সর্বশেষ আপডেট : ৫ ঘন্টা আগে
মঙ্গলবার, ২৭ জুন, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মডেল মুন আদালতে, ফিরলেন খালি হাতে

Moon-sm20160414002619ডেইলি সিলেট ডেস্ক:: কার্নেট সুবিধায় (শুল্ক সুবিধা) আমদানি করা অবৈধ বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগ থেকে বাঁচতে ফেঁসে যাচ্ছেন মডেল ও অভিনেত্রী ডা. জাকিয়া মুন।
আদালত তার অভিযোগ আমলে না নিয়ে তদন্তের স্বার্থে খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে অবৈধ গাড়ি ব্যবহারে ফেঁসে যাচ্ছেন এ অভিনেত্রী।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) আদালত তার আবেদন খারিজ করে দেন। শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এদিকে, অবৈধ গাড়ি ব্যবহার বিষয়ে বক্তব্য জানতে মুন ও তার স্বামী শফিউল আজম মহসিনকে ১৮ এপ্রিল তলব করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

এর আগে ৬ এপ্রিল গুলশান-১ এর ৩৩ নম্বর রোডের ১০ নম্বর বাড়ি থেকে একটি বিলাসবহুল পোরশে জিপ জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

মুন গাড়িটির দীর্ঘদিন ব্যবহার করলেও তা নিজের নয় এবং কোনো শুল্ক ফাঁকি দেওয়া হয়নি বলে অস্বীকার করেন। কিন্তু গাড়ির সিজার লিস্ট নিজে বুঝে নেয়।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গাড়িটির মালিকানা ও ব্যবহার বিষয়ে ১২ এপ্রিল মুনকে তলব করে একটি চিঠি দেয় শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

এতে বলা হয়, এএস ০৫ এইউএম নম্বরপ্লেট সম্বলিত জিপটি যুক্তরাজ্য থেকে নিবন্ধনকৃত।

সূত্র আরো জানায়, মুন দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে গাড়িটি ব্যবহার করছে। চিঠি পেয়ে অভিযোগ ও গ্রেফতার থেকে বাঁচতে কৌশলের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন তিনি।
এর অংশ হিসেবে বুধবার আদালতে আবেদন করে মুন। আবেদনে বলেন, শুল্ক গোয়েন্দা আমাকে গ্রেফতার করতে পারে। এ চিঠিকে হয়রানি মনে করছি।

পরে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতরের পক্ষ থেকে আদালতকে বলা হয়, যেহেতু মুন গাড়িটি ব্যবহার করছেন, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।

তিনি কার্নেট সুবিধার জিপটি ব্যবহার করে শুল্কমুক্ত সুবিধার শর্ত ভঙ্গ করেছেন। এ সুবিধার আড়ালে কোনো ফৌজদারি অপরাধ হয়েছে কিনা তা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তের স্বার্থে যে কাউকে ডাকতেই পারে। যেহেতু তিনি গাড়িটির মালিকানার তালিকা গ্রহণ করেছেন তার বক্তব্য জানতে ১৮ এপ্রিল মুনকে তলব করা হয়েছে। পরে আদালত মুনের আবেদন খারিজ করে দেন।
শুনানিতে মুনের পক্ষে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান অংশ নেন।

গাড়ি আটকের পর তদন্ত শুরু করে শুল্ক গোয়েন্দা। তদন্তে মুন বা তার স্বামী দোষী প্রমাণিত হলে মামলা, গ্রেফতার ও জরিমানা হতে পারে।

সূত্র আরো জানায়, দুই কোটি টাকার বেশি শুল্কসহ পোরশে জিপটির মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকার বেশি। গাড়িটির মালিক প্যাসিফিক গ্রুপের মালিক সাইফুল আজম মহসিন।

মুন গাড়িটি ব্যবহার করতেন। মহসিন মুনের স্বামী। কালো রঙের বিলাসবহুল গাড়িটি কার্নেট সুবিধায় আমদানি করা হলেও ফেরত পাঠানো হয়নি।

এ বিষয়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বলেন, তদন্তের স্বার্থে যে কাউকে ডাকতে পারি।

তিনি বলেন, আমরা আদালতকে বলেছি, তদন্তের স্বার্থে মুনকে তলব করা হয়েছে, হয়রানির উদ্দেশে নয়। আদালত আমাদের কথা শুনে তলবে সাড়া দিতে বলেছেন। ‌আদালত আবেদন খারিজ করে দেওয়ায় ‍এখন আর বাধা নেই বলে তিনি জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: