সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তনু হত্যা: প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে সিআইডি’র জিজ্ঞাসাবাদ

tanu_1_2নিউজ ডেস্ক::কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক শারমীন সুলতানাকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটা থেকে তাকে সিআইডি কুমিল্লা দপ্তরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এর আগে, দুপুরে তনু হত্যা মামলা তদারকিতে মামলার তদন্ত সহায়ক দলের প্রধান সিআইডি ঢাকার সিনিয়র পুলিশ সুপার আবদুল কাহহার আকন্দের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি দল কুমিল্লায় এসেছে। দুপুর ১২টার দিকে উচ্চ পর্যায়ের এ দলটি কুমিল্লা সেনানিবাসে প্রবেশ করে বিকাল পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে। সে সময় সিআইডির এ দলটি তনুর লাশ পাওয়ার স্থান পুনরায় পরিদর্শন ও মামলার বিষয়ে নানা তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ছাড়াও তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, ‘দুপুরে সিআইডির কর্মকর্তারা আমার বাসায় এসে ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। মামলার অন্য কোনো বিষয়ে তারা কিছু জানতে চাননি, আমি শুধু ন্যায়বিচার চেয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘মানুষ মিথ্যা কথা বলে যে কাউকে বাঁচাতে পারে। কিন্তু আল্লাহ সব দেখেছেন, তিনি তো ন্যায়বিচার করবেন। একালে আমি আমার মেয়ে হত্যার ন্যায়বিচার না পেলেও পরকালে তো এ বিচার পাব। এখন এ ছাড়া আমার আর কিছুই বলার নেই।’
পরে বিকালে সিআইডির এ দলটি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের গেস্ট হাউজে বৈঠক করেন। এ বিষয়ে সন্ধ্যায় সিআইডি কুমিল্লার বিশেষ পুলিশ সুপার ড. নাজমুল করিম খান জানান, ‘মামলার তদন্তে ঢাকার সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে আমরা আজও সেনানিবাসের ভেতর গিয়ে মামলার বিষয়ে নানা তথ্য সংগ্রহ ও তনুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হয়েছে।’
তবে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের গেস্ট হাউজে সভা কিংবা ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জানা যায়, গত ২০ মার্চ তনু হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ ও ডিবির পর মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছেন কুমিল্লা সিআইডির পরিদর্শক গাজী মো. ইব্রাহিম। গত ৩০ মার্চ সিআইডি ঢাকার সিনিয়র পুলিশ সুপার আবদুল কাহ্হার আকন্দকে প্রধান করে ৬ সদস্যের একটি তদন্ত সহায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
গত ২, ৩ ও ৭ এপ্রিল সেনানিবাস এলাকায় তনুর মরদেহ উদ্ধারের স্থানসহ বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। সে সময় সিআইডি ৩ দফায় তনুর মা- বাবা, সহপাঠী, চিকিৎসক, নার্স, কিছু সেনা সদস্য, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্তত ৭০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
প্রসঙ্গত, তনু গত ২০ মার্চ সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়ানোর জন্য বের হয়। পরে নির্দিষ্ট সময়ের বেশি পার হয়ে গেলেও তনু বাসায় ফিরে না আসায় তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। রাতে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন কালভার্টের পাশে ঝোঁপের মধ্যে তার লাশ পাওয়া যায়।
পরদিন তার পিতা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) থেকে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: