সর্বশেষ আপডেট : ৯ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘আমি শুধু মেয়েদের ধরি’

12961637_2014169022142574_5643108811856056428_nনিউজ ডেস্ক::
‘আমি মেয়েদের ধরি’কথাটা একটু খারপ শুনায়। কথা কথাটি বলেছেন রাজধানীর সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় বর্ষের বিবিএ’র পড়ুয়া এক ছাত্র।
বিশ্বজুড়েই আজ পালিত হচ্ছে বাংলা ভাষাভাষিদের প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে যেন আনন্দ একটু বেশিই। তাইতো এ উৎসবকে নির্বিঘ্ন করতে রাজধানীসহ সারাদেশে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যাবস্থা।

রাজধানীতে বাড়তি নিরাপত্তার জন্য বিভন্ন রাস্তায় ট্রাফিক ড্রাইভারশনের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। যার কারণে অনেক রাস্তায় গাড়ি নেই। তাতে কোন বৈশাখী অয়োজনে কোন প্রভাব পড়েনি। বৈশাখ প্রেমিরা হেঁটে, রিক্সা করে রমনা, শাহবাগ এলাকাসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে এসেছে।

বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে আসা দর্শনার্থীদের হাতে মুখে শরীরে আলপনা আঁকার জন্য দাঁড়িয়ে আছে বিভিন্ন কলেজ, ভার্সিটির ছেলে-মেয়েরা। দর্শনার্থীরা রিক্সা, গাড়ি, মোটসাইকেল থেকে নামতেই আকুতি শুরু হয়ে যায় তাদের। ভাইয়া-আপু, ভাইয়া-ভাবি বলে সামনে পিছনে হাটঁতে থাকে একটু পহেলা বৈশাখের আলপনা আঁকার জন্য।

বিশেষ করে শিশুদের দিকে তাদের আর্কষণ বেশি থাকে। সেচ্চায় বা জোড় করে হোক তারা গায়ে একটু আলপনা আঁকাতে চায়।’

পল্টন, রমনাপার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, শাহবাগ, টিএসসি, ধানমন্ডি লেক এবং রাজধানীর প্রায় প্রত্যেকটি বিনোদন কেন্দ্রের সামনে ভিতরে থাকে। যারা মানুষের শরীরে আলপনা এঁকে জনসাধারণের কাছ থেকে কিছু বকশিস নেয়।

রাজধানীর পল্টন মোড়ে এমনি জনের সাথে কথা হয় তিনি রাজধানীর এক সুনামধন্য কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু মেয়েদেরকে ধরি এবং তাদের হাতে আলপনা বা নববর্ষের শুভেচ্ছ লিখে দিই। এর বিনিময়ে কিছু টাকা পাওয়া যায় আরকি।

শুধু আমি না অনেক ভার্সিটির ছেলেরা এ কাজ করে। আবার কিছু পেশাদার লোক আছে যারা জোর করে এঁকে জনসাধারণের কাছ থেকে টাকা আদায় করে।’
তিনি এ প্রতিবেদকে জানান, আমরা মুখের বা হাতের যে কোন স্থানে আলপনা বা নববর্ষের শুভেচ্ছা লিখলে ১০-২০ টাকা নিয়ে থাকি তবে অনেককে খুশি হয়ে ৫০ টাকাও দিয়ে থাকে।

তিনি আরো জানান, শুধু ২১শে ফেব্রুয়ারী, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২৬শে মার্চ, পহেলা বৈশাখ, ১৬ ডিসেম্বর এ ধরনের বিশেষ দিনে কিছু বাড়তি আয়ের জন্য এ কাজ করে থাকি। তবে মাঝে মাঝে তাদের ভিতরে টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বাকবিতন্ডা সৃষ্টিরও হয়।

এদিকে জোড়পূর্বক আলপনা এঁকে দিচ্ছে বলে অভিযোগ দর্শনার্থীদেরই তেমনি একজন দর্শনার্থী মুক্তা আকতার জানান, আমি ছোট মেয়েকে নিয়ে বৈশাখে আনন্দ করতে আসলাম রমনার বটমূলে। কিন্তু সেখানে ঘুরেতে জোড়করেই একজন আমার মেয়ের মুখে আলপনা আঁকছে আবার বেশি টাকা দাবিও করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: