সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৫৪ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

হেলে পড়া ভবন বিপজ্জনক হলে ভাঙতে হবে

Untitled-120160417220010নিউজ ডেস্ক : বুধবারের শক্তিশালী ভূমিকম্পে নগরীতে ‘হেলে পড়া’ নয়টি ভবনসহ পাশ্ববর্তী ভবনগুলো ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবেলা এবং মানুষের বসবাস উপযোগী কিনা নির্ধারণ করতে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

রোববার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধান করে গঠিত ওই কমিটি হেলে পড়া ভবন কিংবা পাশের ভবনে কারিগরি পরীক্ষা চালিয়ে যদি বিপজ্জনক মনে করে তবে শিগগির ভেঙে ফেলার সুপারিশ করবে। আর যদি কাঠামোগত পরিবর্তনের মাধ্যমে ভূমিকম্প সহনীয় বা বসবাস উপযোগী করার সুযোগ থাকে তা-ও সুপারিশ করবে।

কমিটির সদস্যরা হলেন চুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. আবদুর রহমান, সিডিএর উপ প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহীনুল ইসলাম খান, সিডিএর অথরাইজড অফিসার মো. ইলিয়াস ও মো. শামীম।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) রাত সাতটা ৫৬ মিনিটে রাজধানীসহ সারা দেশে রিখটার স্কেলে প্রায় সাত মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ঢাকা থেকে ৪৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে মায়ানমারের মাউলাইক শহরের ৭৪ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে ছিলো ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। স্থানটি বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত সংলগ্ন। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৩৪ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটির কেন্দ্র বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)।  অবশ্য ভূমিকম্পের পরপরই এর মাত্রা ৭ দশমিক ২ বলে খবর পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে এর মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৯ বলে নিশ্চিত করে যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসজিএস।

ভূমিকম্পের পরপর কোতোয়ালি, হালিশহর, চান্দগাঁও, খুলশী থানা এলাকার নয়টি বহুতল ভবন পাশের ভবনের ওপর হেলে পড়ার খবর পাওয়া যায়। ওই দিন রাতেই সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন হেলে পড়া ভবনগুলো পরিদর্শন করেন। শুক্র ও শনিবার সিডিএর একটি টিম ভবনগুলো পরিদর্শন করে তথ্য সংগ্রহ করে।

শাহীনুল ইসলাম খান জানান, হেলে পড়া ভবন পরিদর্শন করে আমরা যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছি সেগুলো কমিটির কাছে উপস্থাপন করবো। এরপর টেকনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট শুরু করা হবে। হেলে পড়া ভবনের বর্তমান অবস্থা এবং যেটির ওপর হেলে পড়েছে সেটির কী অবস্থা সবই খতিয়ে দেখা হবে।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ঘনবসতি এলাকা ও বাজার কেন্দ্রিক এলাকায় বহুতল ভবনগুলো সিডিএর নতুন-পুরোনো কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই গড়ে তোলা হয়েছে। এটিও একটি অপরাধ। আবার বিধি না মেনে স্ট্রাকচারালি দুর্বলতার মধ্যেও বহুতল ভবন গড়ে তোলা হয়েছে সেটিও অপরাধ। সবই খতিয়ে দেখবো আমরা। ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবেলা করে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সিডিএর আইন অবশ্যই সবাইকে মেনে চলতে হবে। এক্ষেত্রে প্রশাসনিক কঠোরতা অবশ্যই দরকার।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: