তু কেন আমাদের পারিশ্রমিক দিলেন না বুঝতে পারলাম না। এত বছর পর এখন আর কি হবে পুরানো কথা বলে। এরপর আর বিপুল ভাইয়ের সঙ্গে কোন যোগাযোগ করিনি। কারণ বুঝতে পারছিলাম পারিশ্রমিক তিনি দিবেন না।
নির্মাতা বিপুল রায়হানের বক্তব্য

এই অভিযোগটি পাবার পর থেকেই বিপুল রায়হানকে ফোনে খুঁজতে থাকে । গত ১৩ এপ্রিল তার ফোন নম্বরে একটি এসএমএস পাঠানো হয়। এসএমএস এর জবাবে তিনি ফিরতি কল দেন। এতে তার সঙ্গে কথা বলা সময়ে তিনি বলেন ‘আমি অভিযোগটি পড়তে চাই। এরপর আমি মন্তব্য দিবো।’ কথা অনুযায়ি তার ফেসবুকে অভিযোগটি পাঠনো হয়। কিন্তু এরপর থেকে তিনি আর কোন ধরনের যোগাযোগ করেননি। তাকে বারবার কল করার পরও তিনি কল ধরেননি। শেষ পর্যন্ত এই নিউজটি প্রকাশ করার আগেও তাকে ফোন এবং শেষ বারের মতন তাকে এসএমএস করা হয়। কিন্তু তিনি কোন মন্তব্য জানননি।
প্রিয়.কম

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: