সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নিষেধাজ্ঞার ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন তাসকিন

72নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ বোলিং অ্যাকশন নিষেধাজ্ঞার খবরে উত্তাল হয়ে উঠেছিল পুরো ক্রিকেটবিশ্ব। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন হয়েছে বাংলাদেশ। একে স্রেফ আইসিসির ‘ষড়যন্ত্রে’ বলেছে দেশ-বিদেশের অনেকেই। তবে স্বয়ং তাসকিন আহমেদ বলছেন ভিন্ন কথা।

গত এক মাসে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে চরম মানসিক অস্তিরতার মধ্যে থাকলেও এর মধ্যে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির কোন ‘ষড়যন্ত্রে’ দেখছেন না এই তরুণ প্রতিভাবান পেসার।

গত মাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাসকিনের বোলিং অ্যাকশন সন্দেহবিদ্ধ হয়েছিল। এর পর চেন্নাইয়ে বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষা দিয়ে ব্যর্থ হয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন বিশ্বকাপের মাঝপথেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং করার অধিকার ফিরে পেতে অ্যাকশন শোধরাতে হবে তাঁকে।

মাত্র ২১ বছর বয়সে এমন জটিল সমস্যায় পড়লেও তাসকিন কিন্তু মাথা ঠান্ডাই রাখছেন। আইসিসির কাঁধে দায় চাপিয়ে দেন নি তাসকিন। বরং সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘আমি মনে করি না, আইসিসি কোনো ভুল করেছে। তারা আমার প্রতি কোনো অবিচার করেনি। এটা করার অধিকার তাদের আছে। খালি চোখে দেখে ম্যাচ অফিশিয়ালদের মনে হয়েছে যে আমার বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি আছে। তাই তারা আমার বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেছেন। পরীক্ষাগারে সব ধরনের আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়েই আমার পরীক্ষা করা হয়েছে।’

চেন্নাইয়ে কী ধরনের পরীক্ষা দিতে হয়েছিল-এমন প্রশ্নের জবাবে তাসকিন বলেন, ‘আমাকে সব মিলিয়ে ৪২টি ডেলিভারি দিতে হয়েছিল। নয়টি বাউন্সার দিয়েছিলাম আমি, যার মধ্যে তিনটি অবৈধ হয়েছিল। ওই তিনটি বলের জন্যই আমি এখন নিষিদ্ধ।’

দুঃসংবাদটা শুনে প্রথমে ভেঙে পড়লেও পরে নিজেকে সামলে নিয়েছিলেন তাসকিন। সে সময় বিদেশ ভ্রমণ মন শক্ত রাখতে দারুণ সাহায্য করেছিল তাকে। তিনি বলেন, ‘বোলিং নিষিদ্ধ হওয়ার খবর মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন ছিল আমার জন্য। আমি পুরোপুরি নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম যেন। তবে পরে আমার মনে হয়, বিদেশ ভ্রমণ হয়তো কাজে আসতে পারে। তাই শ্রীলঙ্কা আর মালদ্বীপে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সফরটা অনেকটাই তরতাজা করেছে আমাকে।’

হতাশা ঝেড়ে ফেলে তাসকিন এখন তাকিয়ে সামনের দিকে, ‘জাতীয় পর্যায়ের কোচরা অ্যাকশন শোধরানোর জন্য সাহায্য করছেন আমাকে। মাহমুদ আলী জাকি নামের একজন স্থানীয় কোচও সাহায্য করছেন। এ ছাড়া প্রতিটি ক্ষেত্রে সাহায্য করছেন আবাহনীর কোচ সুজন স্যার (খালেদ মাহমুদ)। আশা করি, এভাবেই তিনি আমাকে সাহায্য করে যাবেন।’

আপাতত আসন্ন প্রিমিয়ার লিগের দিকে তাকিয়ে আছেন। তাসকিন বলেন, ‘বর্তমানে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দিকে আমার পূর্ণ মনোযোগ। লিগে বোলিং করতে আমি উদগ্রীব হয়ে আছি। লিগ শেষ হওয়ার পর দেখা যাক, বিসিবি কোথায় আমাকে দ্বিতীয়বার যাওয়ার অনুমতি দেয়।’

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: