সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ছাত্রীকে হুমকি ও অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

73নিউজ ডেস্ক : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মীর মোশারেফ হোসেনকে (রাজীব মীর) স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়ে আদেশ জারি করেছে প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে হুমকি ও অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় এ পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান বলেন, সাংবাদিকতা বিভাগের কয়েকজন ছাত্রী তার বিরুদ্ধে তাদের হুমকি দেওয়া ও খারাপ কথা বলাসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ এনেছেন। একজন ছাত্রী অভিযোগ করেছেন যে শিক্ষক রাজীব মীরের প্রস্তাব শুনতে না চাইলে তাকে পরীক্ষায় কম নম্বর দেবেন বলে হুমকি দেওয়া হয়। অন্য অভিযোগগুলো সম্পর্কে তদন্তের পর বলা যাবে।

তিনি আরও বলেন, তদন্ত কমিটি কয়েকটি ভয়েস রেকর্ড পর্যালোচনা করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। এ কারণে তারা বলেছেন যে ওই তিন শিক্ষককে স্নাতকোত্তরের শিক্ষা কার্যক্রমে রাখা যায় না। তাতে অভিযোগকারীরা বিপদে পড়তে পারেন। এ কারণে আজ থেকে তিন শিক্ষককে ওই শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

ছাত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের সময় দুই নারী শিক্ষকের নাম উল্লেখ করায় ওই দুই শিক্ষক বর্ণনা ভৌমিক ও প্রিয়াঙ্কা স্বর্ণকারকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষকে প্রধান করে সব অনুষদের ডিন ও রেজিস্ট্রারকে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে শিগগিরই প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে অভিযুক্তি শিক্ষক রাজীব মীরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। আজ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়েও যাননি। অপর দুই শিক্ষক বর্ণনা ও প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, তারা বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানেন না। কিন্তু অব্যাহতি–সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন। তারা দুজনই বলেছেন, কারণ জানতে চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তারা চিঠি দিয়েছেন।

শিক্ষক বর্ণনা ভৌমিক বলেন, কর্তৃপক্ষ আগামীকাল মঙ্গলবার তার সঙ্গে কথা বলবে। তদন্ত দলও কথা বলবে।

এ বিষয়ে শিক্ষক প্রিয়াঙ্কা স্বর্ণকার বলেন, তিনি বুঝতে পারছেন না তার বিরুদ্ধে অভিযোগটা কী। তিনি এর কোনো কিছুর সঙ্গে যুক্ত নন। তাকে কেবল অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমি জেনেছি, স্যার (রাজীব মীর) আমাদের নাম বলেছেন। তিনি আমার নাম ব্যবহার করে বলেছেন। কিন্তু আমি কিছু জানি না।’ একই কথা বলেছেন অপর শিক্ষক বর্ণালী ভৌমিকও। তিনি বলেন, ‘আমার অপরাধটা কী, সেটাই বুঝতে পারলাম না।’

রাজীব মীর ছাড়া অপর দুই নারী শিক্ষককে স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ সম্পর্কে উপাচার্য মীজানুর রহমান বলেন, অভিযোগকারী ছাত্রী অভিযোগে বলেছেন, শিক্ষক রাজীব মীর তাকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, তার (রাজীব মীর) কথা না শুনলে ওই দুই নারী শিক্ষকও ওই ছাত্রীকে পরীক্ষায় কম নম্বর দেবেন। উপাচার্য বলেন, ওই ছাত্রীসহ অভিযোগকারী ছাত্রীরা তিন থেকে চার পৃষ্ঠায় নানা অভিযোগের কথা লিখেছেন। কিছু কথোপকথনের রেকর্ডও উপাচার্য কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন। এগুলো তদন্ত কমিটির কাছে দেয়া হয়েছে। সূ্ত্র: প্রথম আলো

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: