সর্বশেষ আপডেট : ৪২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের জন্য মডেল মুন আদালতে

18নিউজ ডেস্ক :: কার্নেট সুবিধায় আমদানি করা অবৈধ বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগ থেকে বাঁচতে ফেঁসে যাচ্ছেন মডেল ও অভিনেত্রী ডা. জাকিয়া মুন। বুধবার আদালত তার আবেদন খারিজ করে দেন। শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আদালত তার অভিযোগ আমলে না নিয়ে তদন্তের স্বার্থে খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে অবৈধ গাড়ি ব্যবহারে ফেঁসে যাচ্ছেন এ অভিনেত্রী।

এদিকে, অবৈধ গাড়ি ব্যবহার বিষয়ে বক্তব্য জানতে মুন ও তার স্বামী শফিউল আজম মহসিনকে ১৮ এপ্রিল তলব করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

এর আগে ৬ এপ্রিল গুলশান-১ এর ৩৩ নম্বর রোডের ১০ নম্বর বাড়ি থেকে একটি বিলাসবহুল পোরশে জিপ জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

মুন গাড়িটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করলেও তা নিজের নয় এবং কোনো শুল্ক ফাঁকি দেয়া হয়নি বলে অস্বীকার করেন।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গাড়িটির মালিকানা ও ব্যবহার বিষয়ে ১২ এপ্রিল মুনকে তলব করে একটি চিঠি দেয় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

এতে বলা হয়, এএস ০৫ এইউএম নম্বরপ্লেট সম্বলিত জিপটি যুক্তরাজ্য থেকে নিবন্ধনকৃত।

সূত্র আরো জানায়, মুন দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে গাড়িটি ব্যবহার করছে। চিঠি পেয়ে অভিযোগ ও গ্রেফতার থেকে বাঁচতে কৌশলের আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা শুরু করেন তিনি।

এর অংশ হিসেবে বুধবার আদালতে আবেদন করে মুন বলেন, শুল্ক গোয়েন্দা আমাকে গ্রেফতার করতে পারে। এ চিঠিকে হয়রানি মনে করছি।

পরে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের পক্ষ থেকে আদালতকে বলা হয়, যেহেতু মুন গাড়িটি ব্যবহার করছেন, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।

তিনি কার্নেট সুবিধার জিপটি ব্যবহার করে শুল্কমুক্ত সুবিধার শর্ত ভঙ্গ করেছেন। এ সুবিধার আড়ালে কোনো ফৌজদারি অপরাধ হয়েছে কিনা তা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তের স্বার্থে যে কাউকে ডাকতেই পারে।

যেহেতু তিনি গাড়িটির মালিকানার তালিকা গ্রহণ করেছেন তার বক্তব্য জানতে ১৮ এপ্রিল মুনকে তলব করা হয়েছে। পরে আদালত মুনের আবেদন খারিজ করে দেন।

শুনানিতে মুনের পক্ষে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান অংশ নেন।

গাড়ি আটকের পর তদন্ত শুরু করে শুল্ক গোয়েন্দা। তদন্তে মুন বা তার স্বামী দোষী প্রমাণিত হলে মামলা, গ্রেফতার ও জরিমানা হতে পারে।

সূত্র আরো জানায়, দুই কোটি টাকার বেশি শুল্কসহ পোরশে জিপটির মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকার বেশি। মুন গাড়িটি ব্যবহার করতেন। মহসিন মুনের স্বামী। কালো রঙের বিলাসবহুল গাড়িটি কার্নেট সুবিধায় আমদানি করা হলেও ফেরত পাঠানো হয়নি।

এ বিষয়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেন, তদন্তের স্বার্থে যে কাউকে ডাকতে পারি।

তিনি বলেন, আমরা আদালতকে বলেছি, তদন্তের স্বার্থে মুনকে তলব করা হয়েছে, হয়রানির উদ্দেশে নয়। আদালত আমাদের কথা শুনে তলবে সাড়া দিতে বলেছেন। ‌আদালত আবেদন খারিজ করে দেয়ায় ‍এখন আর বাধা নেই বলে তিনি জানান।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: