সর্বশেষ আপডেট : ২২ মিনিট ২০ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘কোন মাছে কোন জাল, বোঝে না সরকার’

fish-bg20160416074642নিউজ ডেস্ক: পোয়া, ভাষানী, তুলারদাড়ি, বাইল্ল্যা- এমন নানান জাতের নদীর সুস্বাদু দেশি মাছে ভরা ছিল বাজার। এখন চাষের পাঙ্গাস, কৈ, তেলাপিয়া, মাগুর, শিং ছাড়া অন্য মাছ পাওয়া ভার।

নদীর দেশি মাছ আর দেখে না ফিরোজ আলমের চোখ, ছাব্বিশ বছর ধরে তিনি করছেন আড়ৎদারি।

‘কোন মাছে কোন জাল ব্যবহার করতে হয়, তা জানে না সরকার। জাটকা ধরা বন্ধের নামে নদীতে সব জাল বন্ধ থাকায় দেশী মাছগুলো চলে যায় পার্শ্ববর্তী দেশে, সেখানে মৎস্যজীবীদের শিকার হয় বাংলাদেশের মাছ।’

জাটকা সংরক্ষণে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকার মৌসুমে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের আড়ৎগুলোতে ইলিশ তো পাওয়াই যায় না, নদীর ‍অন্য মাছও মিলছে না।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত মধ্য রাতে কারওয়ান বাজারে মাছের আড়তে গিয়ে দেখা যায় মাছ চাষি, আড়ৎদার ও খুচরা দোকানদারদের ব্যস্ততা। ট্রাক থেকে নামছে পাঙ্গাস, কৈ, তেলাপিয়া, শিং-মাগুর আর কিছু কার্প জাতীয় মাছ।

‍আড়ৎদার ফিরোজ আলম বলেন, এসব মাছের সবগুলোই চাষের। ময়মনসিংহ, শেরপুর, ভৈরব, সিলেটসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আসছে।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে তিনি বলেন, কারেন্ট জালে ইলিশের সঙ্গে অন্য মাছও আটকা পড়ে। সেই কারেন্ট জাল ব্যবহার না করলেই হয়। হাতে বোনা জালগুলো দিয়ে মাছ ধরলে ইলিশ আটকা পড়বে না।

তিনি বলেন, সাধারণ জালে বাইল্ল্যা, পোয়া, তুলারদাড়ি মাছ ধরা পড়ে। জেলেরা ইলিশ ধরার মৌসুমেও সাধারণ জাল ব্যবহার করে দেশি মাছ ধরতে পারেন।

দুই মাস নদীতে জাল ফেলা নিষিদ্ধ থাকায় মাছ চাষিরা সুযোগ পায় জানিয়ে তিনি বলেন, দিন দিন দেশি মাছের প্রতি মানুষ আকর্ষণ হারাচ্ছে।

তার যুক্তি, নদীতে জাল পড়লে মাছের উৎপাদন বাড়ে, জাটকা ধরা বন্ধে কারেন্ট জাল না ধরে উৎপাদন বন্ধ করলেই হয়।

পোলট্রি ফিডসহ অনেক সময় পচা খাবারগুলো কৈ মাছের জন্য দেওয়া হয় জানিয়ে আরেক আড়ৎদার হাবিবুর রহমান বলেন, এসব মাছ স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতির কারণ।

পহেলা বৈশাখে কোল্ড স্টোরের কিছু মাছ বাজারে উঠেছিল জানিয়ে ফিরোজ আলম বলেন, নববর্ষের রাত থেকে আর ওঠেনি ইলিশ। আর যেগুলো উঠেছিল সেগুলোর দামও ছিল চড়া।

বর্তমান আড়তে কৈ ১৩০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, মাগুর ৪০০-৪৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১১০-১৩৫ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি রুই ৩৫০ টাকা, ভারতের ৩০০ টাকা কেজি দর আড়তে। তেলাপিয়া ১০৫ টাকা, চিংড়ি ৪৫০-৬০০ টাকা কেজি।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: